সূচিপত্র:
ক) কবি পরিচিতি
খ) বিষয়সংক্ষেপ
গ) নামকরণ
ঘ) হাতেকলমে সমাধান
ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক) কবি পরিচিতি:
বিখ্যাত সংগীতশিল্পী রামকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা সংগীত জগতের অন্যতম কাণ্ডারি।রামকুমার ছিলেন সেই সব ঠুংরি, গজল, টপ্পা ইত্যাদি গানের কিংবদন্তী শিল্পী।তাঁর জন্ম ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে, উত্তর কলকাতার দর্জিপাড়ায়। গায়ক পিতার ইচ্ছা অনুসারেই তিনি তবলা শেখেন এবং তবলা বাজানোয় দক্ষ হয়ে ওঠেন। পরে জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কাছে তিনি টপ্পার তালিম নেন।শরৎচন্দ্র পণ্ডিত তাঁকে অল ইন্ডিয়া রেডিয়োতে গায়ক হিসেবে নিয়োগ করেন। এই মানুষটি কয়েক দশক ধরে আমাদের অনেক দুর্লভ পুরাতনী বাংলা গান শুনিয়ে গেছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে শ্যামাসংগীত ও টপ্পা গানকে জনপ্রিয় করে তোলেন। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ মার্চ তিনি মারা যান।
খ)বিষয়সংক্ষেপ:
লেখক ও সংগীতশিল্পী রামকুমার একদিন স্কুল যাওয়ার পথে হেদো পার্কের পাশে,বিডন স্ট্রিটের কাছে সরকার বাগানে বহু মানুষের ভিড় দেখে অবাক হন।একে ওকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন,সেখানে সেদিন নেতাজি বক্তৃতা দিতে আসবেন। এই কথা শুনে তাঁর আর সেদিন স্কুলে যাওয়া হয়নি।একসময় মঞ্চে আবির্ভাব ঘটল নেতাজির। একটু পরেই এলেন কাজী নজরুল ইসলাম। নেতাজির বক্তৃতার আগে নজরুলের গান হওয়াটাই ছিল তখনকার স্বদেশি মিটিং এর রীতি। নজরুলের গান শুনে সভা স্তব্ধ হয়ে গেল। প্রথমে নজরুলের গান, তারপর নেতাজির বক্তৃতা শুনলেন লেখক। স্মৃতিকথায় লেখক জানাচ্ছেন, ‘বক্তৃতার কথা' তাঁর আর মনে নেই। কিন্তু নজরুলের গান আজও যেন চোখ বুজলে তিনি শুনতে পান। পরবর্তী জীবনেও সেই গানের রেশ থেকে গেছে লেখকের মনে। বক্তৃতার কথা বিশেষ মনে না থাকলেও সেই ছোটো বয়সেই কাজী নজরুলের গান শুনে লেখকের মধ্যে উত্তেজনা সঞ্চারিত হয়েছিল। ছুটতে ছুটতে বাড়িতে এসে তিনি ডুবে গিয়েছিলেন তবলার বোলে।
গ)নামকরণ:
আলোচ্য রচনাংশে বাংলা টপ্পা তথা পুরাতনী গানের অন্যতম রামকুমার চট্টোপাধ্যায়।তাঁর ছাত্রজীবনে কাজী নজরুলের গান প্রথমবার শোনার অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। লেখক সেই প্রথম নজরুলের গান সরাসরি শুনেছিলেন। পরে বহুবার তাঁকে গান গাইতে দেখলেও প্রথম দর্শনের সেই অভিজ্ঞতা তিনি ভুলে যাননি। গানের পর নেতাজি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। বহুদিন পর সেই বক্তৃতার কথা রামকুমার আর স্পষ্ট মনেও করতে পারেন না। কিন্তু তিনি যে নজরুলের গান শুনে উচ্ছ্বসিত আবেগে ছুটে বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন এবং প্রিয় সঙ্গী তবলার বোলে ডুবে গিয়ে নিজের উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেছিলেন, কাজী নজরুলের গানের প্রসঙ্গ ও প্রথমবার সেই গান শুনে লেখকের গভীর ভালোলাগার কথা এই রচনাংশে বর্ণিত হয়েছে। এই কারণে এই রচনাটির নাম 'কাজী নজরুলের গান' সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।
ঘ) হাতেকলমে সমাধান
১) কাজীনজরুল ইসলাম ব্যতীতকোন মনীষীর নাম পাঠ্যাংশে খুঁজে পেলে ?
উত্তর:আলোচ্য পাঠ্যাংশে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যতীত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাম খুঁজে পাওয়া যায়।
২) এই ছিল তখনকার কোনো স্বদেশি মিটিংএর রীতি- কোন রীতির কথা এখানেবলা হয়েছে ?
উত্তর: রামকুমার চট্টোপাধ্যায় ‘কাজী নজরুলের গান' শীর্ষক গদ্যাংশে যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে যে কোনো স্বদেশি মিটিংএর রীতিই ছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বক্তৃতার আগে কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত পরিবেশন।
৩)পাঠ্যাংশে কার,কেমন দেহসৌষ্ঠবের পরিচয় ধরা পড়েছে?
উত্তর:রামকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত 'কাজী নজরুলের গান' শীর্ষক গদ্যাংশে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর দেহসৌষ্ঠবের পরিচয় ধরা পড়েছে। কিশোর রামকুমার চট্টোপাধ্যায় একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে বহু মানুষের ভিড় দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন বিডন স্ট্রিটের কাছে সরকার বাগানে সেদিন নেতাজি আসবেন বলে জানতে পারেন। বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তিনি দেখেন এক দেবদূত মঞ্চ আলো করে দাঁড়িয়ে আছেন। লেখকের বর্ণনায় তিনি ছিলেন ‘গৌরবর্ণ, উন্নত ললাট, অতীব সুপুরুষ।'
8)টীকা লেখো: কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, স্বদেশি যুগ।
*কাজী নজরুল ইসলাম:
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে। তাঁর পিতার নাম কাজী ফকির আহমদ এবং মায়ের নাম জাহেদা খাতুন। মাত্র ৮ বছর বয়সে নজরুল তার বাবাকে হারান।ফলে দারিদ্র্যের সঙ্গে তাঁর শৈশব অতিবাহিত হয়। লেটোর দলে গান রচনা থেকে শুরু করে মক্তবে পড়ানো, এমনকি রুটির দোকানেও কাজ করেছেন তিনি। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৈনিকবৃত্তি নিয়ে নজরুল বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন এবং সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে তাঁর সম্পাদনায় সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু' প্রকাশিত হয়।এই পত্রিকায় স্বদেশিকতার প্রকাশ ও প্রচারের ফলে ব্রিটিশ সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়। রাজদ্রোহের অভিযোগে নজরুলকে বন্দি করা হয়। কবিতা ও গানই ছিল বিদ্রোহী কবি নজরুলের প্রধান হাতিয়ার। বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে তো বটেই,তাঁর সংগ্রাম ছিল যাবতীয় শোষণ,বর্ণনা,অবিচারের বিরুদ্ধে। তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা 'সাম্যবাদী' প্রকাশিত হয় 'লাল'পত্রিকায়।১৯২৮ সালে কৃষ্ণনগর ছেড়ে কলকাতায় এসে তিনি গ্রামোফোন কোম্পানিতে কাজ নেন। তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। বাংলায় সবাক চলচ্চিত্রের শুরু থেকেই তিনি এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত রচনা ছাড়াও তিনি 'বিদ্যাপতি, ধ্রুব, 'সাপুড়ে, প্রভৃতি ছায়াছবির কাহিনিকার ছিলেন। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে মুজিবর রহমান তাকে বাংলাদেশে নিয়ে যান। ১৯৭৫-এ শহিদ দিবসে 'একুশে পদক' দিয়ে তাকে সম্মান জানানো হয়। ঢাকার তাঁর মৃত্যু হলে রাষ্ট্রীয় সম্মানে তাঁর দেহ সমাধিস্থ করা হয়।
*নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু:
বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে অন্যতম সুভাষচন্দ্র বসু উড়িষ্যার কটক শহরে ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। স্কটিশচার্চ কলেজ থেকে দর্শনে অনার্স সহ তিনি বি.এ পাস করেন তারপর আই.সি.এস পড়তে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বিলেতে যান এবং মাত্র ৬ মাস পড়েই পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেন।১৯২১ খ্রিস্টাব্দে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে সুভাষচন্দ্র আই.সি.এসের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। গান্ধিজির নির্দেশে সুভাষচন্দ্র চিত্তরঞ্জন দাশের সংস্পর্শে আসেন।১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ সরকার বিপ্লবী কার্যকলাপের জেরে তাকে মান্দালয় জেলে বন্দি করেন। ১৯২৯-এ তিনি AITUC-র সভাপতি এবং কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এর পরই রেগুলেশন আইনে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিলাভের একবছরের মধ্যেই ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি হরিপুরা কংগ্রেসের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরি কংগ্রেসে সুভাষচন্দ্র কংগ্রেসের সভাপতি পদের প্রার্থী হন এবং নাটকীয়ভাবে জয়লাভ করেন। এরপর নানাবিধ কারণে ওই পদ ত্যাগ করে সেবছরই মে মাসে কংগ্রেসের মধ্যেই ফরোয়ার্ড ব্লক' গঠন করে সারা দেশের বিপ্লবী কার্যকলাপকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেন। এর জন্য সুভাষচন্দ্র কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হন। দ্বিতীয় বিশ্বষদ্ধ চলাকালীন ১৯৪০-এর জুলাই মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিলাভ করার পর কলকাতায় নিজের বাড়িতে অন্তরিন হন এবং ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি লুকিয়ে দেশত্যাগ করেন। পেশোয়ার, কাবুল, মস্কো হয়ে তিনি বার্লিনে পৌঁছোন। সেখানে 'Free India Legion একটি সশস্ত্র বাহিনি গড়ে তোলেন। ক্যাপটেন মোহন জাপান প্রবাসী বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর উদ্যোগে 'Indian Independence League' এবং 'Indian National Army' গঠিত হলে এই বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য সুভাষচন্দ্রকে আহ্বান জানানো হয়। এই সমই তিনি 'নেতাজি' আখ্যায় অভিহিত হন। সম্ভবত টোকিয়ো যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়। যদিও তা নিয়ে বিতর্ক বর্তমান।
স্বদেশি যুগ:
১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে ঘোষিত হয়।এই আন্দোলন পরিপূর্ণ রূপ নেয় ১৯০৫-এর আগস্ট মাস থেকে।সে বছরের ৭ই আগস্ট কলকাতার টাউন হলে এক সমাবেশের এই মর্মে শপথ গ্রহণ করা হয় যে,যতদিন না বঙ্গভঙ্গ রদ করা হচ্ছে ততদিন বিলিতি জিনিসপত্র ব্যবহার করা হবে না। বাংলায় স্বদেশি আন্দোলন বিদেশি জিনিস বয়কটের মধ্য দিয়েই শুরু হয়। ক্রমে এই আন্দোলন উত্তরপ্রদেশ,পাঞ্জাব,মহারাষ্ট্র প্রভৃতি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। স্বদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়ার ফলে উৎপাদনও বাড়তে থাকে। এর ফলে দেশীয় শিল্প বিকাশের পথ খুলে যায়। দেশীয় শিল্পের পুনরুজ্জীবনও সম্ভব হয়। স্বদেশি যুগে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে বেঙ্গল কেমিক্যাল স্থাপিত হয় এবং প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ। এই সময় গড়ে ওঠে বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ ও স্কুল এবং বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট। স্বদেশি শিল্প গড়ার স্বার্থে প্রচুর শিল্পও গড়ে ওঠে। দেশলাই, সাবান, চর্মদ্রব্যের বহু কারখানা গড়ে ওঠে। এ ছাড়াও গড়ে ওঠে বঙ্গলক্ষ্মী কটন মিলস, বেঙ্গল ন্যাশনাল ব্যাংক, ন্যাশনাল ইনসিওরেন্স কোম্পানি। এ ভাবেই স্বদেশি আন্দোলনে বিদেশি দ্রব্য বর্জন এবং স্বদেশি দ্রব্যের ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় ভাষা, জাতীয় সাহিত্য,দেশীয় শিক্ষা-পদ্ধতি জনপ্রিয়তা লাভ করে।
৫) কাজী নজরুল ইসলামের গানশুনে লেখকের মনে কোন অনুভূতির সৃষ্টি হল ? তখন তিনি কী করলেন ?
উত্তর:লেখক রামকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ছেলেবেলায় স্কুল যাওয়ার পথে একবার সরকার বাগানে একটি অনুষ্ঠানে নেতাজির বক্তৃতার আগে নজরুলের গান শোনেন।সেই গান শুনে,লেখকের ভাষায়,সভাএকেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল।তিনি নিজেও অনুধাবন করলেন “কাজীর গান কী জিনিস!” এই ঘটনার বহুদিন পরেও চোখ বুজলেই যেন সেই দৃশ্য তাঁর চোখে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠত। তিনি অত ছোটো বয়সেও অনুভব করেছিলেন, তাঁর রক্ত যেন টগবগ করে ফুটতে আরম্ভ করেছে।
* নজরুলের গান শুনে নিজের অজান্তেই তিনি রাস্তা দিয়ে ছুটতে ছুটতে বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। কাজী নজরুলের গান শুনে তাঁর মনে যে প্রবল উন্মাদনা জেগে উঠেছিল তা কমানোর জন্য তিনি টেনে নিয়েছিলেন তাঁর প্রিয় সঙ্গী তবলাকে এবং তবলার বোলে ডুবে গিয়েছিলেন।
৬ )শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে নীচের বিষয়গুলির মধ্যে কাজী নজরুলের লেখা কোন কোন গান খুঁজে পেলে লেখো: স্বদেশপ্রেম বিষয়ক, প্রকৃতি বিষয়ক, হাসির গান/ছড়ার গান, প্রেমের গান, ধর্মীয় অনুষঙ্গের গান।
স্বদেশপ্রেম বিষয়ক:
১) এই আমাদের বাংলাদেশ এই আমাদের বাংলাদেশ।
২) এ কোন্ পাগল পথিক ছুটে এল বন্দিনী মা'র আঙ্গিনায়।
৩)এই ভারতে নাই যাহা তা ভূ-ভারতে নাই।
৪)উদার ভারত! সকল মানবে/দিয়াছ তোমার কোলে স্থান।
৫)আমার সোনার হিন্দুস্থান।/দেশ-দেশ-নন্দিতা তুমি বিশ্বের প্রাণ।।
প্রকৃতি বিষয়ক:
১) একি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী- জননী।
২) আমার দেশের মাটি ও ভাই, খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি।
৩)বনের হরিণ আয়রে বনের হরিণ আয়।
৪)মোরা বিহান-বেলা উঠে রে ভাই চাষ করি এই মাটি।
*হাসির গান। ছড়ার গান:
১)আবু আর হাবু দুই ভায়ে সদাই ভীষণ দ্বন্দ্ব।
২)আমার খোকার মাসী শ্রী অমুকবালা দাসী।
৩)আমার ঠনঠনিয়ার চটি। যাত্রা শুনতে কাহার সাথে গেলি তুই পালটি।
*প্রেমের গান:
১)ও কে উদাসী আমায় হায়, ডাকে আয় আয়।
২)ওগো চৈতী রাতের চাঁদ যেয়ো না।
৩)ও মেঘের দেশের মেয়ে।
৪)কত কথা ছিল তোমায় বলিতে।
ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১)স্বদেশি মিটিং এর রীতি ছিল-
ক) নেতাজির বক্তৃতার আগে নজরুলের গান
খ) নেতাজির বক্তৃতার পরে নজরুলের গান
গ) যে- কোনো নেতার বক্তৃতার আগে নজরুলের গান
ঘ) যে-কোনো নেতার বক্তৃতার পরে নজরুলের গান
উত্তর:(ক) নেতাজির বক্তৃতার আগে নজরুলের গান
২)“একদিন ঘটেছিল একটি ঘটনা।” ঘটনাটা কখন ঘটেছিল?
ক) সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে
খ) ইস্কুলে যাওয়ার সময়ে
গ) ইস্কুলে পৌঁছোনোর পরে
ঘ) ইস্কুল থেকে ফেরার সময়
উত্তর:(খ) ইস্কুলে যাওয়ার সময়ে
৩)লেখক সবাইকে ভিড় জমাতে দেখেছিলেন-
ক) টালার কাছে
খ) হেদো পার্কের কাছে
গ) ডালহৌসিতে
ঘ) শোভাবাজারে
উত্তর:(খ) হেদো পার্কের কাছে
৪)নেতাজি যে জায়গায় বক্তৃতা দিতে এসেছিলেন, সেটি হল-
ক)রাজার বাগান
খ) হালদার বাগান
গ) সরকারবাগান
ঘ) সাহেববাগান
উত্তর:(গ) সরকারবাগান
৫)..সভা একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল।” কেন সভা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল?
ক) নেতাজির বক্তৃতা শুনে
খ) নজরুলের গান শুনে
গ) নেতাজি আর নজরুলকে একসঙ্গে দেখে
ঘ) নজরুলের বক্তৃতা শুনে
উত্তর:(খ) নজরুলের গান শুনে
৬) নজরুল গানের সঙ্গে বাজাতেন-
ক) বেহালা
খ) পিয়ানো
গ) হারমোনিয়াম
ঘ) তানপুরা
উত্তর:(গ) হারমোনিয়াম
৭).. চোখ বুজলেই যেন শুনতে পাই।'-কী শুনতে পাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
ক) নেতাজির বক্তৃতা
খ) নজরুলের গান
গ) নেতাজির বাণী
ঘ) নজরুলের কথা
উত্তর:(খ) নজরুলের গান
৮)রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের প্রিয় সঙ্গী ছিল-
ক) হারমোনিয়াম
খ) তবলা
গ )গিটার
ঘ) ব্যান্ড
উত্তর:(খ) তবলা
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
১)'কেউ একজন বললেন..'- কী বলেছিলেন?
উত্তর:আলোচ্য গদ্যাংশে লেখক রামকুমারকে কেউ একজন বলেছিলেন যে, সেদিন হেদো পার্কের কাছে সরকারবাগানে নেতাজি বক্তৃতা দিতে আসবেন।
২)স্কুল যাওয়ার পথে লেখক রামকুমার চট্টোপাধ্যায় কী দেখেন?
উত্তর:স্কুল যাওয়ার পথে লেখক রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দেখেছিলেন হেদো পার্কের কাছে খুব ভিড়।
৩)“ইশকুলের দিকে আর গেলাম না।”-এই না যাওয়ার কারণ কী ছিল?
উত্তর:নেতাজি বক্তৃতা দিতে আসবেন শুনে বক্তা দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন,সেজন্য তাঁর আর স্কুলে যাওয়া হয়নি।
৪)'নেতাজী আসবেন শুনে দাঁড়িয়ে গেলাম।'-কে দাঁড়িয়ে গেলেন?
উত্তর:নেতাজি আসবেন শুনে রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন।
৫)'ডুবে গেলাম তবলার বোলে।'-এই ডুবে যাওয়ার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর:বক্তার তবলার বোলে ডুবে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল নজরুলের গান শুনে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকে কমানো।
৬)রামকুমার চট্টোপাধ্যায় উত্তেজনা কমানোর জন্য কোন্ প্রিয় সঙ্গীকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন?
উত্তর: নজরুলের গান শুনে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কমানোর জন্য রামকুমার চট্টোপাধ্যায় কাছে টেনে নিয়েছিলেন তাঁর প্রিয় সঙ্গী তবলাকে।
৭)নজরুলের গান শুনে সকলের কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
উত্তর:নজরুলের গান শুনে সভার সকলে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল।
৮)মঞ্চে নজরুলের আবির্ভাবে নেতাজি কী করেছিলেন?
উত্তর:মঞ্চে নজরুলের আবির্ভাব ঘটলে নেতাজি স্বয়ং তাঁকে দুহাত তুলে প্রণাম করেছিলেন।
আরো পড়ুন:
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাগলা গনেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
একুশের কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আত্মকথার প্রশ্ন উত্তর Click Here
খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর Click Here
কুতুব মিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর প্রথম Part Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় Part Click Here
দুটি গানের জন্মকথা Click Here
স্মৃতিচিহ্ন কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
নোট বই কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
চিরদিনের কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
ভানুসিংহের পত্রাবলী প্রশ্ন উত্তর click Here
রাস্তায় ক্রিকেট খেলা প্রশ্ন উত্তর click Here
গাধার কান গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
ভারত তীর্থ কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
Health benefit of butter water click Here
চিন্তাশীল নাটকের প্রশ্ন উত্তর click here
দেবতাত্মা হিমালয় প্রশ্ন উত্তর click here
পটলবাবু ফিল্মস্টার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বাংলা ব্যাকরণ কারক ও অকারক সম্পর্ক Click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
Eye বা চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান-তাপ Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান-চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ এর প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশবান্ধব শক্তির প্রশ্ন উত্তর Click Here
0 Comments