সূচিপত্র:
ক) কবি পরিচিতি
খ) বিষয় সংক্ষেপ
গ) নামকরণ
ঘ) হাতে-কলমে সমাধান
ঙ)সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(SAQ)
ক) কবি পরিচিতি:
মৃদুল দাশগুপ্তের জন্ম হয় ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৩ এপ্রিল হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে। তিনি লেখাপড়া করেছেন উত্তরপাড়া কলেজে। ‘জলপাই কাঠের এসরাজ' হল কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ গুলি হল-'এভাবে কাঁদে না, 'গোপনে হিংসার কথা বলি,'সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ' ইত্যাদি। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা ছড়ার বইগুলির মধ্যে রয়েছে-ঝিকিমিকি ঝিরিঝিরি,'ছড়া ৫০, 'আমপাতা জামপাতা,'কবিতা সহায়ক,হল তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে এই কবি 'সোনার বুদবুদ' কাব্যের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার পান। বর্তমানে তিনি কবিতা লেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত।
খ)সারসংক্ষেপ:
কবি যখন খুশি মনে রং ছড়িয়ে ছবি আঁকতে বসেন,তখন তিনটি শালিক ঝগড়া থামিয়ে দেয়, চড়ুই পাখি অবাক চোখে তাকায় তাঁর দিকে। মাছরাঙা পাখি মাছ শিকার করার কথা ভুলে গিয়ে শিল্পীকে ধার দিতে চায় তার নীল রংটি। প্রজাপতির ঝাঁকও কবির আঁকার বিষয় হয়ে উঠতে চায়। গর্তের ভেতর থেকে চোখ পিটপিট করে ইঁদুররা চেয়ে থাকে। এই সঙ্গে রং আর তুলিরাও খুব খুশি হয় কবিকে পেয়ে। এদিকে মাঠে জমে ওঠে চাঁদের জ্যোৎস্না। যখন বাতাসে কাঁপন ওঠে, তখনই কবি-শিল্পীর ছড়া লেখা শুরু হয়। আকাশ থেকে তারারা তখন গোপনে নেমে আসে কবি-শিল্পীর কাছে। জোনাকির ঝাঁক যেন আলো দিয়ে বকুল গাছে লিখে চলে বাংলার বর্ণমালা। এই ছড়াই কবিকে পাঠকের কাছে নিয়ে যায়। এভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছোনো কবির কাছে পরম আনন্দের।
গ)নামকরণ:
নামকরণ হল যে কোনো সাহিত্যে প্রবেশের চাবিকাঠি। তাই নামকরণের মাধ্যমেই পাঠক সাহিত্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটা আগাম ধারণা পেয়ে থাকে।কবি মৃদুল দাশগুপ্ত তাঁর আঁকা ও লেখার সময় প্রকৃতি কেমন রূপ ধারণ করে, এই কবিতায় তারই পরিচয় দিয়েছেন। তাই কবিতাটির নাম 'আঁকা,লেখা'।দুপুরবেলা নিজের খেয়াল-খুশিতে ছবি আঁকার সময় তিনি লক্ষ করেন,তাঁর ছবি দেখে ঝগড়াটে শালিক পাখিরা নিজেদের ঝগড়া থামিয়ে দেয়। অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে চড়ুই পাখি। মাছরাঙা পাখিও তার শিকার করা ভুলে গিয়ে আনমনা হয়ে পড়ে। নিজের নীল রংটি সে যেন কবিকে ধার দিতে আগ্রহী। কবির আঁকা ছবির বিষয় হতে চায় প্রজাপতির ঝাঁক। এমনকি,গর্ত থেকে ইঁদুর পিটপিটে চোখ মেলে কবির ছবি আঁকা দেখতে থাকে।কবির শিল্পসৃষ্টির আনন্দে শামিল হতে পেরে রং-তুলিরাও সেই দুপুরে বেজায় আনন্দিত হয়ে ওঠে।
আবার যখন রাত হয়ে আসে,জ্যোৎস্নাভরা মাঠে যেন চাঁদের আলো দুধের সরের মতো পুরু হয়ে জমে। সেই গভীর রাতে বাতাসের সামান্য কাঁপনের সময়টিই কবির ছড়া লেখার সময়। কবি অনুভব করেন,তারার মালা যেন খুব গোপনে তাঁর কাছে নেমে আসছে।জোনাকির দল যেন বকুল গাছে মনের আনন্দে লিখে চলেছে বর্ণমালায় নানান বর্ণ। কবি সেই মুহূর্তে লেখা ছড়ার মধ্য দিয়ে পাঠকের সান্নিধ্য লাভ করেন। একেই কবির পরম আনন্দ ও সেরার সেরা পুরস্কার বলে মনে হতে থাকে। এভাবেই আঁকা আর লেখা।তাই সেকারণে কবিতার নাম 'আঁকা,লেখা' যথার্থ ও সার্থক হয়ে উঠেছে।
ঘ) হাতে-কলমে সমাধান
১০।একটি বাক্যে উত্তর দাও।
১০.১)কবি কখন ছবি আঁকেন?
উত্তর:দুপুর বেলায় কবির মন যখন খুশিতে আর খেয়ালে ভরে ওঠে ,তখন তিনি রং ছড়িয়ে ছবি আঁকেন।
১০,২)কখন তাঁর ছড়া লেখার শুরু?
উত্তর:মাঠে চাদের জ্যোৎস্না যখন দুধের সরের মতো জমে যায় এবং বাতাসে সামান্য কাঁপন লাগে, তখন কবির ছড়া লেখার শুরু।
১০.৩)তিনটি শালিক কী করে?
উত্তর: তিনটি শালিক ঝগড়া থামায় কবির ছবি আঁকা দেখে।
১০.৪)কে অবাক হয়ে তাকায়?
উত্তর: অবাক হয়ে তাকায় চড়ুই পাখি।
১০.৫)মাছরাঙা কী চায়?
উত্তর: মাছরাঙা চায় তার নীল রংটি কবি-শিল্পীকে ধার দিতে।
১০.৬)প্রজাপতিদের ইচ্ছা কী?
উত্তর: প্রজাপতিদের ইচ্ছে তারা যেন শিল্পীর আঁকাতে স্থান পায়।
১০.৭)গর্তে কে থাকে?
উত্তর: পর্তে ইঁদুর থাকে।
১০.৮) চাঁদের পুরু দুধের সর কোথায় জমে?
উত্তর: চাঁদের পুরু দুধের সর জমে দূরের মাঠে।
১০.৯)কারা, কোথায় 'অ-আ' লিখছে?
উত্তর: দশটি জোনাকি বকুল গাছে 'অ-আ' লিখছে।
১০.১০)কৰি কোন্ বিষয়কে 'পদক পাওয়া' মনে করেছেন?
উত্তর:কবির লেখা ছড়া পাঠকের হাতে পৌঁছানকেই কবি তাঁর কাব্য রচনার স্বীকৃতি বা ‘পদক পাওয়া' বলে মনে করেছেন।
১১) দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও।
১১.১)কবি যখন ছড়া লিখতে শুরু করেন তখন চারপাশের প্রকৃতিতে কী কী পরিবর্তন ঘটে?
উত্তর:কবি যখন ছড়া লিখতে শুরু করেন,সেই সময় চাঁদের আলো দুধের সরের মতো মাঠে পুরু হয়ে জমে ওঠে।সেই সময়ে বাতাসে অল্প কাপনও লাগে। কবির মনে হয়, তারার দল তখন মালা হয়ে খুব গোপনে তাঁর কাছে নেমে আসে।ওই সময়ে দশটা জোনাকি যেন অন্ধকারে বকুল গাছে ‘অ-আ' লিখতে থাকে।
১১.২) কবি যখন ছবি আঁকেন, তখন কী কী ঘটনা ঘটে?
উত্তর: মৃদুল দাশগুপ্তের ‘আঁকা,লেখা' কবিতায় কবি যখন ছবি আঁকতে থাকেন, তখন যে তিনটি শালিক ঝগড়া করছিল তারা ঝগড়া থামিয়ে দেয়। অবাক চোখে কবির ছবি-আঁকা দেখতে থাকে চড়ুইপাখি আর মাছ শিকার ভুলে মাছরাঙা তার নীল রং শিল্পীকে ধার দিতে চায়। প্রজাপতির ঝাঁক অনুরোধ করতে থাকে যে তাদের যেন রাখা হয় শিল্পীর ছবিতে। ওদিকে গর্ত থেকে ইঁদুর পিটপিট চোখে তাকাতে থাকে। কবিকে পেয়ে রং-তুলিরাও বেজায় খুশি হয়ে ওঠে।
১১.৩)'তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়'-কোন কবির কোন কবিতায় এমন তিন শালিকের প্রসঙ্গ অন্যভাবে আছে?
উত্তর: তিনটি শালিকের ঝগড়া আছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় ,তাঁর সহজপাঠ ২য় ভাগের নবম পাঠে ।সেখানে তিনটি শালিকের রান্না ঘরের চালে বসে ঝগড়াকরার কথা আছে।
১১.৪)মাছরাঙা পাখি কেমন দেখতে?সে মৎস্য ভুলে যায় কেন?
উত্তর:মাছরাঙা পাখির দেহের রং প্রধানত নীল হলেও তার সঙ্গে অন্য রঙের বাহারও থাকে। এই পাখির ঠোঁট বেশ লম্বা ও তীক্ষ্ণ হয় ।
* সে মাছ-ধরা ভুলে যায় শিল্পীর আঁকা দেখে।
১১.৫) "রং-তুলিরা" বেজায় খুশি আজ দুপুরে আমায় পেয়ে -কবির এমন বক্তব্যের কারণ কী?
উত্তর: এক দুপুরে কবি-শিল্পী রং আর তুলি দিয়ে ছবি আঁকছিলেন। কবির মনে হয়েছে, প্রকৃতির ছবি আঁকছিলেন বলেই রং- তুলিরা খুব খুশি হয়েছে।
১১.৬)'অ' লিখছে 'আ' লিখছে'- কারা, কীভাবে এমন লিখছে ?তাদের দেখে কী মনে হচ্ছে?
উত্তর:দশটি জোনাকি উড়ে উড়ে তাদের আলো দিয়ে বকুল গাছে অ,আ,লিখছে।
*জোনাকিদের দেখে মনে হয়,তারা খুবই খুশি।তাই মনের আনন্দে তারা বর্ণমালা লিখে চলেছে।
১২)নিজের ভাষায় উত্তর লেখো।
১২.১)এই ছড়াতেই আজ আমাকে তোমার কাছে আনলো হাওয়া'-কাকে উদ্দেশ্য করে কবি এ কথা বলেছেন ? কবির আঁকা ও লেখার সঙ্গে এই মানুষটির উপস্থিতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব বিচার করো।
উত্তর:'আঁকা,লেখা' কবিতায় কবি মৃদুল দাশগুপ্ত আলোচ্য কথাটি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে বলেছেন।
* যখন মাঠ ভরে ওঠে দুধের সরের মতো জ্যোৎস্নায়, বাতাসে লাগে মৃদু কাঁপন,তখন কবির ছড়া লেখা শুরু হয়। ঠিক এই সময় তারার মালা আকাশ থেকে নেমে আসে গোপনে এবং নিঃশব্দে। আর জোনাকিরা বকুল গাছে তাদের ক্ষীণ আলো দিয়ে লেখে ‘অ' আ’। কবি মনে করেছেন, এই হাওয়াই তাঁকে ছড়ার মাধ্যমে পাঠকদের সঙ্গে মিলিয়ে দিচ্ছে। কেবল লেখা নয়,ছবি আঁকার সময়ও কবি এরকমই আনন্দ পান, তাই তিনি খুশ খেয়ালে ছবি আঁকেন । কবির আঁকা দেখে শালিক, চড়ুই, মাছরাঙা পাখিরা, প্রজাপতির ঝাঁক সেই আনন্দের অংশ হতে চায়, গর্তের ইঁদুরও চোখ পিটপিট করে কবির দিকে চেয়ে থাকে। আনন্দিত হয়ে ওঠে রং আর তুলি। প্রকৃতি, প্রাণীর বিস্ময় ও আনন্দের সঙ্গে কবির আনন্দ মিশে তখন এক ঐকতানের সৃষ্টি করে, যার প্রকাশ ঘটে তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে।
১২.২)এই কবিতায় যে যে উপমা ও তুলনা ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলি ব্যবহারের সার্থকতা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর:কবিতার ভাবটিকে প্রকাশ করার জন্য উপমা ব্যবহার করা হয়। কবি মৃদুল দাশগুপ্ত তাঁর ‘আঁকা, লেখা' কবিতায় কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ উপমা সুন্দরভাবে ব্যবহার করেছেন। কবিতায় চাঁদের জ্যোৎস্নার সঙ্গে ‘দুধের সরের' তুলনা করা হয়েছে। তারকা পুঞ্জকে বলা হয়েছে ‘তারার মালা’।এইরকম যথাযথ উপমা প্রয়োগই কবিতাটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে।
১২.৩)ছবি-আঁকা, ছড়া /কবিতা লেখার মধ্যে তুমি নিজে কোন্টা কেন বেশি পছন্দ করো তা লেখো।
উত্তর:আমি নিজে ছবি আঁকা বেশি পছন্দ করি। কারণ কবিতা লেখার মতো কল্পনাশক্তি এবং বাংলা ভাষার ওপর দখল এখনও আমার তৈরি হয়নি। তা ছাড়া কবিতায় ব্যবহৃত ছন্দের নিয়মও আমি ঠিক বুঝতে পারি না। সেকারণেই যথাযথ শব্দ, ছন্দ, অলংকার, উপমা প্রয়োগ করে এখনও একটি কবিতা আমি লিখে উঠতে পারিনি। তার চেয়ে ছবি এঁকে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতেই আমার সুবিধা হয়। চারপাশের প্রকৃতি আমাকে ছবি আঁকায় দারুণভাবে প্রেরণা জাগায়।
ঙ)সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১)আঁকা,লেখা’-এর রচয়িতা কে?
ক) মৃদুল দাশগুপ্ত
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) বনফুল
ঘ) শঙ্খ ঘোষ
উত্তর:(ক) মৃদুল দাশগুপ্ত
২)'রং ছড়িয়ে খুশ-খেয়ালে'-কবি কী করেন?
ক) খুশি থাকেন
খ) ছবি আঁকেন
গ) অবাক তাকান
ঘ) কাব্য লেখেন
উত্তর:(খ) ছবি আঁকেন
৩)'আমি যখন চিত্র আঁকি'-কবি ছবি আঁকেন-
ক) খুশিতে-খেয়ালে
খ) পরম পুলকে
গ) মুগ্ধ হয়ে
ঘ) খুব গোপনে
উত্তর:(ক) খুশিতে-খেয়ালে
৪)..ঝগড়া থামায়'-কারা ঝগড়া থামায়?
ক) তিনটি চড়ুই
খ) পাঁচটি চড়ুই
গ) তিনটি শালিক
ঘ) পাঁচটি শালিক
উত্তর:(ক) তিনটি চড়ুই
৫)কবিকে নীল রং ধার দিতে চায়-
ক)কাক
খ) মাছরাঙা
গ) চড়ুই
ঘ) আকাশ
উত্তর:(খ) মাছরাঙা
৬)মাছরাঙা কীভাবে তার নীল রংটি কবিকে ধার দিতে চেয়েছিল?
ক) অবাক চোখে তাকিয়ে
খ) তীক্ষ্ণ ডাকে
গ) মৎস্য ভুলে
ঘ) ডানা মেলে
উত্তর:(গ) মৎস্য ভুলে
৭)কারা কবির আঁকায় স্থান পেতে চেয়েছিল?
ক) মাছরাঙা
খ) ইঁদুর
গ) প্রজাপতির ঝাঁক
ঘ) চড়ুইয়ের দল
উত্তর:(গ) প্রজাপতির ঝাঁক
৮)সেটাও পিটপিটে চোখ দেখছে চেয়ে'-কার কথা বলা হয়েছে?
ক) শালিক
খ) ইঁদুর
গ) চড়ুই
ঘ) জোনাকি
উত্তর:(খ) ইঁদুর
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(SAQ)
১)'আমি যখন চিত্র আঁকি'-কবি কীভাবে চিত্র আঁকেন?
উত্তর:কবি রং ছড়িয়ে খুশিতে ও খেয়ালে চিত্র আঁকেন।
২)কবির ছবি আঁকায় মাছরাঙার কী ভূমিকা ছিল?
উত্তর:কবির ছবি আঁকার সময়ে মাছরাঙা মাছের কথা ভুলে গিয়ে তার নীল রংটি কবিকে ধার দিতে চেয়েছিল।
৩)গর্তের ইঁদুর কবির ছবি আঁকার সময় কী করছিল?
উত্তর:গর্তের ইঁদুর কবির ছবি, কবির আঁকা ছবিতে তারাও যেন জায়গা পায়।
৫)মাছরাঙা তার কোন্ রং ধার দিতে চায়?
উত্তর:মাছরাঙা তার নীল রংটি কবিকে ধার দিতে চায়।
৬)'আঁকা, লেখা' কবিতায় কোন্ কোন্ পাখির নাম আছে?
উত্তর:আঁকা, লেখা' কবিতায় শালিক, চড়ুই এবং মাছরাঙা পাখির নাম আছে।
আরো পড়ুন:
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাগলা গনেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
একুশের কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আত্মকথার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আঁকা লেখার প্রশ্ন উত্তর Click Here
খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর Click Here
কুতুব মিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর প্রথম Part Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় Part Click Here
স্মৃতিচিহ্ন কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
নোট বই কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
চিরদিনের কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
ভানুসিংহের পত্রাবলী প্রশ্ন উত্তর click Here
রাস্তায় ক্রিকেট খেলা প্রশ্ন উত্তর click Here
গাধার কান গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
ভারত তীর্থ কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
Health benefit of butter water click Here
চিন্তাশীল নাটকের প্রশ্ন উত্তর click here
দেবতাত্মা হিমালয় প্রশ্ন উত্তর click here
পটলবাবু ফিল্মস্টার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বাংলা ব্যাকরণ কারক ও অকারক সম্পর্ক Click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
Eye বা চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান-তাপ Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান-চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ এর প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশবান্ধব শক্তির প্রশ্ন উত্তর Click Here
0 Comments