চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর অষ্টম শ্রেণি।চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর class 8।


চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর অষ্টম শ্রেণি।চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর class 8।



সূচিপত্র:

ক) কবি পরিচিতি 

খ) উৎস

গ) বিষয় সংক্ষেপ 

ঘ) নামকরণ

ঙ) হাতে-কলমে সমাধান

চ)সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) 

ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(SAQ)



ক) কবি পরিচিতি:

জন্ম:

নাট্যকার এবং কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দের যশোহরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা রাজনারায়ণ দত্ত মাতা- জাহ্নবী দেবী।


শিক্ষা:

মায়ের কাছে মধুসূদনের শৈশবশিক্ষা শুরু হয়।পরে পিতার সঙ্গে সাত বছর বয়সে কলকাতায় আসেন এবং প্রথমে দু-বছর খিদিরপুর স্কুলে পড়ার পর হিন্দু কলেজের জুনিয়ার ডিপার্টমেন্টের সর্বনিম্ন শ্রেণিতে ভরতি হন। এখানে ভূদেব মুখোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, রাজনারায়ণ বসু, গৌরদাস বসাক প্রমুখ সহপাঠীদের সঙ্গে পাঠগ্রহণ করেন।১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দের ৯ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হলে পিতা তাঁকে ত্যাগ করেন। খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার পর থেকে তিনি নিজেকে পরিচয় দেন ‘মাইকেল মধুসূদন দত্ত' নামে।

সাহিত্যকৃতি:

 ইংরেজি সাহিত্যে জন্যে তিনি বিলেত যান এবং গ্রিক,ল্যাটিন,সংস্কৃত,ইংরেজি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল- শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী,একেই কি বলে সভ্যতা,বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, ইত্যাদি নাটক-প্রহসন এবং

তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য,মেঘনাদবধ কাব্য,ব্রজাঙ্গনা কাব্য,বীরাঙ্গনা কাব্য,ও চতুর্দশপদী কবিতাবলী, রচনা করেন। বাংলায় রচিত তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা ১২টি এবং ইংরেজি গ্রন্থের সংখ্যা ৫টি। তিনি 'পদ্মাবতী' নাটকে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন এবং বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তন করেন।

মৃত্যু:

মহাকবি মধুসূদন ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জুন পরলোক গমন করেন।



খ) উৎস:

পাঠ্য ‘চিঠি গুলি মাইকেল মধুসুদন দত্ত ইংরেজিতে লিখেছিলেন।চিঠিগুলি তরজমা করেছেন সুশীল রায়। চিঠিগুলি মাইকেল মধুসূদনের ‘পত্রাবলী' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


 গ) বিষয়সংক্ষেপ:

 'চিঠি' গদ্যাংশে মধুসূদন দত্তের রচিত 'তিনটি চিঠি' সংকলিত হয়েছে।

*প্রথম চিঠিটি, মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।দ্বিতীয়টি তাঁর প্রিয় বন্ধু গৌরদাস বসাককে তৃতীয় চিঠিটি লিখেছেন বন্ধুবর রাজনারায়ণ বসুকে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্দেশে মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা চিঠিতে তিনটি বিষয় চোখে পড়ে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যে বিপদের দিনে মধুসূদনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সে-কথা এই চিঠিতে মাইকেল  স্মরণ করেছেন। একইসাথে মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে অনুরোধ জানিয়েছেন যে, তিনি বিদেশে থাকাকালীন বিদ্যাসাগর মহাশয় যেন আগের মতোই তাঁর পরিবারের পাশে থাকেন। এ ছাড়া ইউরোপের শীত যে কী তীব্র, সে-কথাও তিনি চিঠিতে  লিখেছেন। চিঠির শেষ অংশে মধুসূদন লিখেছেন যে, তিনি ফ্রান্সে অলসভাবে সময় কাটাচ্ছেন না। বরং বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শেখার জন্য অত্যন্ত পরিশ্রম করছেন। তিনি ফরাসি ও ইতালীয় ভাষা প্রায় রপ্ত করে ফেলেছেন এবং জার্মান ভাষার চর্চা করছেন।


*দ্বিতীয় চিঠিটি লেখকের ছেলেবেলার বন্ধু গৌরদাস বসাককে লেখা।এই চিঠিতে রয়েছে ‘সীলোন' নামক জাহাজে চড়ে লেখকের ভূমধ্যসাগর যাত্রার বর্ণনা।  এই জাহাজটিকে তাঁর মনে হয়েছিল যেন রূপকথার রাজ্যের এক ভাসমান প্রাসাদ।এই জাহাজে ভূমধ্যসাগর পার হয়ে ইংল্যান্ডে কীভাবে পৌঁছোবেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তিনি দিয়েছেন। মধুসূদন জানিয়েছিলেন,সেই ভ্রমণে কিছুটা বিষাদও ছিল। কিন্তু বিষাদের বিষয়টি সেই চিঠিতে প্রকাশ না করে তিনি বন্ধুকে ধৈর্য ধরতে বলেছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছিলেন যে,জাহাজে যদি জনা ছয়েক নিজের দেশের লোককে পেতেন, তবে তাদের নিয়ে জাহাজেই একটি গোষ্ঠী গড়ে তুলতে পারতেন। চিঠিটির শেষদিকে আছে ‘সীলোন' জাহাজে করে কবির স্পেনের উপকূল ছাড়িয়ে জিব্রাল্টারের দিকে যাওয়ার কথা। এই যাত্রার সময় শান্ত জিব্রাল্টার সমুদ্র দেখে তাঁর নিজের দেশের হুগলি নদীর কথা মনে পড়েছে। জিব্রাল্টারের আবহাওয়া খুব গরমও নয় আবার খুব ঠান্ডাও নয়।ছেলেবেলা থেকেই ইংল্যান্ড সম্বন্ধে মধুসুদনের অসীম কৌতূহল ছিল। তাই সেই দেশের কাছাকাছি এসে তিনি যে কতটা রোমাঞ্চ অনুভব করছেন,সে কথাও এই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন।

* বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে লেখা মধুসুদনের তৃতীয় চিঠিতে সাহিত্য নিয়েই আলোচনা রয়েছে। মধুসুদনের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘মেঘনাদবধ কাব্য'র ষষ্ঠ সর্গ রচনার প্রসঙ্গ আছে এই চিঠিতে। কাব্যগ্রন্থের জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে কবিকে যে কালিদাস, ভার্জিল,

মিলটনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে,তা নিয়েও কবি তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন। চিঠিটি মধুসূদন শেষ করেছেন নিজেকে রাজনারায়ণের সর্বশ্রেষ্ঠ অনুরাগী' বলে।



 ঘ)নামকরণ:

 যে কোনো সাহিত্যের ক্ষেত্রেই নামকরণ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নামকরণের মধ্য দিয়েই সাহিত্যিক তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে পাঠকদের আগাম ধারণা দিয়ে থাকেন।

আলোচ্য 'চিঠি' পাঠ্যাংশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, গৌরদাস বসাক ও রাজনারায়ণ বসুকে লেখা মাইকেল মধুসুদন দত্তের মোট তিনটি চিঠি গৃহীত হয়েছে। এই চিঠিগুলি পড়লে বোঝা যায় যে, লেখকের সঙ্গে এই তিনজনের আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। শুধু তাই নয়, এই তিনটি চিঠিতে মধুসূদনের জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কালকে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর সাহিত্যকীর্তি তথা জীবনকে বুঝতে এই চিঠিগুলি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কবি মধুসূদন দত্তের এই চিঠিগুলিতে তাঁর সাহিত্যপ্রীতি ও বন্ধুপ্রীতির পরিচয় পাওয়া যায়। তবে মধুসুদন নিজে এই পাঠ্যাংশটির নামকরণ করেননি। এটির নামকরণ করেছেন ‘সাহিত্যমেলা ’র সংকলকগণ।তাই চিঠি নামকরণটি যথার্থ ও সার্থক হয়েছে।


ঙ) হাতে-কলমে সমাধান:

১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

১.১) মধুসুদন দত্ত কোন কলেজের ছাত্র ছিলেন? উত্তর:মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজের ছাত্র ছিলেন।


১.২)'পদ্মাবতী' নাটকে তিনি কোন ছন্দ ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: মধুসূদন দত্ত তাঁর ‘পদ্মাবতী' নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছেন।


২)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:


২.১) মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর বন্ধু গৌরদাস বসাককে কোথা থেকে পাঠ্য চিঠিটি লিখেছিলেন ? তাঁর যাত্রাপথের বিবরণ? পত্রটিতে কীভাবে ধরা পড়েছে আলোচনা করো।


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশে লন্ডন যাত্রাকালে সাগরপথে ‘সীলোন' নামক জাহাজ  থেকে মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর 'প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু’ লিখেছেন গৌরদাস বসাককে এই পাঠ্য চিঠিটি লিখেছিলেন। এই চিঠিতে মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন যে তিনি ‘সীলোন’ নামক একটি রাজকীয় জাঁকজমকপূর্ণ জাহাজে চড়ে সেই সময় ভূমধ্যসাগরের মধ্য দিয়ে ভেসে চলেছেন লন্ডন যাত্রায়। 


 *যাত্রাপথের বিবরণ:

সেলুনগুলিকে দেখে তাঁর মনে হয়েছে, তা রাজপ্রাসাদেই মানায়,আর জাহাজের কেবিনগুলি কেবল রাজকুমারদেরই বাসযোগ্য। জাহাজ থেকে তিনি উত্তর আফ্রিকার পর্বত্য উপকূল দেখতে পাচ্ছেন।জাহাজ মলটা,আলেকজান্দ্রিয়া ছাড়িয়ে প্রবল বেগে ভেসে চলেছে।


*চিঠির পরবর্তী অংশটিরবিবারে লেখা হয়েছে,তখন কবি স্পেনের উপকূল পার হয়ে গিয়েছেন। কবি মনে করছেন পরদিন তিনি জিব্রালটারে পৌঁছোবেন এবং  চিঠিটা তাকে দিতে পারবেন।ওই অঞ্চলেরআবহাওয়া নাতিশীতোয় বলে কবি উল্লেখ করেছেন।


২.২) মধুসূদনের জীবনের উচ্চাশার স্বপ্নকীভাবে পত্রটি তে প্রতিভাসিত হয়েউঠেছে?


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশ সীলোজ জাহাজে চেপে ইংল্যান্ডে যাওয়ার সময় মাইকেল মধুসূদন দত্ত বন্ধু গৌরদাস বসাককে যে চিঠিটি লিখেছিলেন তাতে লেখকের উচ্চাশা এবং স্বপ্নের আভাস পাওয়া যায়। 


*আলোচ্য অংশে,মধুসুদন আইন শিক্ষার জন্য ইংল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন।সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ করে একটি সম্মানজনক জীবিকা অর্জনে তিনি বদ্ধপরিকর ছিলেন। এ কথা তাঁর চিঠিতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পড়াশোনায় মন দিতে গিয়ে তিনি হয়তো বন্ধুদের বেশি সময় দিতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন।বন্ধুকে তিনি আরও বলেন যে, ছোটোবেলা থেকে ইংল্যান্ড সম্পর্কে কতই না স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। ইংরেজি ভাষা, সাহিত্য এবং ইংরেজদের প্রতি মধুসূদনের গভীর আকর্ষণ ছিল। ইংল্যান্ড ছিল তাঁর স্বপ্নের দেশ। এই চিঠি থেকে জানা যায় তিনি তাঁর স্বপ্নের দেশের খুব কাছাকাছি এসে পড়েছেন।


 ২.৩) বিদেশে পাড়ি জমানোর সময়েও তাঁর নিজের দেশের কথা কীভাবে পত্র লেখকের মনে এসেছে?

উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইংল্যান্ডের পথে ভেসে চলার সময় লেখকের বারবার মনে পড়েছে স্বদেশের কথা। তিনি ‘সীলোন’ জাহাজ থেকে যে চিঠিটি বন্ধু গৌরদাস বসাককে লিখেছিলেন, সেই লেখার মধ্যে তাঁর এই মনোভাব ফুটে উঠেছে।

*লেখকের মনে হয়েছে,সেই জাহাজে যদি আধ-ডজন নিজের দেশের লোক থাকত,তাহলে তাদের নিয়েই তিনি একটা গোষ্ঠী তৈরি করে ফেলতেন। লেখক তাঁর বাল্যবন্ধু গৌরদাস বসাকের কাছে জানতে চেয়েছেন যে, তিনি এখন কীভাবে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। বন্ধু হরির কথা জিজ্ঞাসা করার মধ্য দিয়ে বন্ধুদের জন্য তাঁর উৎকণ্ঠা প্রকাশ পেয়েছে।মধুসূদন ভূমধ্যসাগরের প্রাকৃতিক অবস্থা ও আবহাওয়ার সঙ্গে বারবার নিজের দেশের তুলনা করেছেন। সমুদ্রের শান্ত অবস্থা দেখে তাঁর মনে পড়েছে নিজের দেশের হুগলি নদীর কথা।


২.৪)'এ কথা যেন আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।'- কোন কথা?সে কথাকে বক্তার অবিশ্বাস্য বলে মনে হচ্ছে কেন?


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশ ‘সীলোন' জাহাজে চড়ে ইংল্যান্ডে যাওয়ার সময় লেখক তাঁর বাল্যবন্ধু গৌরদাস বসাককে একটি চিঠিতে তাঁর কথা জানিয়েছেন। এই যাত্রার মধ্য দিয়ে মধুসূদন যে প্রতিটি মুহূর্তেই তাঁর স্বপ্নের দেশ ইংল্যান্ডের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে চলেছেন তা যেন তাঁর বিশ্বাস হচ্ছে না।

*মানুষের কোনো স্বপ্ন যখন সত্যি হয়, তখন প্রথমে তা অবিশ্বাস্য বলেই মনে হয়। ছেলেবেলা থেকেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্বপ্ন ছিল তাঁর প্রিয় কবি মিলটনের দেশে যাওয়ার। ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে ‘সীলোন' জাহাজে চড়ে তিনি যখন ইংল্যান্ডের দিকে এগিয়ে চলছিলেন, তখনও তিনি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে তাঁর এতদিনের স্বপ্ন সফল হতে চলেছে। 


২.৫) প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে হৃদয়তার ছবি পত্রটিতে কীভাবে ফুটে উঠেছে তা প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি-সহ আলোচনা করো।


উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশে গৌরদাস বসাক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে অন্যতম।

*পাঠ্য চিঠিতে কবি তাঁর বন্ধুকে ‘হে আমার প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু' বলে সম্বোধন করেছেন।এই সম্বোধন থেকেই তাঁদের সুগভীর বন্ধুত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। গৌরদাসকে ‘বৎস’ বলে সম্বোধন করার মধ্য দিয়ে দুজনের সহজ বন্ধুত্বের ছবি এখানে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মধুসূদন এই চিঠিতে তাঁদের আরেক পুরোনো বন্ধু হরির খবরও নিয়েছেন-'আমাদের হরি এখন কোথায় তা তোমার কি জানা আছে? ইংল্যান্ডে পৌঁছে নিজের ঠিকানা জানাবেন বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।‘সীলোন' জাহাজ থেকে লেখা আলোচ্য চিঠিতে যাত্রাপথের হুবহু বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা থেকেই বোঝা যায় গৌরদাস বসাক বন্ধু হিসেবে তাঁর হৃদয়ের কত কাছের ছিলেন-'এই জাহাজে সব ব্যাপারেই এমন অপূর্ব জাঁকজমকের ব্যবস্থা আছে যা নাকি তুমি কল্পনাই করতে পারবে না।'

সমগ্র চিঠি জুড়ে বারবার গৌরদাসকে 'হে আমার প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু,ধৈর্য ধরো বন্ধু, হে বন্ধু' ইত্যাদি সম্বোধন মধুসুদনের আন্তরিকতাকেই তুলে ধরে। চিঠি শেষ করার আগে তিনি নিজেকে গৌরদাস বসাকের অকৃত্রিম ও আন্তরিক ও চির স্নেহমুগ্ধ' বলে উল্লেখ করেছেন।


২.৬) রাজনারায়ণ বসুকে লেখা পত্রে লেখক তাঁর এই প্রিয় বন্ধুটির কাছে কোন আবেদনজানিয়েছেন ?


উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশে রাজনারায়ণ বসুকে লেখা মাইকেল মধুসূদন দত্তের চিঠিটি পড়লে দেখা যায় যে,কবি সে সময়ে সদ্য 'মেঘনাদবধ কাব্য’র ষষ্ঠ সর্গটি লেখা সম্পূর্ণ করেছেন। এই চিঠিটিতে মধুসূদন ‘মেঘনাদবধ কাব্য' সম্বন্ধে রাজনারায়ণ বসুর অভিমত জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মধুসূদন মনে করতেন যে, হাজার হাজার মানুষের প্রশংসার চেয়েও বন্ধু রাজনারায়ণ বসুর মতামত তাঁর কাছে অনেক বেশি মূল্যবান ও নির্ভরযোগ্য। সেই কারণেই কবি রাজনারায়ণ বসুকে ‘মেঘনাদবধ কাব্য' সম্বন্ধে তাঁর নিরপেক্ষ মতামত লিখে জানাতে আবেদন করেছেন।


২.৭)'এই কাব্য অদ্ভুতরকম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।'- কোন কাব্যের কথা বলা হয়েছে?  সে কাব্যের জনপ্রিয়তার কথা বলতে গিয়ে লেখক কোন কোন প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন ?


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশ রাজনারায়ণ বসুকে লেখা মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই চিঠিতে ‘মেঘনাদবধ কাব্য'-এর কথা বলা হয়েছে।

*মেঘনাদবধ কাব্য' প্রকাশিত হওয়ার পর সেই কাব্যগ্রন্থ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মধুসূদন দত্ত তাঁর বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে আলোচ্য চিঠিতে সে কথা লিখে জানিয়েছেন।


*ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি মিলটনের সঙ্গে মধুসুদনের তুলনা করেছিলেন। তাঁর ‘মেঘনাদবধ কাব্য'-কে মিলটনের রচনার থেকে উৎকৃষ্টতর বলেও কেউ কেউ মত দিয়েছিলেন।আবার অনেকে বলেছিলেন যে,এটি কালিদাসের রচনার কাছাকাছি। আবার কোনো কোনো সমালোচকের মতে

মেঘনাদবধ কাব্য' রচনার ভার্জিল রচনার সমতুল্য।

মধুসূদন নিজে মনে করতেন যে, তাঁর রচনা কিছুতেই মিলটনের সঙ্গে তুলনীয় হতে পারে না, কারণ ‘মিলটন স্বর্গীয়’। শুধু সমালোচকদের মধ্যেই নয়, বাংলার হিন্দু নারীদের কাছেও গ্রন্থটি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, তাঁরা বইটি পড়ে কেঁদেছেন বলেও শোনা যায়।


২.৮) প্রিয় বন্ধুর প্রতি সর্বোপরি সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগের যে পরিচয় রাজনারায়ণ বসুকে লেখা পত্রটি তে পাওয়া যায় তা বিশ্লেষণ করো ।


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশ তিনি বিদেশ থেকে তাঁর অত্যন্ত কাছের বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে চিঠি লিখেছিলেন।সেই চিঠিতে  তাঁর বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ প্রকাশিত হয়েছে।

*চিঠির শুরুতেই তিনি বন্ধু রাজনারায়ণের কাছে অনুরোধ করেছেন,'মেঘনাদবধ কাব্য' সম্পর্কে তাঁর মতামত জানানোর জন্য। রাজনারায়ণের মত যে তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাও পত্রের শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেছেন-'এরকম হাজার হাজার মানুষের জয়ধ্বনির চেয়ে তোমার অভিমত অনেক নির্ভরযোগ্য।'বন্ধুর কঠোর সমালোচনাও মধুসুদনের কাছে অন্যান্যদের প্রশংসার চেয়ে অনেক মূল্যবান। 


*মাইকেল মধুসূদন দত্ত নিজের সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রধান চরিত্র মেঘনাদের হত্যাকাণ্ড রচনার সময়ে তিনি নিজেও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবশেষে আরোগ্য লাভ করলেও মেঘনাদের মৃত্যু তাঁকে অত্যন্ত দুঃখ দিয়েছিল।আবার,মেঘনাদবধ কাব্য পাঠকমহলে জনপ্রিয়তা লাভ করার পর অনেকেই একে মিলটনের কাব্যের চেয়েও ভালো বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মিলটনের একনিষ্ঠ ভক্ত মধুসূদন তা মেনে নিতে পারেননি। তাঁর মতে, 'মিলটনের চেয়ে উৎকৃষ্টতর হতে পারে না কোনোকিছুই।'তবে ভার্জিল,কালিদাস বা তাসো-র সমতুল্য হিসেবে বিবেচিত হতে তাঁর আপত্তি ছিল না। তাঁর কাব্যের হাত ধরে বাংলা সাহিত্য যাতে মহিলাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে,সেদিকেও দৃষ্টি ছিল মধুসুদনের।


২.৯) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ৩ নভেম্বর,১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে লেখা মধুসূদনের চিঠিটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করো।


উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গল্পাংশে  তিনি ফ্রান্সের ভাসাই শহর থেকে ৩ নভেম্বর, ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে আলোচ্য চিঠিটি লেখেন।

*মধুসূদন দত্ত স্বদেশে এবং বিদেশে যখনই অর্থকষ্টে তথা বিপদে পড়েছেন, তখনই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ চিঠিতে মধুসূদন বিদ্যাসাগরের সেই উপকারের কথা স্মরণ করেছেন।


*ফ্রান্সের আলাপ চারিতার ভঙ্গিতে লেখক বিদ্যাসাগরকে সে দেশের কথা জানিয়েছেন। ফ্রান্সে তখনও শীতকাল আসেনি,শরতের রেশ রয়েছে। এরকম পরিবেশেও মধুসুদনকে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রাখতে হয়েছে, গায়ে দিতে হয়েছে নানান গরম জামা। বিদ্যাসাগরকে লেখা এই চিঠিতে মধুসূদন জানিয়েছেন, ভারতের শীতকালের শীতলতম দিনটির তুলনায় ফ্রান্সের সাধারণ দিনে ছয়গুণ বেশি ঠান্ডা থাক। সেই দেশের শীতের তীব্রতা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেছেন,'গায়ে এমন জামাজোব্বা পরে আছি যা নাকি আমাদের দেশে ছোটোখাটো একটা মোট বিশেষ।'


* ভাসাইতে এসে মধুসূদন যে অলসভাবে দিন যাপন করছেন না তাও তিনি চিঠিতে জানাতে ভোলেননি। মধুসুদন জানিয়েছেন, মাইনে করা কোনো শিক্ষকের সহায়তা ছাড়াই তিনি ফরাসি ও ইতালীয় ভাষা আয়ত্ত করে ফেলেছেন এবং মন দিয়ে জার্মান ভাষাচর্চা করছেন।


২.১০) বিদ্যাসাগরকে লেখা পত্রটি তে মধুসূদনের জীবনে তাঁর ভূমিকার যে আভাস মেলে ,তা বিশদভাবে আলোচনা করো ।

উত্তর:মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত 'চিঠি' গদ্যাংশে  মাইকেল মধুসুদন দত্ত ৩ নভেম্বর, ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের ভার্সাই শহর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে একটি চিঠি লেখেন। তখন তাঁর ঠিকানা ১২ রু-দ্য শ্যাঁতিয়ারস।


মধুসূদন যখন আর্থিক অনটন ও সাংসারিক টানাপোড়েনে বিধ্বস্ত, ঠিক তখনই তিনি বিদ্যাসাগরের সাহায্যে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠেন। বিদ্যাসাগর মহাশয় যাতে তাঁর বিষয়-আশয় তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেন, তারও অনুরোধ জানিয়েছেন মধুসূদন।বিপদ থেকে বিদ্যাসাগর তাঁকে রক্ষা করেছিলেন।দেশে ফিরে আবার যেন মধুসুদনকে সেই আর্থিক ও পারিবারিক বিপত্তির মুখোমুখি হতে না হয়,তা দেখার দায়িত্ব মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে অর্পণ করেছেন।


*বিদ্যাসাগরকে লেখা মাইকেলের এই চিঠি পড়ে স্পষ্ট বোঝা যায়,বিদ্যাসাগর শুধু তাঁর বন্ধুই ছিলেন না,ছিলেন উপদেষ্টা এবং অভিভাবকও।এই চিঠিতে সে কারণেই বিদ্যাসাগরের প্রতি মধুসূদনের নির্ভরশীলতা বারংবার প্রতিফলিত হয়েছে।


চ)সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) 


১) মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিদ্যাসাগরকে চিঠি লিখেছিলেন-

ক) কলকাতা থেকে 

খ) জার্মানি থেকে 

গ) ফ্রান্স থেকে 

ঘ) লন্ডন থেকে 

উত্তর:(গ) ফ্রান্স থেকে 


২) জার্মান ভাষার বর্ণমালা-

ক) গ্রীক ভাষার মতো 

খ) ইতালির ভাষার মতো 

গ) রোমান ভাষার মতো 

ঘ) রোমান ভাষার মতো নয় 

উত্তর:(ঘ) রোমান ভাষার মতো নয় 


৩) মধুসূদন যে জাহাজে ইংল্যান্ড যাত্রা করেন সেই জাহাজটির নাম-

ক) হর্ষবর্ধন 

খ) সীলোন

গ) ইউরেকা 

ঘ) ইংল্যান্ড মার্চেন্ট 

উত্তর:(খ) সীলোন


৪) চিঠি লেখার আগের রবিবার মধুসূদন ছিলেন-

ক) আলেকজান্দ্রিয়ায় 

খ) লন্ডনে 

গ) আফ্রিকায় 

ঘ) কলকাতায় 

উত্তর:(ক) আলেকজান্দ্রিয়ায় 


৫) শান্ত সমুদ্রকে যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে-

ক) অজয় নদী 

খ) হুগলি নদী 

গ) উপসাগর 

ঘ) জিব্রাল্টার প্রণালী 

উত্তর:(খ) হুগলি নদী 


৬) যে কবিকে মধুসূদন 'স্বর্গীয়' বলেছেন তিনি হলেন- ক)ভার্জিল 

খ) মিল্টন

গ)কালিদাস

ঘ)তাসো

উত্তর:(খ) মিল্টন


ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(SAQ)


১)মধুসূদন দত্ত রচিত তিনটি চিঠির তরজমা করেছেন কে?

উত্তর:মধুসূদন দত্ত রচিত তিনটি চিঠিরই তরজমা করেছেন সুশীল রায়।


২)মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কবে চিঠি লেখেন?

উত্তর:মধুসূদন দত্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দের ৩ নভেম্বর পাঠ্য চিঠিটি লেখেন।


৩)বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা মধুসূদনের একটি সনেটের উল্লেখ করো।


উত্তর:ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা মধুসূদনের একটি সনেট হল ‘পণ্ডিতপ্রবর শ্রীযুক্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর'।


৪)বিদ্যাসাগর মধুসূদনকে বারংবার সাহায্য করেছেন-এমনই একটি ঘটনার উল্লেখ করো।


উত্তর:ফ্রান্সের ভার্সাই শহরে থাকাকালীন মধুসূদন দত্ত চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েন,সে সময় বিদ্যাসাগর তাঁকে বিদেশে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করেছিলেন।


৫) মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন কোন বিদেশি ভাষা রপ্ত করেছিলেন? 


উত্তর: বিদ্যাসাগরকে লেখা চিঠি অনুসারে মধুসূদন ফরাসি ও ইতালীয় ভাষা প্রায় রপ্ত করেছিলেন,একই সঙ্গে জার্মান ভাষাও রপ্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।


৬)তোমাদের পাঠ্য 'চিঠি' রচনায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত দ্বিতীয় চিঠিটি কাকে লিখেছিলেন?


উত্তর:আমাদের পাঠ্য ‘চিঠি' রচনায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত দ্বিতীয় চিঠিটি লিখেছিলেন তাঁর পুরোনো বন্ধু গৌরহরি বসাককে।


৭)মাইকেল মধুসূদন চিঠিতে কাকে ‘প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু” বলে সম্বোধন করেছেন?


উত্তর:মধুসূদন তাঁর লেখা চিঠির শুরুতেই গৌরদাস বসাককে ‘আমার প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু' বলে সম্বোধন করেছেন।


৮)চিঠি লেখার সময় মধুসূদন জাহাজে করে কোথা দিয়ে ভেসে যাচ্ছিলেন?


উত্তর:চিঠি লেখার সময় মধুসূদন জাহাজে করে ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে ভেসে যাচ্ছিলেন।


৯)‘চিঠি' গদ্যাংশের অন্তর্গত দ্বিতীয় চিঠিটি লেখার আগের দিন মধুসূদন দত্ত কোথায় ছিলেন?


উত্তর:‘চিঠি' গদ্যাংশের অন্তর্গত দ্বিতীয় চিঠিটি লেখার আগের দিন মধুসূদন দত্ত মলটায় ছিলেন।



আরো পড়ুন:

 বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here

বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পটলবাবু ফিল্মস্টার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here 

দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here 

স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

হওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 




the wind cap lesson 1 part 1 Click Here 

the wind cap lesson 1 part 2 Click Here

the wind cap lesson 1 part 3 Click Here


Clouds Lesson 2 part 1 Click Here

Clouds Lesson 2 part 2 click Here 


একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here

কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here 

গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here 

ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here


টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here

লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here 



Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here 

Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here 

Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here 


চা পানের উপকারিতা click Here 

ভেষজ উদ্ভিদ click here 

সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 

আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 


সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here 
ব্যঞ্জনধ্বনি প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর part-1 Click here 
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here 

শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায় উপসর্গ ও অনুসর্গ প্রশ্ন উত্তর Click here 

শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায় ধাতু ও প্রত্যয় প্রশ্ন উত্তর Click here 


মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here 

চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here 
অগ্ন্যাশয় এর প্রশ্ন উত্তর Click here 


মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

পদ কয় প্রকার ও কি কি Click here 
পদের দ্বিতীয় ভাগ- বিশেষণপদ Click here 



পদের পঞ্চম ভাগ ক্রিয়াপদ Click here 



































Post a Comment

0 Comments