গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর।গড়াই নদীর তীরে কবিতার সারাংশ।

 

গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর।গড়াই নদীর তীরে কবিতার সারাংশ।



সূচিপত্র:

ক) কবি পরিচিতি 

খ) উৎস

গ) বিষয়সংক্ষেপ 

ঘ) নামকরন

ঙ) হাতেকলমে সমাধান 

চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)

ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 


ক)কবি পরিচিতি:

 কবি জসীমউদ্দীন ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অম্বিকাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৌলবি আনসারউদ্দীন আহমেদ ছিলেন পেশায় শিক্ষক। মা ছিলেন আমিনা খাতুন। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি তাঁর অন্যতম স্মরণীয় কবিতা 'কবর' রচনা করেন। 'কল্লোল' পত্রিকায় এই কবিতা প্রকাশিত হয়। কবির উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল হল-'নক্সীকাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট,বালুচর,ধানক্ষেত,রাখালী' প্রভৃতি। 'বেদের মেয়ে' গীতিনাট্য,চলে মুসাফির'- ভ্রমণকাহিনি উল্লেখযোগ্য রচনা। জসীমউদ্দীন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধিতে সম্মানিত হন। বাংলাদেশ সরকার তাঁকে 'একুশে পদক' দ্বারা সম্মানিত করেন। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ মার্চ তিনি মারা যান।


খ)উৎস:

কবি জসীমউদ্দীনের রচিত‘গড়াই নদীর তীরে'কবিতাটি 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


গ)সারসংক্ষেপ:

জসীমউদ্দীন রচিত ‘গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় একটি গ্রামের নদীতীরের দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত কুটিরটিকে ঘিরে রয়েছে গাছের লতাপাতায়। কবির মনে হয়েছে, মাচানের উপর সিম, লাউ আর কুমড়ো গাছ তাদের ফুলগুলিকে আড়াআড়িভাবে সাজিয়ে রেখেছে। সেই কুটিরের শোভা বাড়িয়ে তোলার জন্যই যেন তারা ফুলগুলিকে সাজিয়ে রেখেছে।কুটিরের সামনের জমিতে লাল নটে শাক সারিবদ্ধভাবে রঙের ঢেউ ছড়িয়ে দিয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে, সেই কুটিরেরই কোনো বধু যেন তার লাল শাড়িটিকে রোদে বিছিয়ে দিয়েছেন। আশেপাশের ডোবা থেকে মেয়ে-ডাহুক পাখিরাও বিচিত্র স্বরে গান গেয়ে কুটিরের সামনে ঘুরে বেড়ায়। তাদের চলাফেরা দেখে মনে হয় কুটিরে মানুষের থাকার কথা তারা যেন টের পায়নি। কুটিরের বাইরে রোদে শুকোতে দেওয়া হয়েছে মটরের ডাল,মসুরের ডাল,কালোজিরে,ধনে,লংকা, মরিচ ইত্যাদি।এর মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে সুখী গৃহস্থালির চিত্র।কবির মনে হয়েছে সেখানে যেন বিচিত্র রং দিয়ে অপূর্ব আলপনা আঁকা হয়েছে। কবি কল্পনা করেছেন,সন্ধ্যা-সকালের রঙিন মেঘেরাও আকাশে ভেসে বেড়ানোর সময়ে এই কুটিরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে থমকে দাঁড়ায়।কবি গ্রামবাংলার প্রকৃতির নানান উপকরণের মধ্যেই লক্ষ করেছেন রঙের সমারোহ । তাঁর মনে হয় সেই রঙে মিশে আছে ভালোবাসার ছোঁয়া।


ঘ) নামকরণ:

যে কোনো সাহিত্যসৃষ্টির ক্ষেত্রেই নামকরণের একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আছে। আলোচ্য কবিতায় বঙ্গদেশের পল্লিপ্রকৃতির এক অতুলনীয় চিত্র ফুটে উঠেছে। গড়াই নদীর পাড়ে লতা-পাতা-ফুলের ছায়ায় ঢাকা কুটিরের সৌন্দর্য কবি দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন। উঠানের কোণে বুনো ফুল, মাচানের উপর সিম,লাউ ও কুমড়োর ঝাড়, লাল নটে শাকের রঙের ঢেউ,কুটিরটির সৌন্দর্য যেন আরও বাড়িয়ে তুলছে। আশপাশের এঁদো ডোবা থেকে মেয়ে ডাহুক পাখিরা তাদের ছানাদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে বেড়াতে আসে, গাছের ডালে পাখিরা নির্ভয়ে গান গায়। এইসব ছবির মধ্য দিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব সুন্দর রূপটিই ফুটে উঠেছে। কবির মনে হয়েছে, সকাল-সন্ধ্যা আকাশের মেঘ যেন নদীতীরের এই কুটিরটিকে ভালোবেসেই তাদের চলার পথে কিছুক্ষণ থেমে থাকে। গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত কোনো-এক গ্রামের একটি শান্ত,সুন্দর কুটিরের পরিচয় দিতে সেই বয়ে-চলা নদীকেই  গুরুত্ব দিয়েছেন। এর কারণ হল কবির প্রিয় প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হল এই নদীটি। তাই‌ কবিতাটির নামকরণ সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।


ঙ) হাতেকলমে সমাধান: 

১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

১.১)কবি জসীমউদ্দীন কোন অভিধায় অভিহিত?

উত্তর: কবি জসীমউদ্দীন ‘পল্লিকবি' অভিধায় অভিহিত।


১.২)তাঁর লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর:কবি জসীমউদ্দীনের লেখা উল্লেখযোগ্য দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম হল 'নক্সীকাঁথার মাঠ' এবং 'রাখালী'।



২)একটি বাক্যে উত্তর দাও।

২.১)কবিতায় বর্ণিত নদীটির নাম কী?

উত্তর: 'গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় বর্ণিত নদীটির নাম গড়াই।


২.২)মাচানের ওপরে কী আছে?

উত্তর: মাচানের ওপরে সিম-লতা ও লাউ-কুমড়ার ঝাড় আছে।


২.৩)মানুষের বসত করার কথা এখানে কারা বোঝেনি?

উত্তর: গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় এখানে গাছের ডালে বসে গান করা বনের পাখিরা মানুষের বসত করার কথা বোঝেনি।


২.৪) উঠানেতে কী কী শুকোচ্ছে?

উত্তর: উঠানেতে মটরের ডাল, মসুরের ডাল, কালোজিরে, ধনে, লংকা ও মরিচ শুকোচ্ছে।


২.৫)বাড়িটিকে ভালোবেসে কারা বেড়াতে এলে কিছুক্ষণ থেমে রয়?

উত্তর: সন্ধ্যা-সকালের রঙিন মেঘেরা বেড়াতে এলে বাড়িটিকে ভালোবেসে কিছুক্ষণ থেমে থাকে।


৩)নীচের প্রশ্নগুলির কয়েকটি বাক্যে উত্তর দাও।

৩.১)কুটিরখানিরে লতাপাতা ফুল মায়ায় রয়েছে ঘিরে”-এখানে কুটিরটিকে লতাপাতা-ফুলের মায়া দিয়ে ঘিরে রাখা বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?


উত্তর:জসীমউদ্দীন আলোচ্য পদ্যাংশটিতে গড়াই নদীর পাশে অবস্থিত এক সুন্দর, ছায়া-সুশীতল পল্লিপ্রকৃতির ছবি এঁকেছেন। সেখানে একটি কুটিরকে ঘিরে রয়েছে লতাপাতা আর কতশত ফুল। মাচার ওপর রয়েছে সিম-লতা ও লাউ-কুমড়োর ঝাড়। উঠোনের কোণে ফুটে থাকা বুনো ফুলের দল আর লাল নটে শাকের আয়োজন সেই কুটিরটিকে অপরূপ করে তুলেছে। তাঁর মনে হয়েছে, গাছপালা, বুনো ফুল, লতাপাতা—এ সবই যেন পরম মমতায় কুটিরটিকে ঘিরে রেখেছে।


 ৩.২)'ডাহুক মেয়েরা বেড়াইতে আসে গানে গানে কথা কয়ে'-ডাহুক মেয়েকারা ? তারা কাদের নিয়ে আসে? তারা কীভাবে কথাবলে ?


 উত্তর:জসীমউদ্দীনের রচিত 'গড়াই নদীর তীরে' কবিতায়,‘ডাহুক মেয়ে' বলতে স্ত্রীডাহুক পাখির কথা বোঝানো হয়েছে।

*স্ত্রী-ডাহুক পাখিরা তাদের ছানাদের নিয়ে আসে।

*কবির মনে হয় পল্লিবাংলার এই নির্জন প্রকৃতির রাজ্যে, ডাহুকেরা নির্ভয়ে গান গেয়ে পরস্পরের সাথে কথা বলে।


৩.৩)'এক খানি সুখের কাহিনি নানান আখরে ভরি- আখর-শব্দটিরঅর্থ কী ? সুখের কাহিনির যে নানা ছবি কবি এঁকেছেন তারমধ্যে কোনটি তোমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে এবং কেন?


উত্তর:‘আখর' শব্দের অর্থ 'অক্ষর'।

*শান্তিপূর্ণ গ্রামজীবনের ছবি আঁকতে গিয়ে কবি যে সকল অনুষঙ্গ এনেছেন, তার মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে ডাহুক মা ও তার শিশুদের বর্ণনা। কুটিরের সামনের উঠোনে লাল নটে শাকের ঝাড় রঙের ঢেউ তুলেছে। সেখানে বাড়ির বধূর লাল শাড়ি রোদে শুকোচ্ছে। এমনই শান্ত পরিবেশে অন্য মাত্রা যোগ করেছে পাশের এঁদো ডোবা থেকে ছোটো ছোটো ছানাদের সঙ্গে নিয়ে ডাহুক মায়ের বেড়াতে আসা। শুধু ঘুরে না বেড়িয়ে গানে গানে নিজেদের মধ্যে কথাও বলে তারা। সুখের কাহিনির নানান ছবির মধ্য দিয়ে যেন কবিতায় প্রাণ সত্তার ঘটেছে বলে আমার মনে হয়েছে।


 ৩.৪)'কিছুখন যেন থামিয়া রয়েছে এ বাড়িরে ভালোবেসে'- রঙিন মেঘেরা বাড়িটিকে ভালোবেসে থেমে থাকে- এর মধ্যদিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?


উত্তর:কুটিরটির শান্ত, সুন্দর ও স্নিগ্ধ রূপ দেখে আকাশের বুকে ভেসে বেড়ানো রঙিন মেঘেদের কিছুক্ষণ থেমে থাকার কথা বলা হয়েছে। তারাও যেন থমকে দাঁড়ায় ভালোবেসে তাকিয়ে থাকে নদীতীরের এই ছায়াঘেরা কুটিরের দিকে। সকাল-সন্ধ্যায় আকাশের এই মেঘেদের রঙিন আভায় কুটিরটিও যেন রঙিন হয়ে ওঠে। প্রকৃতপক্ষে এখানে কুটিরটির প্রতি কবির মুগ্ধতা মেঘেদের ওপর আরোপিত হয়েছে।


৪) নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।


৪.১)'এ বাড়ির যত আনন্দ হাসি আঁকা জীবন্ত করি'-কবিতায় কবি প্রকৃতিরসঙ্গে একাত্ম যে গ্রামীণ কুটিরের জীবন্তছবি এঁকেছেন তার বিবরণ দাও।


উত্তর: জসীমউদ্দীন রচিত ‘গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় নদীতীরের কুটিরটি প্রকৃতির মমতায় ও অসীম স্নেহে লালিত। জীবনের সব চাঞ্চল্য, অস্থিরতা, দ্বন্দ্ব এখানে যেন থেমে গেছে। বুনো ফুলের উচ্ছাসে, সিম-লাউ-কুমড়ো ফুলের দোলায়, নটে শাকের লাল রঙের ঢেউয়ে দোলার মধ্য দিয়ে সেই কুটিরটি সহজেই সকলের চোখ টেনে নেয়। কুটিরের নির্জন উঠানে নোংরা ডোবা থেকে আসা মেয়ে ডাহুকেরা ছোটো ছোটো ছানা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। বনের পাখিরাও সেখানে মানুষের বসতির খোঁজ না রেখেই পরম আনন্দে গান শোনায়। উঠানের নরম রোদে মটর, মসুরের ডালের পাশে কালোজিরে, ধনে, লংকা, মরিচ যত্নে শুকোতে দেওয়া থাকে। লংকা, মটর, মসুর, জিরে, ধনে—এইসব বিচিত্র রঙের আলপনা কবিকে মুগ্ধ করে। কবির মনে হয়েছে আকাশের মেঘও তার চলার পথে দু-চোখ ভরে এই আশ্চর্য-সুন্দর দৃশ্য দেখার জন্য থমকে দাঁড়ায়। প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম গ্রামীণ কুটিরের জীবন্ত হয়ে ওঠার ছবি এইভাবেই ফুটে উঠেছে কবিতায়।


৪.২) ‘গড়াই নদীর তীরে’কবিতায় কবি পরম মমতায় গ্রামীণ কুটিরের ছবি এঁকেছেন। আমাদের প্রত্যেকেরই নিজের বাড়ির সঙ্গে এমন একটি মমতাময় সম্পর্ক আছে। তুমি তোমার বাড়ির বিভিন্ন অনুষঙ্গের বিবরণ দিয়ে একটি অনুচ্ছেদ লেখো।


উত্তর:গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় কবি পরম মমতায় গ্রামীণ কুটিরের ছবি এঁকেছেন। কুটিরটিকে ঘিরে থাকা গাছপালা, বুনো ফুল, নানান পাখি, ডোবায় থাকা ডাহুক পাখি কিংবা সেই কুটিরটির উঠোনের অপূর্ব ছবি যেন চোখের সামনে ফুটে ওঠে। কবিতাটি পড়তে পড়তে আমার নিজের বাড়ির কথা বারবার মনে পড়ে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত গ্রাম পরশমণি থেকে কলকাতায় চলে এসেছি কোন্ ছোটোবেলায়। তবু এখনও তার স্মৃতি আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে আছে। খড়ে ছাওয়া মাটির ছোটো কুটির, পাশেই গোরু-বাছুর থাকার গোয়াল ঘর। কুটিরের পাশে বড়ো মাঠ। সেই মাঠে বর্ষার জল-কাদায় দাপিয়ে ফুটবল খেলা, শীতের দুপুরে ক্রিকেট আর রাতে ব্যাডমিন্টন খেলা হত। মাঠের পাশে দিঘি, দিঘির পাড়ে অনেক খেজুর গাছ। বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে মাটির সরু রাস্তা। বাড়ি থেকে কিছু দূরে আমাদের পানের বরজ। কত পাখি দেখা যেত সেখানে। জানি না, আবার কখনও সেই গ্রামে ফিরে যেতে পারব কি না !


চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)


১) মাচানের পরে-

ক) সিমলতা

খ) তরুলতা

ঘ) রাংচিতা

ঘ) মাধবীলতা 

উত্তর:(ক) সিমলতা


২)'এখনো তাহারা বোঝেনি হেথায়

গ) মাধবীলতা বসত করে।'-

ক) বাঘ

খ) বানর

গ) মানুষ

ঘ) পাখি

উত্তর:(গ) মানুষ


৩)'রোদে দিয়ে গেছে এ বাড়ির বধূ কেউ'-এ বাড়ির বধু যা রোদে দিয়ে গেছে, তা হল-

ক) লাল গামছা

খ) হলুদ শাড়ি 

গ) নকশা পেড়ে শাড়ি

ঘ) লাল শাড়ি

উত্তর:(ঘ) লাল শাড়ি


৪)গড়াই নদীর তীরে' কবিতায় উঠোনের রোদে শুকোচ্ছে-

ক) জামাকাপড়

খ) ধান

গ) লংকা-মরিচ

ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর:(গ) লংকা-মরিচ


৫) “লংকা-মরিচ রোদে শুকাইছে---সযতনে-

ক) ডোবা হতে

খ) মাচানের পরে

গ) তল দিয়ে

ঘ) উঠানেতে

উত্তর:(ঘ) উঠানেতে


৬)'এ বাড়ির যত আনন্দ হাসি আঁকা--করি'-

ক)ডুবন্ত

খ) জীবন্ত

গ)ফুটন্ত

ঘ) উড়ন্ত [

উত্তর:(খ) জীবন্ত


ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 


১)গড়াই নদীর তীরে’কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর:‘গড়াই নদীর তীরে' কবিতাটি পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের লেখা।


২)‘গড়াই নদীর তীরে' কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত?

উত্তর:গড়াই নদীর তীরে' কবিতাটি পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত।


৩)কুটিরখানি কী দিয়ে ঘেরা আছে ?

উত্তর;কুটিরখানি লতাপাতা, ফুল ও মায়া দিয়ে ঘেরা আছে।


৪)'মাচানের পরে..'অর্থাৎ মাচার ওপরে কবি কী দেখেছেন?

উত্তর:মাচার ওপরে কবি সিমলতা আর লাউ-কুমড়োর ঝাড় দেখেছেন, যেগুলির ফুলগুলি আড়াআড়িভাবে ঝুলছে।


৫)বুনো ফুলগুলো কোথায় কী করে ?

উত্তর:বুনো ফুলগুলো উঠোনের কোণে হেসে কুটি কুটি হয়।


৬)“ডাহুক মেয়েরা বেড়াইতে আসে গানে গানে কথা কয়ে ” ডাহুক মেয়ে কারা?

উত্তর;ডাহুক মেয়ে বলতে এখানে সন্তান সহ মা ডাহুক পাখির দলকে বোঝানো হয়েছে।


৭)'আলপনা আঁকা কার !'-এই আলপনা দ্বারা কী চিত্রিত হয় বলে কবি মনে করেছেন?

উত্তর:এই আলপনা দ্বারা যেন একটি সুখের কাহিনি আঁকা হয় বলে কবি মনে করেছেন।


৮)বাড়িটিকে ভালোবেসে কারা বেড়াতে এলে কিছুক্ষণ থেমে রয় ?

উত্তর:সকাল-সন্ধের রঙিন মেঘেরা ভালোবেসে কিছুক্ষণ থেমে রয়।বেড়াতে এলে বাড়িটিকে।



আরো পড়ুন:

 বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here

বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here 

দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here 

স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

শিকল-পরার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 



the wind cap lesson 1 part 1 Click Here 

the wind cap lesson 1 part 2 Click Here

the wind cap lesson 1 part 3 Click Here


Clouds Lesson 2 part 1 Click Here

Clouds Lesson 2 part 2 click Here 


একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here

কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here 

গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here 

ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here


টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here

লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here 


Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here 

Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here 

Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here 


চা পানের উপকারিতা click Here 

ভেষজ উদ্ভিদ click here 

সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 

আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 


সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here 
ব্যঞ্জনধ্বনি প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর part-1 Click here 
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here 

শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায় উপসর্গ ও অনুসর্গ প্রশ্ন উত্তর Click here 

শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায় ধাতু ও প্রত্যয় প্রশ্ন উত্তর Click here 


মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here 

চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here 
অগ্ন্যাশয় এর প্রশ্ন উত্তর Click here 


মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

পদ কয় প্রকার ও কি কি Click here 
পদের দ্বিতীয় ভাগ- বিশেষণপদ Click here 



পদের পঞ্চম ভাগ ক্রিয়াপদ Click here 
































Post a Comment

0 Comments