হাওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর ।হাওয়ার গান কবিতার বিষয়বস্তু।


হাওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর ।হাওয়ার গান কবিতার বিষয়বস্তু।


সূচিপত্র:

ক)কবি পরিচিতি 

খ) উৎস

গ) বিষয়সংক্ষেপ 

ঘ) নামকরন

ঙ) হাতেকলমে সমাধান 

চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)

ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 



ক) কবি পরিচিতি:

১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে বুদ্ধদেব বসুর জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের কুমিল্লায়। তাঁর পিতা ছিলেন ভূদেবচন্দ্র বসু। জন্মের সময়েই বুদ্ধদেব বসু তাঁর মাকে হারান। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন এবং প্রথম বিভাগে পঞ্চম হন। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা ইনটারমিডিয়েট কলেজ থেকে তিনি আই.এ পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ইংরেজি সাহিত্যে বি.এ এবং এম.এ পাস করেন বুদ্ধদেব। দীর্ঘদিন তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। সাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু কবি গল্পকার,ঔপন্যাসিক নাট্যকার,সম্পাদকে খ্যাতি অর্জন করেন। 'প্রগতি' ও 'কল্লোল' পত্রিকার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ গুলি হল-বন্দীর বন্দনা,পৃথিবীর পথে,দ্রৌপদীর শাড়ি,বসন্তের উত্তর,হঠাৎ আলোর ঝলকানি, গোলাপ কেন কালো,বিদেশিনী,কঙ্কাবতী,যে আঁধার আলোর অধিক’ ইত্যাদি উপন্যাস,নাটক ও প্রবন্ধগ্রন্থ উল্লেখযোগ্য।তপস্বী ও তরঙ্গিনী নাটকের জন্য তিনি ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে ‘সাহিত্য অকাদেমি’ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে‘পদ্মভূষণ উপাধিতে সম্মানিত করেন। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে লখনউতে এই মহান সাহিত্যিকের মৃত্যু হয়।


খ)উৎস:

কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত 'হাওয়ার গান' কবিতাটি তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা' নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


গ)সারসংক্ষেপ:

হাওয়ার গান' কবিতায় কবি বুদ্ধদেব বসু কান পেতে ঘর-খুঁজে-ফেরা বাতাসের কান্না শুনেছেন। হাওয়াদের বাড়ি নেই, কোথাও দু-দণ্ড স্থির হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার অবকাশ নেই তাদের। তারা কেবল কেঁদে কেঁদে আশ্রয় খুঁজে ফেরে। হাওয়ারা যেন চিরকালের জন্যই গৃহহীন। তারা পৃথিবীর সব জলাভূমিতে,নদীর তীরে,পাহাড়-পর্বতে,বন্দরে-বন্দরে,নগরের ভিড়ে,বনে-বনান্তরে,শূন্য, প্রান্তরে-তেপান্তরে বাসা খোঁজার বৃথা চেষ্টা করেছে। পার্কের বেঞ্চে ঝরা পাতার শব্দে, জানালার কাচের কেঁপে ওঠার শব্দে, দেয়ালের পাঁজরে, চিমনির শব্দে, বনের কান্নায় তারা নিজেদের উপস্থিতির জানান দিয়ে গেছে। তারা সবাইকে প্রশ্ন করেছে যে, তাদের বাসা কোথায়। দোলনায় আশ্রয় পাওয়া ছোটো শিশুর নিরাপদ নিশ্চিন্ত ঘুমে, আবছা আলোয় কার্পেটে ঘুমন্ত কুকুরের বিশ্রামে ফুটে উঠেছে এক সুখী গৃহ কোণের ছবি। হাওয়ার চোখে সেই ছবি ধরা পড়েছে। সেই ঘরে মোমের মৃদু আলোয় রচিত হয়েছে স্বপ্নের পরিবেশ। কিন্তু হাওয়া সেখানেও তার স্বস্তির আশ্রয় খুঁজে পায়নি। অন্ধকার সমুদ্রে জাহাজ ভেসে চলে, মাস্কুলে জ্বলতে থাকা আলো তার উপস্থিতি বুঝিয়ে দেয়। জাহাজের যাত্রীরা কেউ চলচ্চিত্রের বিনোদনে মেতে ওঠে, কেউ নাচে, কেউ-বা গান গায়।  হাওয়া সেখানে ও তার বিশ্রামের জায়গা খুঁজে পায় না। সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে তারা আশ্রয় খুঁজে ফেরে। জাহাজের সব স্বর থেমে গেলেও উত্তাল সমুদ্রের গর্জনে তাদের আশ্রয় হীনতার আর্তনাদ প্রবলভাবে জেগে ওঠে। আকাশের বাঁকা চাঁদও মেঘের কোলে আশ্রয় খুঁজে পায়। শুধু বাতাসেরই কোনো বাড়ি নেই,দেশ নেই, আর তাদের এই আশ্রয় সন্ধানের ও শেষ নেই। হাওয়াদের আশ্রয়ের জন্য আকুল কান্না আর না পাওয়ার হাহাকার এই কবিতায় প্রকাশ লাভ করছে। বাসা খোঁজার এই মরিয়া চেষ্টার কারণেই চিরকাল বাতাস উত্তাল হয়ে রয়েছে। কোথায় গেলে তারা নিজেদের বাসা খুঁজে পাবে এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তাদের কাছে নেই। কবি সম্ভবত হাওয়াদের  ঘর খুঁজে না পাওয়ার বেদনার সঙ্গে সমাজের গৃহহীন অসহায় মানুষদের যন্ত্রণার মিল খুঁজে পেয়েছেন। তাই কবি যখন বলেন 'আমাদের বাড়ি নেই,দেশ নেই', তখন মনে হয় সারা বিশ্বের আশ্রয়হীন মানুষদের কান্নার সঙ্গে যেন হাওয়ার কান্না মিশে গেছে।


ঘ)নামকরণ:

নামকরণের মধ্য দিয়েই কবি পাঠকদের কবিতার বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিয়ে থাকেন। 'হাওয়ার গান' কবিতায় কবি তাঁর আকারহীন হাওয়ার আকুল কান্না শুনতে পেয়েছেন। হাওয়া পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বয়ে যায়। দিনরাত বয়ে চলা উদ্দাম বাতাস জলে,স্থলে,পর্বতে, অরণ্যে, প্রান্তরে ঘুরে বেড়ায় আশ্রয়ের খোঁজে। 'হাওয়ার গান' কবিতায় কবি বেশ কিছু উপমা ব্যবহার করেছেন। শিশু দোলনায়, কুকুর কার্পেটে, যাত্রীরা জাহাজে এবং চাঁদ আকাশের মেঘের অন্তরালে আশ্রয় পায়। কিন্তু বাতাস সর্বত্র উপস্থিত থাকলেও তার স্থায়ী কোনো বাসস্থান নেই। 'আমাদের বাড়ি নেই, দেশ নেই, শেষ নেই/কেঁদে কেঁদে মরি শুধু বাইরে'- হাওয়ার এই কান্নায় কবির কাছে গান হয়ে ধরা দিয়েছে।‘হাওয়ার গান' কবিতায় ছত্রে ছত্রে হাওয়ার এই আশ্রয়হীনতার বেদনায় প্রকাশিত হয়েছে। এই কারণে 'হাওয়ার গান' নামকরণটি সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।


ঙ) হাতেকলমে সমাধান:

১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও


১.১)বুদ্ধদেব বসু রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর:বুদ্ধদেব বসুর রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থ হল- 'বন্দীর বন্দনা, ও দ্রৌপদীর শাড়ি,।


১)তিনি কোন্ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন?

উত্তর:কবি বুদ্ধদেব বসু 'কবিতা' পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।


২)নীচের প্রশ্নগুলির একটি/দুটি বাক্যে উত্তর দাও।


২.১)দুর্বার ইচ্ছায় হাওয়া কী কী ছুঁয়ে গেছে?

উত্তর:কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত ‘হাওয়ার গান' কবিতায় হাওয়ার দুর্বার ইচ্ছাটি হল বাসস্থান খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছা।এই দুর্বার ইচ্ছায় তারা বারবার পৃথিবীর সব জলভাগ এবং তীর অর্থাৎ স্থলভাগ ছুঁয়ে গেছে।


২.২)তার কথা হাওয়া কোথায় শুধায়?

উত্তর: হাওয়া তার বাসস্থানের কথা পৃথিবীর সব জলভাগে,সব তীরে, পাহাড়ে, বন্দরে, নগরে, অরণ্যে, প্রান্তরে,পার্কের বেঞ্চে ঝরা পাতায়,শার্সিতে, দেয়ালে,চিমনির শব্দে,বনের কান্নায় জিজ্ঞাসা করেছে।


২.৩)মাস্তুলে দীপ জ্বলে কেন?

উত্তর:মাস্তুল' শব্দের অর্থ হল পাল তুলে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কাঠের স্তম্ভ, যা স্টিমার বা জাহাজে আটকানো থাকে। জলের মধ্যে অকুল অন্ধকারে জাহাজ চলার সময় তার উপস্থিতি বা অবস্থান বোঝানোর জন্যই মাস্তুলে দীপ জ্বলে।


২.৪)স্পার্কের বেঞ্চিতে আর শার্সিতে কাদের উপস্থিতির চিহ্ন রয়েছে?

উত্তর: পার্কের বেঞ্চিতে ঝরা পাতার মধ্যে কিংবা শার্সি অর্থাৎ কাচের জানালার কেঁপে ওঠার মধ্যে হাওয়ারই উপস্থিতির চিহ্ন রয়েছে।


২.৫)নিশ্বাস কেমন করে বয়ে গেছে?

উত্তর:হাওয়ার গান' কবিতায় হাওয়ার নিশ্বাস সারা দিন-রাত ধরে বুক-চাপা কান্নায় উত্তাল ও অস্থির ভাবে বয়ে গেছে।


৩)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর সংক্ষেপে লেখো।


৩.১)হাওয়ার চোখে ঘরের যে ছবি পাওয়া যায়, তা কবিতা অনুসরণে লেখো।

উত্তর:কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত 'হাওয়ার গান' কবিতায় হাওয়ার দৃষ্টিতে দেখা ঘরের যে ছবি পাওয়া যায়, সেখানে দেখা যায় দোলনায় একটি সুন্দর শিশু আরামে ঘুমিয়ে রয়েছে। ঘরের আবছা আলোয় দেখা যাচ্ছে, কার্পেটের উপরে শুয়ে রয়েছে একটি তন্দ্রাচ্ছন্ন কুকুর। আর সেই শান্ত, নিস্তব্ধ ঘরে স্বপ্নের মতো মায়াবী আলো ছড়িয়ে দিয়ে মৃদুভাবে একটি মোমবাতি জ্বলছে। এমন সুখী গৃহকোণের ছবিটি দেখেও হাওয়ার শান্তি বা স্থিরতা নেই। এর কারণ, নিজের ঘর-ই সে এখনও খুঁজে পায়নি, যেখানে দু-দণ্ড বিশ্রাম নিতে পারে।


৩.২)সমুদ্রে জাহাজের চলার বর্ণনা দাও।

উত্তর: কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত 'হাওয়ার গান' কবিতায় কূল- কিনারাহীন গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেওয়া জাহাজের কাছেও হাওয়া এই প্রশ্নই রেখেছে যে তার বাড়ি কোথায়। বিরাট, বিপুল জাহাজের যাত্রীরা নানান অবসরমূলক বিনোদনে মেতেছেন। কেউ চলচ্চিত্রে মশগুল, কেউ নাচে, কেউ-বা গানের সুরে মাতোয়ারা। অন্ধকার গভীর রাতেও মান্ডুলে আলো জ্বেলে অবিরাম পথ চলেছে জাহাজ।

 

৩.৩)পৃথিবীর কোন্ কোন্ অংশে হাওয়া ঘুরে বেড়ায় লেখো।

উত্তর: কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত 'হাওয়ার গান' কবিতায় সর্বত্রগামী হওয়া সত্ত্বেও হাওয়ার কোনো 'বাড়ি' বা আশ্রয় না থাকার বেদনা ফুটে উঠেছে। হাওয়া পৃথিবীর সমস্ত স্থলভূমি, জলভূমি, নদী-সমুদ্রতীর, পাহাড়-পর্বত, বন্দর, নগর, অরণ্য, প্রান্তর, তেপান্তর সর্বত্রই অবিরাম তার বাসস্থানের সন্ধান করে চলেছে। কিন্তু সে খুঁজে পায়নি তার কোনো বাসা।


৪)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর বিশদে লেখো।


৪.১)হাওয়াদের কি নেই? আওয়ারা কোথায় কিভাবে তার খোঁজ করে?

উত্তর: কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত ‘হাওয়ার গান' কবিতায় হাওয়াদের বাড়ি না থাকার প্রসঙ্গটিই বারবার উচ্চারিত হয়েছে।

* হাওয়াদের সন্ধান সারাদিন,সারারাত হাওয়া তার বাসা না পাওয়ার দুঃখ, যন্ত্রণা,অস্থিরতা নিয়ে পৃথিবীর জলে, স্থলে, কূলে, অরণ্যে,পাহাড়-পর্বতে, নগরে-বন্দরে প্রান্তরে তেপান্তরে সেই বাসাকেই খুঁজে বেড়ায়।


৪.২)'চিরকাল উত্তাল তাই রে'- কে 'চিরকাল উত্তাল'? কেন সে চিরকাল উত্তাল হয়ে রইল?


উত্তর:পরিচয় কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত 'হাওয়ার গান কবিতায় অস্থির হাওয়াকে চিরকাল উত্তাল' বলা হয়েছে।


*নিজের বাড়ি খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত, ব্যর্থ বাতাস যেন সারাদিন দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে। তার কোনো বাড়ি নেই- হাওয়াকে এই দুঃখ সারা দিন-রাত বয়ে বেড়াতে হয়। পৃথিবীর সব জল, স্থলকে বাসা বানানোর দুর্বার ইচ্ছায় স্পর্শ করে গেলেও সেই স্বপ্ন তার সফল হয়নি। তাই চিরকাল হাওয়াকে এমনই অস্থির এবং উত্তাল হয়ে থাকতে হয়।


৪.৩) কবিতাটির নাম ‘হাওয়ার গান' দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী যুক্তি কবির মনে এসেছিল বলে তোমার মনে হয়?

উত্তর:'হাওয়ার গান’ কবিতায় কবি বুদ্ধদেব বসুর আলোচ্য কবিতার নামকরণের পিছনে যে যুক্তিগুলি কাজ করেছিল বলে আমার মনে হয়, সেগুলি হল-

ক) হাওয়ার চিরন্তন আশ্রয়হীনতা। এই কারণেই হাওয়া কোথাও স্থির নয়। সে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ক্রমাগত যাতায়াত করে।

খ) আশ্রয়হীন মানুষ যেমন দুঃখী, হাওয়ার বয়ে যাওয়ার শব্দেও কবি সেই দুঃখের দীর্ঘশ্বাস শুনতে পেয়েছেন।

গ) শিশুর আশ্রয় দোলনায়, কুকুরের আশ্রয় কার্পেটে, যাত্রীর আশ্রয় জাহাজে, এমনকি চাঁদের আশ্রয় আকাশে— এদের দেখে কবির মনে হয়েছে হাওয়া যেন এ কারণেই নিজের নিরাশ্রয় হওয়ার যন্ত্রণা বেশি করে উপলব্ধি করেছে।

ঘ) হাওয়া বিশ্বের সর্বত্র ঘুরে বেড়ালেও তার কোনো নির্দিষ্ট স্থায়ী বাসস্থান নেই। কবির কল্পনায়, হাওয়ার বয়ে যাওয়ার শব্দ তার কান্নারই প্রতিধ্বনি।


চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)


১) হাওয়ার গান কবিতাটি গৃহীত হয়েছে কোভিদ যে কাব্যগ্রন্থ থেকে সেটি হল-

ক)ছাড়পত্র 

খ)অগ্নিবীণা 

গ)শ্রেষ্ঠ কবিতা 

ঘ) দময়ন্তী

উত্তর:(গ)শ্রেষ্ঠ কবিতা 


২) নিঃশ্বাস উত্তাল অস্থিরভাবে বয়ে যায়-

ক) অরণ্য প্রান্তরে

খ) হাওয়াদের

গ)সমুদ্র তরঙ্গের

ঘ) সমুদ্রের ঢেউ

উত্তর:(খ) হাওয়াদের


৩) ঘরে ঘরে জ্বলে যায়-

ক)স্বপ্নের মোম

খ) মৃদু মোম

গ) শুধু মোম

ঘ) স্বপ্নের মৃদু মোম

উত্তর:(ঘ) স্বপ্নের মৃদু মোম


৪) সমুদ্র ওঠে দুলে-

ক)পূর্ণ পড়ে ঝুলে 

খ) সোজা পড়ে ঝুলে 

গ) বাঁকা চাঁদ পড়ে ঝুলে

ঘ) সোজা পূর্ণ ঝুলে 

উত্তর:(গ) বাঁকা চাঁদ পড়ে ঝুলে


৫) বাঁকা চাঁদ-

ক)লেগে থাকে 

খ) ঝাঁপ মারে 

গ) ঝুলে পড়ে 

ঘ) উড়ে পড়ে 

উত্তর:(গ) ঝুলে পড়ে 


ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 


১)হাওয়াদের কী নেই?

উত্তর:বুদ্ধদেব বসু রচিত ‘হাওয়ার গান’ কবিতা অনুসারে হাওয়াদের বাড়িঘর নেই।


২)'তবু নেই,সে তো নেই, নেই রে।'-'নেই' শব্দটি এতবার ব্যবহার হয়েছে কেন?

উত্তর:হাওয়াদের ঘরবাড়ি না থাকার হাহাকার আর আকুল কান্না বোঝাতে ‘নেই” শব্দটি এতবার ব্যবহার হয়েছে।


৩)'তার কথা কেবলই শুধাই রে'-হাওয়া কার কথা শুধায়?

উত্তর:হাওয়া তার একটি নিবিড় আশ্রয়,একান্ত গৃহকোণের সন্ধান শুধিয়ে বেড়ায়।


৪)ঘরে ঘরে জ্বলে যায়'- কী জ্বলে যায়?

উত্তর:'হাওয়ার গান' কবিতা অনুসারে ঘরে ঘরে স্বপ্নের মৃদু মোম জ্বলে যায়।


৫)আঁধারে চলমান জাহাজের যাত্রীরা কী করছিল?

উত্তর:আঁধারে চলমান জাহাজের যাত্রীরা কেউ সিনেমা দেখছিল, কেউ নাচ করছিল,কেউ-বা গান গাইছিল।


৬)'মাস্তুলে জ্বলে দীপ'- মাস্তুলে দীপ জ্বলে কেন?

উত্তর:অন্ধকার সমুদ্রে যাতে জাহাজের অবস্থান বোঝা যায় তাই মাস্তুলে দীপ জ্বলে।


আরো পড়ুন:

 বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here

বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here 

দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here 

স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

শিকল-পরার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

হওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 


the wind cap lesson 1 part 1 Click Here 

the wind cap lesson 1 part 2 Click Here

the wind cap lesson 1 part 3 Click Here


Clouds Lesson 2 part 1 Click Hereq

Clouds Lesson 2 part 2 click Here 


একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here

কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here 

গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here 

ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here


টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here

লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here 


Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here 

Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here 

Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here 


চা পানের উপকারিতা click Here 

ভেষজ উদ্ভিদ click here 

সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 

আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 


সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here 
ব্যঞ্জনধ্বনি প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর part-1 Click here 
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here 

শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায় উপসর্গ ও অনুসর্গ প্রশ্ন উত্তর Click here 

শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায় ধাতু ও প্রত্যয় প্রশ্ন উত্তর Click here 


মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here 

চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here 
অগ্ন্যাশয় এর প্রশ্ন উত্তর Click here 


মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

পদ কয় প্রকার ও কি কি Click here 
পদের দ্বিতীয় ভাগ- বিশেষণপদ Click here 



পদের পঞ্চম ভাগ ক্রিয়াপদ Click here 































Post a Comment

0 Comments