সূচিপত্র:
ক)কবি পরিচিতি
খ) উৎস
গ) বিষয়সংক্ষেপ
ঘ) নামকরন
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক) কবি পরিচিতি:
'বিদ্রোহী কবি' কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে বর্ধমান জেলার অন্তর্গত চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম কাজী ফকির আহমদ এবং মাতার নাম জাহেদা খাতুন। নজরুল ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে রানিগঞ্জের শিয়ারশোল স্কুলে ভরতি হন। এই স্কুলের শিক্ষক তথা যুগান্তর দলের সদস্য নিবারণচন্দ্র ঘটক তাঁর মধ্যে বিপ্লবী চিন্তাধারার সঞ্চার করেন। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায় তাঁর 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রকাশিত হলে কবি হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর বিদ্রোহ শুধু বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে ছিল না, তিনি সমাজের যাবতীয় অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। তিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সাম্যের গান গেয়েছেন, নারীমুক্তির বন্দনা রচনা করেছেন,মানুষকে শুনিয়েছেন জীবনের জয়গান। নজরুলের অগ্নিবীণা,বিষের বাঁশি,প্রলয়শিখা, ফণীমনসা,ভাঙার গান,সর্বহারা' প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থে এবং ‘যুগবাণী' ও 'ধূমকেতু' প্রবন্ধগ্রন্থে তাঁর বিদ্রোহী ও বিপ্লবী সত্তার প্রকাশ ঘটেছে। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট ঢাকায় এই মহান কবির জীবনাবসান হয়।
খ)উৎস:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত‘শিকল-পরার গান' কবিতাটি 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
গ)সারসংক্ষেপ:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘শিকল- পরার গান’কবিতায় পরাধীনতার বন্ধনমোচনে ভারতীয়দের দৃঢ় মনোভাব ফুটে উঠেছে। ব্রিটিশ রাজশক্তির অত্যাচার এবং নিপীড়ন ও মানুষের স্বাধীনতার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে দমন করতে পারেনি। ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদী আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে ইংরেজরা দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের কারাগারের অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে। তবু এই
বিদ্রোহকে দমন করা যায়নি।মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিটিশ রাজশক্তিকে বিদ্রুপ করেছেন এবং নিজেরা শিকল পরেই তাঁরা দেশমাতার পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচন করতে চেয়েছেন। কখনেই তাদের বন্দি হওয়ার ভয় কেটেছে। মাভৈঃ মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে উঠেছেন। তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই স্বাধীনতা সংগ্রামী বীরদের জীবনাদর্শে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং এভাবেই কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আসবে। কবি আলোচ্য কবিতায় এই আশাই প্রকাশ করেছেন।
ঘ)নামকরণ:
সাহিত্যের যে-কোনো শাখার ক্ষেত্রেই নামকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাহিত্যিক রচনার নামকরণের মাধ্যমেই তাঁর ভাবনাকে পাঠকের সামনে তুলে ধরেন। বিষয়বস্তুর সাথে পাঠকের প্রাথমিক পরিচয় হয় নামকরণের মধ্য দিয়ে। আমাদের পাঠ্য কবিতাটির নামকরণ কতদূর যথাযথ তা আলোচনা করা যেতে পারে। “শিকল-পরার গান' কবিতাটি পরাধীন ভারতবর্ষের পটভূমিকায় লেখা। এই কবিতায় কবি ইংরেজ শাসনের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিকদের বীরত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে তুলে ধরেছেন। কবির বিশ্বাস, এঁরা শিকল পরেই ইংরেজ শাসকের শাসনতন্ত্র ভেঙে চুরমার করে দেবেন। ভয় দেখিয়ে আর ভারতবাসীর স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা যাবে না। কবির কাছে শিকলের ঝনঝন শব্দ দেশবাসীর কান্না নয়, তা হল দেশের মুক্তির পূর্বাভাস। তাই এই কবিতায় 'শিকল' শব্দটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এভাবেই দেশপ্রেমিকরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার মধ্য দিয়ে ছিনিয়ে আনবেন স্বাধীনতা। কবি তাই এই গানের মধ্য দিয়ে তাঁদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। সেই দিক থেকে দেখলে কবিতাটির নাম ‘শিকল-পরার গান' উপযুক্ত এবং সার্থক হয়েছে।
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।
১.১)কবি কাজী নজরুল ইসলাম কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর :কাজী নজরুল ইসলাম পশ্চিম বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১.২)তিনি কী কী ধরনের গানের রচয়িতা?
উত্তর:কাজী নজরুল ইসলাম রাগপ্রধান,ভক্তিগীতি, গজল, লোকগীতি, দেশাত্মবোধক, হাস্যকৌতুক প্রভৃতি নানা ধরনের গানের রচয়িতা।
২)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর একটি বাক্যে লেখো।
২.১) ‘শিকল-পরা ছল' বলতে কবি প্রকৃত পক্ষে কী বোঝাতে চেয়েছেন ?
উত্তর: কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘শিকল-পরা ছল' বলতে প্রকৃতপক্ষে পরাধীন ভারতবর্ষে মুক্তিকামী মানুষের কারাবরণকে বোঝাতে চেয়েছেন,শিকল পরার অভিনয়ের মধ্য দিয়েই তারা মাতৃভূমির শৃঙ্খল-মোচন করতে চায়।
২.২)' ক্ষয় করতে আসা মোদের সবার বাঁধন-ভয় '- বাঁধন-ভয় ক্ষয়করতে কারা, কোথায় এসেছেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের শিকল-পরার গান' কবিতায় পরাধীন ভারতবাসীরা কারাবরণ করার মাধ্যমেই বন্দি হওয়ার ভয় অর্থাৎ 'বাঁধন-ভয়' ক্ষয় করতে এসেছেন।
২.৩) মুক্তি-পথের অগ্রদূতের চরণ-বন্দনা কীভাবে রচিতহয় ?
উত্তর :স্বাধীনতার লড়াইয়ে অংশ গ্রহণকারী মানুষের শিকলের শব্দে মুক্তি পথের অগ্রদূতের চরণ-বন্দনা রচিত হয় ।
২.৪)' মোদের অস্থি দিয়েই জ্বলবে দেশে আবার বজ্রানল।'-পঙক্তিটিতে আবার শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কেন?
উত্তর:পুরাণ থেকে জানা যায়, দধীচি মুনির অস্থি দিয়ে তৈরি হয়েছিল বজ্র, যা দিয়ে বৃত্রাসুরকে বধ করা সম্ভব হয়েছিল, একইভাবে দেশবাসীর আত্ম বলিদানের মধ্য দিয়েই বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা আসবে বলে মনে করেন কবি, ‘আবার’ শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে কবির সেই বক্তব্যটিই ফুটে উঠেছে।
৩)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।
৩.১) স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তির বাসনা কীভাবে ‘শিকল-পরার গান' কবিতায় ধরা পড়েছে তা আলোচনা করো।
উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ‘শিকল-পরার গান' কবিতাটি 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে স্বাধীনতাকামী মানুষের মুক্তির বাসনা জেগে উঠেছে। সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ রাজশক্তির বিরোধিতা করে কারাগারে বন্দি কবি এই গান গেয়েই সহ-বন্দিদের উৎসাহ দিয়েছিলেন। কবি অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে কোনোরকম আপস না করে দেশকে মুক্ত করার ব্রত নিয়েছিলেন। নজরুল শাসক শক্তির বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ ও পরিহাস করেছেন। ব্রিটিশ শাসকরা ভারতীয়দের শৃঙ্খলিত করার মাধ্যমে তাদের আন্দোলনকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। কবি নজরুল ইসলাম এই প্রচেষ্টাকে বিদ্রুপ করে ঘোষণা করেন যে, এই কারাবরণ প্রকৃতপক্ষে ‘শিকল-পরা ছল'। শৃঙ্খলের মধ্য দিয়ে তাঁরা প্রকৃতপক্ষে ইংরেজের শাসনযন্ত্রকেই অকেজো করে দেবেন। প্রতিবাদের কণ্ঠরোধের জন্য ইংরেজদের এই হীন প্রচেষ্টাকে এভাবেই কবি হাস্যকর ও অর্থহীন প্রমাণ করেছেন। কবি নিশ্চিত, মাভৈঃ মন্ত্রে দীক্ষিত, দেশের মঙ্গলের লক্ষ্যে দৃঢ়সংকল্প বীর বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা আসবে। দধীচি মুনির হাড় দিয়ে দেবরাজ ইন্দ্র বজ্র নির্মাণ করে বৃত্রাসুরকে বধ করেছিলেন। একইভাবে অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই আগামী দিনের ভারতবর্ষ ব্রিটিশ শাসনমুক্ত ও স্বাধীন হয়ে উঠবে—এই তীব্র আশাবাদই এই কবিতায় ধ্বনিত হয়েছে।
৩.২) “বাঁধন-ভয়কে করবো মোরা জয়” – কেন এই বাঁধন ? কারা, কীভাবে এই বাঁধন-ভয়’কে জয় করবে?
উত্তর:বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম রচিত ‘শিকল-পরার গান' কবিতায় 'বাঁধন' হল পরাধীনতার বন্ধন। সাম্রাজ্যলোভী ব্রিটিশ শক্তির অত্যাচারে সমগ্র ভারতবর্ষ তথা ভারতের সমস্ত মানুষ পরাধীনতার বাঁধনে বন্দি হয়ে পড়েছিল।
*এই ‘বাঁধন-ভয়’-কে জয় করার জন্য এগিয়ে এসেছে স্বাধীনতাকামী মানুষ। কবির বিশ্বাস তাঁরা শিকলের বাঁধন বরণ করে নেওয়ার মধ্য দিয়েই শিকল ভাঙার কাজটিকে সহজ করে তুলবেন। সাধারণ মানুষের মন থেকে তাঁরা বন্ধন-ভয়কে দূর করতে চান। ভয় দেখিয়ে ইংরেজশক্তি ভারতবাসীকে পরাধীন করে রেখেছে।নিজেদের জীবন দেশের স্বার্থে উৎসর্গ করে এরা নিত্য 'মুক্তি-পথের অগ্রদূতের' উপাসনা করছে। অত্যাচারিত মানুষের মধ্যে নিভে যাওয়া শক্তিকে জাগ্রত করেই দেশের মানুষ ব্রিটিশদের বাঁধন-ভয়কে জয় করতে পারবে।
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১)কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থে ‘শিকল পরার গান' কবিতাটি রয়েছে?-
ক) ফণীমনসা
খ) প্রলয়শিখা
গ)অগ্নিবীণা
ঘ)বিষের বাঁশি
উত্তর:(ঘ)বিষের বাঁশি
২)বন্ধনী' শব্দের অর্থ হল-
ক) বাঁধা
খ) মাঠ
গ) ফন্দি
ঘ) ঘেরাটোপ
উত্তর:(ঘ) ঘেরাটোপ
৩)“বাঁধন-ভয়কে করবো মোরা জয়”কারা এই ভয়কে জয় করবে?-
ক)ইংরেজরা
খ)স্বাধীনতাকামী মানুষেরা
গ) ছোটো ছেলেমেয়ের দল
ঘ) বৃদ্ধ মানুষেরা
উত্তর:(খ)স্বাধীনতাকামী মানুষেরা
৪)'তোমরা----- দেখিয়ে করছে শাসন,------দেখিয়ে নয়।'-
ক) জয়,ভয়
খ)ভয়,লয়
গ) ভয়, জয়
ঘ) লয়, ভয়
উত্তর:(গ) ভয়, জয়
৫)' এ যে মুক্তি পথের অগ্রদূতের------'-
ক) দেবী- বন্দনা
খ) চরণ-বন্দনা
গ) জয়
ঘ) শক্তি হ্রাস
উত্তর:(খ) চরণ-বন্দনা
ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
১)‘শিকল-পরার গান' কবিতাটির মূল কাব্যগ্রন্থটির নাম লেখো।
উত্তর:‘শিকল-পরার গান’ কবিতাটির মূল কাব্যগ্রন্থ হল কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'বিষের বাঁশি'।
২)'শিকল-পরা ছল' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর:কাজী নজরুল ইসলাম মনে করেন ব্রিটিশের দেওয়া শিকল পরে তা বিকল করার উদ্দেশ্যেই ভারতবাসী শিকল পরার কৌশল গ্রহণ করেছে।
৩)'শিকল তোদের করব রে বিকল।'- তোদের' বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর:আলোচ্য পঙ্ক্তিতে ‘তোদের' বলতে ইংরেজ শাসকের কথা বলা হয়েছে।
৪)শিকলকে কীভাবে বিকল করা হবে বলে কবি মনে করেন?
উত্তর: অত্যাচারী ব্রিটিশ শাসকের শিকলে বন্দি হওয়ার মাধ্যমেই ওই শিকলকে বিকল করা সম্ভব বলে কবি কাজী নজরুল ইসলাম মনে করেন।
৫)কারাগারে বন্দি হওয়ার আসল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কারাগারে বন্দি হওয়ার আসল উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষের মন থেকে কারাগার অর্থাৎ জেলখানা সম্পর্কে ভয় দূর করা।
৬)‘প্রলয়শিখা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর:‘প্রলয়শিখা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা 'বিদ্রোহী' কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
৭)'ত্রাস দেখিয়েই করবে ভাবছ'- কী করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর:ইংরেজ শাসকেরা ভয় দেখিয়ে বিধির শক্তি হ্রাস করবে ভাবছে, সেই কথাই বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন:
বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here
দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here
স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
শিকল-পরার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
হওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
the wind cap lesson 1 part 1 Click Here
the wind cap lesson 1 part 2 Click Here
the wind cap lesson 1 part 3 Click Here
Clouds Lesson 2 part 1 Click Hereq
Clouds Lesson 2 part 2 click Here
একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here
কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here
ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here
টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here
লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here
Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here
Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here
Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here
চা পানের উপকারিতা click Here
ভেষজ উদ্ভিদ click here
সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here
আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here
সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here
বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
0 Comments