সূচিপত্র:
ক)লেখক পরিচিতি
খ) উৎস
গ) বিষয়সংক্ষেপ
ঘ) নামকরন
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক)লেখক পরিচিতি:
প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ পুত্র। মা ছিলেন সৌদামিনী দেবী। তিনি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের শিল্প-সাহিত্য ও সংগীতচর্চায় অবনীন্দ্রনাথ বড়ো হয়ে ওঠেন। সংস্কৃত কলেজের ছাত্র থাকাকালীন তিনি ছবি আঁকার দিকে আকৃষ্ট হন। ১৮৯২-১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাঁর আঁকা বহু চিত্র প্রকাশিত হয়। তিনি ইটালিয়ান শিল্পী গিলার্ডি ও ইংরেজ শিল্পী পামারের কাছে পাশ্চাত্য রীতিতে প্যাস্টেল,জল রং, তেল রং ও প্রতিকৃতি আঁকার শিক্ষা নেন। প্রাচীন ভারত,মুঘল ভারত এবং বর্তমান ভারতের অজস্র ছবি এঁকেছেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের 'চিত্রাঙ্গদা'র ছবিও তিনি এঁকেছেন।তাঁর শিল্প-আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে 'ওরিয়েন্টাল আর্ট সোসাইটি' স্থাপিত হয়। ছবি আঁকার পাশাপাশি ‘রাজকাহিনী,ভূত পত্রীর দেশ,নালক,শকুন্ডলা,ক্ষীরের পুতুল,খাজাদির খাতা,'পথে বিপথে, আলোর ফুলকি,বুড়ো আংলা'-র মতো শিশু-কিশোরদের অজস্র গ্রন্থ তিনি রচনা করেছেন। এ ছাড়া স্মৃতিকথামূলক গদ্য 'ঘরোয়া,এবং 'জোড়াসাঁকোর ধারে' (১৯৪৪) রচনা করে তিনি এক হারিয়ে যাওয়া সময়কে পাঠকের কাছে জীবন্ত করে তুলেছেন। শিল্পতত্ত্ব বিষয়ে তাঁর 'ভারতশিল্প' (১৯০৯), 'বাংলার ব্রত' (১৯১৯), বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী' (১৯২৯), 'ভারতশিল্পের ষড়ঙ্গ' (১৯৪৪) প্রভৃতি গ্রন্থ বিখ্যাত।
১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে এই মহান চিত্রশিল্পী ও সাহিত্যিক মারা যান।
খ)উৎস:
'অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া'গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
গ)বিষয়সংক্ষেপ:
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'নাটোরের কথা' রচনাংশে প্রাদেশিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে নাটোর যাত্রা ও সেখানকার সম্মেলনে বাংলা ভাষা প্রচলনের বর্ণনা দিয়েছেন। সেই সম্মেলনের 'রিসেপশন কমিটির সভাপতি ছিলেন নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ। তাঁর আহ্বানে রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুরবাড়ির অন্যান্য তরুণ সদস্যরা নাটোরে গিয়েছিলেন। বহু বিশিষ্ট নেতা,জাতীয় কংগ্রেসের মুখ্য ব্যক্তিবর্গ-জানকীনাথ ঘোষাল,উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,লেখকের মেজো জ্যাঠামশায় সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, লালমোহন ঘোষ, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সেই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
লেখক ভেবেছিলেন,নাটোরে যাওয়া আসা একটা হাঙ্গামার বিষয় হবে। কিন্তু লেখকদের নাটোরযাত্রার যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য নাটোরের রাজা বিপুল অতিথিসেবা ও আপ্যায়নের বন্দোবস্ত করেছিলেন। সবাই চোগাচাপকান পরে স্পেশাল ট্রেনে হইহই করতে করতে সারাঘাট পৌঁছে পদ্মায় স্টিমারে চড়লেন। স্টিমারের অসামান্য খাওয়া দাওয়ার এক বিবরণ লেখক এখানে তুলে ধরেছেন।
নাটোরে পৌঁছে মহারাজের আতিথেয়তার দুর্দান্ত ব্যবস্থাপনা, আয়োজনের রাজকীয়তা আর অতুলনীয় অভ্যর্থনা দেখে লেখকরা অবাক হয়ে গেলেন। খাওয়াদাওয়া,গল্পগুজব,গানবাজনা আর ঘোরাঘুরিতে তাঁদের নাটোর বাসের অভিজ্ঞতা অনন্য হয়ে উঠল। নাটোর রাজের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে লেখক নাটোরের গ্রাম, পুরোনো বাড়ি-ঘর-মন্দির,রানি ভবানীর কক্ষ ইত্যাদি দেখলেন আর সঙ্গে সঙ্গে স্কেচও করতে লাগলেন। ছবি আঁকার ব্যাপারে মহারাজাকেও অত্যন্ত আগ্রহী দেখাল। তিনি নিজেও অনেক ছবি এঁকে দেওয়ার আর্জি জানালেন। সঙ্গে চলল খাওয়াদাওয়া নিয়ে একেকজনের অদ্ভুত খেয়াল আর সঙ্গে সঙ্গে মহারাজের আদেশে সেই ইচ্ছাপূরণ গোল টেবিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করলেন লেখকের মেজো জ্যাঠামশাই। লেখকের পিসেমশাই জানকীনাথ ঘোষাল রিপোর্ট লেখার সময় বারবার কলম ঝাড়তে থাকায় কালির ছিটে লেগে নাটোরের ছোটো রাজার সুন্দর পোশাক নষ্ট হয়ে গেল।রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর অনুগামীদের সম্মতিক্রমে প্রাদেশিক সম্মেলন বাংলা ভাষায় আয়োজন করার প্রস্তাব জানানো হয়। ঠাকুরবাড়ির অন্যান্য তরুণরাও এতে সমস্বরে সম্মতি জানান। সভার বক্তারা দু-দলে ভাগ হয়ে গেলেন। অনেক মতবিরোধের পরে ঠিক হয় যে,একদল বলবেন বাংলায়, একদল ইংরেজিতে।কনফারেন্স শুরু হল সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার বাংলা' গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।প্রেসিডেন্ট বক্তৃতা দিতে উঠে ইংরেজিতে বলতে গিয়ে চরম প্রতিরোধের মুখে পড়লেন। তরুণদের চেঁচামেচিতে শেষপর্যন্ত কেউই আর ইংরেজিতে বলতে পারলেন না। কিন্তু লালমোহন ঘোষের মতো ইংরেজিদুরস্ত লোকও বাংলায় সুন্দর বক্তৃতা দেওয়ায় লেখকদের তরুণ দলের জয়জয়কার হল।জনতার সামনে সেই প্রথম তাঁদের বাংলা ভাষার জন্য লড়াই এবং তা বিপুলভাবে অভিনন্দিতও হল।এই ঘটনার পর সকলে মিলে চায়ের কাপে চুমুক দিলেন।
ঘ)নামকরণ:
সাহিত্যের যে-কোনো শাখার ক্ষেত্রেই নামকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নামের মাধ্যমেই রচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে পাঠক আগাম ধারণা করতে পারেন। পাঠ্য ‘নাটোরের কথা' রচনাংশে স্বদেশি যুগের সময়কালে নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের আমন্ত্রণে ঠাকুরবাড়ির সদস্যদের নাটোর যাত্রার বিবরণ লেখা রয়েছে। প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষ্যে তাঁদের সেই নাটোর যাত্রায় লেখক অবনীন্দ্রনাথও শামিল হয়েছিলেন। আরও ছিলেন ন্যাশনাল কংগ্রেসের বহু কর্তাব্যক্তি যেমন—জানকীনাথ ঘোষাল, ডব্লিউ সি বোনার্জি, লালমোহন ঘোষ, সুরেন্দ্র বাঁড়ুজ্জে প্রমুখ। পাঠ্যাংশে তাঁদের বিশেষ ট্রেন ও স্টিমারযোগে নাটোরে পৌঁছোনো, নাটোরের রাজবাড়িতে পরম আতিথেয়তা লাভের কথাও উঠে এসেছে। আবার জগদিন্দ্রনাথের সঙ্গে লেখকের নাটোর সুন্দর ও মজাদার বর্ণনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সে বাংলা ভাষা চালু করার পক্ষে ঠাকুর পরিবারের যুবক সদস্যদের সমবেত লড়াইয়ের বিস্তৃত চিত্রও এই রচনাংশে বর্ণিত হয়েছে।তাই রচনাংশটির 'নাটোরের কথা' যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।
ঙ) হাতেকলমে সমাধান
১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।
১.১)অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর:অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা দুটি বইয়ের নাম 'রাজকাহিনী' এবং 'ক্ষীরের পুতুল'।
১.২) তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কোন সম্পর্কে সম্পর্কিত?
উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাকা হতেন।
২)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।
২.১) 'আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প ।'- লেখকের অনুসরণে সেইগল্প'টি নিজের ভাষায় বিবৃত করো ।
উত্তর:অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে ‘নাটোরের কথা' গদ্যাংশটি নেওয়া হয়েছে। আলোচ্য অংশে,স্বদেশি যুগের সময়কালে,
ভূমিকম্পের বছরে নাটোরে প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স হয়েছিল। নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ ছিলেন রিসেপশন কমিটির প্রেসিডেন্ট। রবীন্দ্রনাথ-সহ ঠাকুর পরিবারের প্রায় সকলেই সেই কনফারেন্সে নিমন্ত্রিত ছিলেন। নাটোরে উপস্থিত হয়ে নাটোর মহারাজের আতিথেয়তায় সকলেই মুগ্ধ হন।
*কনফারেন্সের ভাষা:
কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রস্তাব করলেন যে,ভাষণ হবে বাংলা ভাষায়। উপস্থিত তরুণরা সেই ভাষণে সমর্থন করল। অনুষ্ঠানের প্রধানদের আপত্তি থাকলে দুটি দলে বিভক্ত হয়। ঠিক হল একদল বলবে বাংলাতে, অনাদল ইংরেজিতে। প্যান্ডেলে অনুষ্ঠান শুরু হতেই রবীন্দ্রনাথ বাংলায় গান গাইলেন। এরপর প্রেসিডেন্ট বক্তব্য রাখার সময় ইংরেজি বলতে শুরু করতেই তরুণরা 'বাংলা, বাংলা' বলে সমস্বরে চিৎকার করে উঠল। শুধু প্রেসিডেন্ট নন, কোনো বক্তাই আর ইংরেজিতে ভালোভাবে বক্তৃতা দিতে পারলেন না। কিন্তু লালমোহন ঘোষ ইংরেজিদুরস্ত হওয়া সত্ত্বেও সুন্দরভাবে বাংলায় বক্তৃতা দিলেন।
২.২) লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী তখন কার নাটোরের মহারাজার নাম কীছিল ?
উত্তর:লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ণনা অনুযায়ী, তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম ছিল-
জগদিন্দ্রনাথ ।
২.৩)তিনি কোন 'রিসেপশন কমিটি'র প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
উত্তর:নাটোরের রাজা জগদিন্দ্রনাথ নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক সম্মেলনে 'রিসেপশন কমিটি'র প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
২.৪) নাটোর নেমন্তন্ন করলেন'- সেই নেমন্তন্নের তালিকায় কাদের নামছিল বলে লেখক স্মরণ করতে পেরেছেন ?
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
*আলোচ্য অংশে,মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ রায়কে 'নাটোর' নামে উল্লেখ করেছেন। স্বদেশি যুগের সময়কালে,ভূমিকম্পের বছরে অর্থাৎ ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে নাটোরে একটি প্রাদেশিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়,সেখানে আমন্ত্রিত লেখক তাঁর বাড়ির ছেলেদের কথা, দীপুদা অর্থাৎ দ্বীপেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রবিকাকা অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অনেক নেতা ও ন্যাশনাল কংগ্রেসের কথা স্মরণ করতে পেরেছিলেন। এ ছাড়াও সেই তালিকায় পিসেমশাই জানকীনাথ ঘোষাল, ডব্লিউ সি বোনার্জি, মেজো জ্যাঠামশায় সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, লালমোহন ঘোষ, সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিও ছিলেন।
২.৫)' রওনা হলুম সবাই মিলে হৈহৈ করতে করতে'- কোথায় রওনা হলেন? কীভাবেই বা রওনা হলেন ?
উত্তর:লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে'লেখক ও ঠাকুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যরা নাটোরের প্রাদেশিক সম্মেলনে যোগ দিতেরওনা হলেন।
**রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ ঠাকুরবাড়ির অন্যান্য তরুণকে নাটোরের প্রাদেশিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন স্বয়ং নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ। লেখক যাতায়াতের হাঙ্গামার কথা প্রকাশ করতে মহারাজাই তাঁদের আশ্বস্ত করলেন। বললেন, “কিছু ভাবতে হবে না দাদা।” অতিথিদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ ট্রেনের বন্দোবস্ত হল। সেই ট্রেনে চেপেই তাঁরা নাটোর অভিমুখে রওনা হলেন।
২.৬)সারাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা কোন নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন?
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে, লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর সঙ্গীরা সারাঘাট থেকে পদ্মা নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন।
২.৭)স্টিমারে খাওয়াদাওয়ার প্রসঙ্গ আলোচনায় লেখকের সরস মনের পরিচয় কীভাবে দেদীপ্যমান হয়ে উঠেছে তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নাটোরের কথা' শীর্ষক গদ্যাংশে লেখকদের পদ্মার বুকে স্টিমারে করে নাটোর যাত্রার সময়কালে ডেকের ওপর খাওয়াদাওয়ার এক মজাদার বর্ণনা রয়েছে। নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের ব্যবস্থাপনায় সেই স্টিমারের ভোজসভায় লেখকরা অনেকে মিলে এক লম্বা টেবিলে খেতে বসেছিলেন।টেবিলের একদিকে বসেছিলেন হোমরা চোমরা ব্যক্তিরা,আর অন্যদিকে যুবকরা। দীপুদা বসেছিলেন লেখকের পাশে। খাওয়া শুরু হওয়ার পর লেখকরা সকলে লক্ষ করলেন,বয়রা খাবার নিয়ে কর্তাব্যক্তির ওদিকে চলে যাচ্ছে,ওদিকে খাবার দিয়ে তারপর তাদের দিকে আসছে খাদ্যের ভাঁড়ারে মাঝখানে বসে থাকা একজন কর্তাব্যক্তির কাছে প্রতিবার খাবারের ভিশ এসে পৌঁছোলেই তা প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। কাটলেট এলে তিনি একবারেই ছ-সাতখানা করে কাটলেট তুলে নিচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই, লেখকদের কাছে খাবারের ডিশ এলে সেখানে বিশেষ কিছুই আর পড়ে থাকছে না। লেখকরা ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলতেও পারছেন না।এরই মধ্যে যখন পুডিং এল, দীপুদা লেখককে বললেন যে এবারে পুডিং এসেছে, বেশ করে খাওয়া যাবে। পুডিং হাতে বয় টেবিলের একপাশ থেকে ঘুরে সেই মানুষটির কাছে পৌঁছোতেই তিনি অর্ধেকের বেশি পুডিং প্লেটে তুলে নিলেন। লেখক আর দীপুদা পরস্পরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে লাগলেন খাবারটা যাতে আগে লেখকদের দিকেই আনা হয়, বয়কে এমন ইঙ্গিত করায় দেখা গেল একসঙ্গে দু-প্লেট করে খাবার এল। একজন বয় ওদিকে খাবার দিতে গেল আর একজন লেখকদের দিকে খাবার দিতে লাগল।
লেখক ভদ্রলোকের খাওয়াকে 'জাইগ্যানটিক' আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন অমন খাওয়া তাঁরা কেউ কখনও দেখেননি।ওইরকম খাওয়া খেয়েই ভদ্রলোক যে তাঁর শরীরকে বেশ রেখেছিলেন, সেই তথ্যটুকুও লেখক হাসির ছলে উল্লেখ করতে ভোলেননি।
২.৮)'যেন ইন্দ্রপুরী।'-কীসের সঙ্গে ইন্দ্রপুরী'র তুলনা করা হয়েছে ?কেনই বা লেখক এমন তুলনাকরেছেন?
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে,নাটোরের মহারাজের বাড়ি এবং বৈঠকখানা দেখে লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেটিকে ইন্দ্রপুরী'র সঙ্গে তুলনা করেছেন।
*ইন্দ্রপুরী' হল দেবরাজ ইন্দ্রের আবাসস্থল।বিলাসে, সম্পদে অতুলনীয় সেই স্থান। এই অর্থেই লেখক নাটোরের মহারাজার সুসজ্জিত বাড়ি-বৈঠকখানার সঙ্গে ইন্দ্রপুরীর তুলনা করেছেন।সেই প্রাসাদের ঝাড়লণ্ঠন,ভালো ভালো দামি ফুলদানি- এসবই লেখকের কাছে অতুলনীয় বলে মনে হয়েছে। এর সঙ্গে মহারাজার আন্তরিকতা, আদরযত্ন, যুক্ত হয়ে লেখকের নাটোর বাসকে এক অন্য মাত্রা এনে দেয়।
২.৯)'একেই বলে রাজসমাদর।'-উদ্ধৃতিটির আলোকে নাটোরের মহারাজার অতিথি বাৎসল্যের পরিচয় দাও।
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে,নাটোরের মহারাজার বাড়িতে যে অভ্যর্থনা ও সমাদর লেখক এবং তাঁর সঙ্গীরা পেয়েছিলেন, তাকেই এখানে 'রাজসমাদর' আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
*ঠাকুরবাড়ির সকলকে নাটোররাজ প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষ্যে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তার জন্য বিশেষ ট্রেন এবং স্টিমারের বন্দোবস্ত থেকে শুরু করে, স্টিমারে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা, তাঁরা নাটোরে পৌঁছোনোর পর আন্তরিক আদরযত্ন, বিপুল সমারোহে, অভ্যর্থনায় লেখকরা সকলে অভিভূত হয়ে পড়েন। অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ সব কিছুই সকলের হাতের কাছে ধুতি-চাদর সমস্ত গোছানো, ব্যবহারের জন্য তৈরি। চাওয়ার আগেই ভৃত্যেরা প্রয়োজনীয় সব কিছু হাতের কাছে এনে উপস্থিত করে।এই বিপুল অভ্যর্থনা ও অতিথি বাৎসল্যকে লেখক রাজসমাদর' আখ্যা দিয়েছেন।
২.১০)'নাটোরেরও খুব আগ্রহ'-কোন্ প্রসঙ্গে তাঁর আগ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে,লেখক অবনীন্দ্রনাথের স্কেচের ব্যাপারে নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের বিশেষ আগ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে।
*প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষ্যে আমন্ত্রিত হয়ে নাটোরে গিয়ে লেখক অবনীন্দ্রনাথ নাটোরের গ্রাম ঘুরে দেখতে থাকেন। পুরোনো বাড়িঘর-মন্দির দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্কেচও করে নিচ্ছিলেন। সেই স্কেচগুলি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ রচনার সময়েও তাঁর কাছে ছিল। নাটোরের মহারাজা অবনীন্দ্রনাথের স্কেচ সম্পর্কে বিশেষ আগ্রহী হয়েছিলেন। খুব যত্ন করে তিনি লেখককে অন্দরমহলে রানি ভবানীর ঘরে নিয়ে যান। সেখানে ইটের ওপরে অপূর্ব সব কারুকাজ শিল্পী অবনীন্দ্রনাথের নজরে আসে। তাঁর রাজত্বে যেখানে যা দেখার জিনিস, নাটোররাজ ঘুরে ঘুরে সমস্তই লেখককে দেখান। শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ সব জিনিসের স্কেচ করতে থাকায় নাটোররাজ অত্যন্ত খুশি হন এবং প্রায়ই বিভিন্ন জিনিসের স্কেচ করে দেওয়ার জন্য ফরমাশ করতে থাকেন।
২.১১) 'আগে থেকেই ঠিক ছিল '- আগে থেকে কী ঠিক থাকার কথা বলাহয়েছে ?সেই উপলক্ষ্যে কোন্ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা পাঠ্যাংশে রয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে, স্বদেশি যুগের সময় নাটোরে আয়োজিত প্রাদেশিক সম্মেলনের সব কাজকর্ম বাংলা ভাষায় করার প্রস্তাব আগে থেকে ঠিক থাকার কথা বোঝানো হয়েছে।
** নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ ছিলেন সেই সময় প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সের রিসেপশন কমিটির প্রেসিডেন্ট। তাঁরই আমন্ত্রণে কংগ্রেসের কর্তাব্যক্তি নেতারা, রবীন্দ্রনাথ এবং ঠাকুরবাড়ির অন্য তরুণরা নাটোরে গিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ প্রস্তাব করেন যে ‘প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স' বাংলা ভাষায় হোক। ঠাকুর পরিবারের যুবকরা সকলে মিলে সেই প্রস্তাব সমর্থন করে। তখন কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে মতের বিরোধ বাধলে দুটি দল তৈরি হয়ে যায়। অনেক তর্কাতর্কির পর ঠিক হয় একদল বলবেন বাংলায়, আর এক দল বলবেন ইংরেজিতে। যদিও শেষপর্যন্ত বাংলাতেই সকলে বক্তৃতা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
২.১২)নাটোরে প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন্ গানটি পরিবেশন করেছিলেন?
উত্তর: লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত 'নাটোরের কথা' রচনাংশটি 'ঘরোয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
আলোচ্য অংশে, নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সে, লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর যতটুকু মনে করতে পেরেছেন, রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার বাংলা' গানটি গাওয়া হয়েছিল। গানটির প্রথম লাইনটি হল— “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।”
চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১) নাটোরের কথা রচনাটি কার?-
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ)দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ)শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
উত্তর:(ঘ) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২) প্রভিন্সিয়াল কনফারেন্স হবে-
ক) নাটোরে
খ)খুলনায়
গ)সিঙ্গাপুরে
ঘ) ঢাকায়
উত্তর:(ক) নাটোরে
৩) রিসেপশন কমিটির প্রেসিডেন ছিলেন- ক)লালমোহন ঘোষ
খ) জানকীনাথ
গ) জগদিন্দ্রনাথ
ঘ)অবনীন্দ্রনাথ
উত্তর:(গ) জগদিন্দ্রনাথ
৪) নাটোরের প্রিন্সিয়াল কনফারেন্সে লেখকরা- ক)বাংলা
খ)হিন্দি
গ) ইংরেজি ভাষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন ঘ)উর্দু
উত্তর:(ক)বাংলা
৫) 'রবিকাকুকে বললুম ছেড়ো না'- কিসের জন্য না ছাড়ার কথা বলা হয়েছে?
ক)খাবারের জন্য
খ) গানের জন্য
গ) বাংলার জন্য
ঘ) হিন্দির জন্য
উত্তর:(গ) বাংলার জন্য
৬)'পার্লামেন্টারি বক্তা ছিলেন'- তিনি পার্লামেন্টারি বক্তা ছিলেন-
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ)অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) লালমোহন ঘোষ
ঘ) জানকীনাথ ঘোষাল
উত্তর:(গ) লালমোহন ঘোষ
৭) নাটোররাজের বাড়ি ও বৈঠকখানার সজ্জাকে লেখক কিসের সাথে তুলনা করেছেন-
ক)পাতালপুরি
খ) যক্ষপুরী
গ)ইন্দ্রপুরী
ঘ)যমপুরী
উত্তর:(গ)ইন্দ্রপুরী
৮) সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন একেবারে অন্দরমহলে- ক)রানী ভবানীর ঘরে
খ) রানী লক্ষ্মীপতির ঘরে
গ) রানী পদ্মাবতীর ঘরে
ঘ) রানী চন্দ্রবতীর ঘরে
উত্তর:(ক)রানী ভবানীর ঘরে
ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
১)'আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প'-কোন সময়ের গল্পের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে স্বদেশি যুগের সময়কার,ভূমিকম্পের বছরের একটি গল্পের কথা বলা হয়েছে।
২)'ভূমিকম্পের বছর সেটা।'-সে বছর প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল ?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,বছরে প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল নাটোরে।
৩)'নাটোরের কথা' গদ্যাংশে ‘নাটোর' কে?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,নাটোর' হলেন নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ।
৪)আমরা তাঁকে শুধু 'নাটোর' বলেই সম্ভাষণ করতুম।'-কে,কাকে 'নাটোর' বলে সম্ভাষণ করার কথা বলেছেন?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর জানিয়েছেন যে, তিনি ও তাঁর দলের অন্যান্যরা নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথকে 'নাটোর' বলে সম্ভাষণ করতেন।
৫)প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স কোথায় হয়েছিল এবং তার প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,প্রভিন্শিয়াল কনফারেন্স হওয়ার কথা ছিল নাটোরে এবং তার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ।
৬)'অবনদা’ কে?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ রায় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘অবনদা’ বলে ডাকতেন।
৭)'রওনা হলুম সবাই মিলে হৈ হৈ করতে করতে।'-কোথায় রওনা হলেন?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সহ আরও অনেকে মিলে প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সে যোগ দিতে ট্রেনে করে নাটোরের দিকে রওনা হলেন।
৮)নাটোরে পৌঁছে কোন্ পোশাক পরবেন বলে লেখক সঙ্গে নিয়েছিলেন?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,নাটোরে পৌঁছে ধুতি-পাঞ্জাবি পরবেন বলে লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর তা সঙ্গে নিয়েছিলেন।
৯)নাটোর বললেন,কোথায় স্নান করবেন অবনদা, পুকুরে ?'-এর উত্তরে ‘অবনদা' কী বলেছিলেন?
উত্তর:অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,‘অবনদা’ অর্থাৎ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাটোরের রাজা জগদিন্দ্রনাথের এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন যে, তিনি সাঁতার জানেন না, কাজেই পুকুরে স্নান করা বিপজ্জনক হতে পারে। তার উপর জল খুব ঠান্ডা তাই তিনি ঘরেই স্নান করবেন।
১০)নাটোরে আয়োজিত প্রভিন্শিয়াল কনফারেন্স কে প্রিসাইড করবেন বলে ঠিক হয়?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,নাটোরে আয়োজিত প্রভিনশিয়াল কনফারেন্স লেখকের মেজো জ্যাঠামশাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রিসাইড করবেন বলে স্থির
হয়।
১১)নাটোরের ছোটো তরফের রাজার সাজপোশাক কেমন ছিল?
উত্তর: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত'নাটোরের কথা' রচনাতে,নাটোরের ছোটো তরফের রাজার মাথায় ছিল জরির কাজ করা তাজ আর পরনে ছিল ঢাকাই মসলিনের চাপকান।
আরো পড়ুন:
বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here
দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here
স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
শিকল-পরার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
হওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
the wind cap lesson 1 part 1 Click Here
the wind cap lesson 1 part 2 Click Here
the wind cap lesson 1 part 3 Click Here
Clouds Lesson 2 part 1 Click Here
Clouds Lesson 2 part 2 click Here
একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here
কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here
ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here
টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here
লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here
Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here
Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here
Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here
চা পানের উপকারিতা click Here
ভেষজ উদ্ভিদ click here
সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here
আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here
সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here
বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
0 Comments