দাঁড়াও কবিতার সারাংশ।দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর।


দাঁড়াও কবিতার সারাংশ।দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর।


সূচিপত্র:

ক) কবি পরিচিতি 

খ) উৎস

গ) বিষয়সংক্ষেপ 

ঘ) নামকরন

ঙ) হাতেকলমে সমাধান 

চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)

ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 



ক)কবি পরিচিতি:

বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বহড়ু গ্রামে তাঁর জন্ম হয়। ছোটো বেলাতেই তিনি বাবাকে হারান। তারপরে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতায় বাগবাজারের মামার বাড়িতেই তিনি বড়ো হন। তিনি পড়াশোনা করেন বহড়ু হাইস্কুল,মহারাজা কাশিমবাজার স্কুল,প্রেসিডেন্সি কলেজ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা'পত্রিকায় 'যম' নামের কবিতাটি লিখে তিনি সাহিত্য রসিকদের চোখে পড়েন। তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৫১।এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-এই তো মর্মরমূর্তি,জ্বলন্ত রুমাল, ছবি আঁকে ছিঁড়ে ফ্যালে,ও চিরপ্রণম্য অগ্নি,কোথাকার তরবারি কোথায় রেখেছে,কক্সবাজারে সন্ধ্যা,অঙ্গুরী তোর হিরণ্য জল,যেতে পারি কিন্তু যাবো,কুয়োতলার মতো উপন্যাসও তিনি লিখেছেন।এ ছাড়াও তাঁর অনুদিত-সম্পাদিত কবিতা ও গদ্যগ্রন্থের সংখ্যা একশোরও বেশি।তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার,আনন্দ পুরস্কার ও রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছেন।তিনি শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃষ্টিশীল সাহিত্যের অতিথি-অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। সেখানেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।


খ)উৎস: 

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের রচিত 'দাঁড়াও' কবিতাটি'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


গ)সারসংক্ষেপ:

মানুষের করুন আর্তি প্রত্যক্ষ করেছেন কবি। আধুনিক পৃথিবীতে ঘটে চলা হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের জন্য মানুষ এক চরম পরিস্থিতির মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে।সবলের হাতে দুর্বলের নিগ্রহ, অপমান ও অত্যাচারের দৃশ্য কবিকে ব্যথিত করে তুলেছে। 'মানুষ বড়ো কাদছে'-এই বাক্যাংশটির মধ্য দিয়ে কবি মনের যন্ত্রণাই প্রকাশিত হয়েছে। চারদিকে দেখা যাচ্ছে মৃত্যুর ভয়াবহ রূপ। মানুষের এই বিপদের দিনে,একলা হয়ে যাওয়া মানুষকে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন কবি।এই বিপর্যয়ের দিনে মানুষের মনুষ্যত্ববোধ ও মানবিক বোধের কাছে কবি আহ্বান জানিয়েছেন অসহায় মানুষের হাত ধরার জন্য। এইভাবে একে অন্যের পাশে দাঁড়ালে সকলের দুঃখ কিছুটা কম হবে। অসহায় মানুষ অবলম্বন পেলে আবার বেঁচে থাকার অর্থ খুঁজে পাবে। মানুষকেই মানুষের অবলম্বন হয়ে উঠতে হবে-এটিই হল 'দাঁড়াও' কবিতার মূল বক্তব্য।


ঘ)নামকরণ:

নামকরণের মাধ্যমেই স্রষ্টা তাঁর রচনা সম্পর্কে পাঠকদের এক আগাম ধারণা দিয়ে থাকেন। শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘দাঁড়াও’ কবিতাটির নামকরণও সেদিক দিয়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গভীর ইঙ্গিতবাহী।কবিতাটিতে একদিকে যেমন বলা হয়েছে মানুষের দুর্দশার কথা,তেমনই বলা হয়েছে মনুষ্যত্ব ও মানবিকতার অপমান এবং লাঞ্ছনার কথা। অন্যদিকে অত্যাচারিত ও ভেঙে-পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথাও আছে। কবি প্রার্থনা করেছেন সব দুঃখী ও একলা হয়ে যাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে। কবিতার মূল সুরই হল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। অসহায় মানুষকে দুর্দশা থেকে মুক্তির পথ দেখানোর কথাই বলা হয়েছে এই কবিতায়। 'দাঁড়াও' নামকরণের মাধ্যমে কবির মনের এই ইচ্ছাই প্রকাশিত হয়েছে।তাই নামকরণটি যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।


ঙ) হাতেকলমে সমাধান 

১)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।


১.১)শক্তি চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তর:শক্তি চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বহুভূ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


১.২) তাঁর লেখা একটি উপন্যাসের নাম লেখো।

উত্তর:শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি উপন্যাস হল 'কুয়োতলা'।


২)নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

২.১)“মতো' শব্দ ব্যবহার করা হয় কখন?তোমার যুক্তির পক্ষে দুটি উদাহরণ দাও।


উত্তর:কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা বোঝাতে বা সাদৃশ্য কল্পনা করতে 'মতো' শব্দটির ব্যবহার করা হয়। যেমন-ফুলের সৌন্দর্যের সঙ্গে শিশু বা কিশোরদের তুলনা করে বলা হয় 'ফুলের মতো শিশু'। কবিতায় বা গানে এই ধরনের তুলনা বেশি দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে আমরা সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'রানার' কবিতায় রানার আর হরিণের ছোটার তুলনা করে কবিকে লিখতে দেখি, “কেমন করে এ রানার মরেগে হরিণের মতো যায়।”


২.২)কবি পাখির মতো পাশে দাঁড়াতে বলছেন কেন?

উত্তর:পাখির উড়ে চলা এবং তার আচরণের মধ্যে আছে এক স্বাধীন সত্তার প্রকাশ। পাখির মধ্যে কোনো সংকীর্ণতা নেই। সহজসরল ছন্দেই তার জীবন কাটে। কবির অনুভব,পাখির মতোই স্বাধীন আর খোলামেলা মন নিয়ে মানুষকে সহজভাবে দাঁড়াতে হবে আর্ত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে।


২.৩) 'মানুষই ফাঁদ পাতছে'- কবি এ কথা কেন বলেছেন? 'মানুষ' শব্দের সঙ্গে 'ই'ধ্বনি যোগ করেছেনকেন তোমার কী মনে হয় ?


উত্তর:মনুষ্যত্ববোধ আর মানবিকতা হল মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্য হারিয়ে একদল মানুষ হয়ে ওঠে লোভী আর বর্বর। তারা ফাঁদ পেতে অন্য মানুষকে বিপদে ফেলতে চায়। অন্য কেউ নয়, একজন মানুষই আর একজন মানুষকে ধ্বংস করতে চাইছে।সেই কারণেই কবি এ কথাটি বলেছেন।


*আলোচ্য অংশে মানুষের প্রতি মানুষেরই বর্বরতার কথা জোর দিয়ে বোঝাতে 'ই' ধ্বনিটি যোগ করা হয়েছে।


২.৪)'তোমার মতো মনে পড়ছে'-এই পক্তির অন্তর্নিহিত অর্থ কী?

উত্তর:'দাঁড়াও' কবিতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় যে 'তুমি'র প্রসঙ্গ এনেছেন,তা কোনো বিশেষ ব্যক্তি নন। এই 'তুমি' আসলে মানবিকতা বোধসম্পন্ন মানুষ। বর্তমান পৃথিবীতে নিত্যদিন মানুষের প্রতি মানুষের হিংস্র আচরণ কবিকে পীড়িত করছে। তাই কবি চিরন্তন মানবিকতা ও মনুষ্যত্বকে মনে মনে কামনা করছেন এবং মানবিক গুণগুলির যাতে পুনর্জাগরণ ঘটে,তাই চেয়েছেন।


২.৫)'এসে দাঁড়াও ভেসে দাঁড়াও এবং ভালোবেসে দাঁড়াও'-এই পঙক্তিটির বিশেষত্ত্ব কোথায়?এই ধরনের দুটি বাক্য ভূমি তৈরি করো।


উত্তর:কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় রচিত 'দাঁড়াও' কবিতায় 'সে'ধ্বনিটির বারবার ব্যবহারে অলংকারের সৃষ্টি হয়েছে।পাশাপাশি এসে,ভেসে,ভালোবেসে' শব্দ গুলিতে 'সে' ধ্বনিটি তিনবার ব্যবহৃত হয়েছে। তা ছাড়া সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে 'দাঁড়াও' শব্দটি তিনবার ব্যবহৃত হয়ে এক ছন্দ মাধুর্যের সৃষ্টি করেছে।

**সৃষ্ট এইরকম দুটি বাক্য হল-

ক)এদেশে ভালোবেসে জাতিধর্মবর্ণনির্বিশেষে সকলে খ) ভালোকে চাই,মন্দকে চাই এবং তোমাকে চাই।


৩)'মানুষ বড়ো কাঁদছে'- কী কারণে কবি এই কথা

বলেছেন?

উত্তর:শক্তি চট্টোপাধ্যায় যে সময়ে দাঁড়াও' কবিতাটি লিখেছেন সে সময়টি গোটা পৃথিবীতে ছিল এক অশান্ত সময়।কবি মানুষকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে বলেছেন।বর্তমান পৃথিবীতে কিছু লোভী ও স্বার্থপর মানুষের চক্রান্তে সাধারণ মানুষের উপর নেমে এসেছে নিষ্ঠুর আঘাত । মানুষের হাতে মানুষের এই অত্যাচার,নিপীড়ন,ঞমৃত্যু দেখেই কবি বলে উঠেছেন,মানুষ বড়ো কাঁদছে'-উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটির মধ্যে মানুষের জীবনের চরম হতাশার ছবি ফুটে উঠেছে।


৪)'মানুষ বড়ো একলা,তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও'-এই পঙ্ক্তিটিকে তিনবার ব্যবহার করার কারণ কী হতে পারে বলে তোমার মনে হয়?


উত্তর:কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘দাঁড়াও' কবিতা থেকে গৃহীত আলোচ্য পঙ্ক্তিটিতে দুটি অংশ রয়েছে।


*প্রথমত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে মানুষের চরম দুর্দশার ছবি।পৃথিবীজুড়ে মনুষ্যত্বহীনতার ফলে মানুষ ক্রমশ একলা হয়ে যাওয়ার কথা এখানে রয়েছে। সেই ভয়ংকর পরিস্থিতিকে বোঝাতেই কবি বারবার এই পক্তিটি ব্যবহার করেছেন।


 * অন্যদিকে মানুষের অসহায়তা,নিঃসঙ্গতা যেন আধুনিক যুগে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তাই সে একলা।তার পাশে দাঁড়ানোই অন্য মানুষের কর্তব্য। কবিতাই আলোচ্য পক্তিটির মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতে বলেছেন।


৫)কবিতাটির নাম 'দাঁড়াও' কতটা সার্থক? কবিতাটির নাম মানুষ বড়ো কাঁদছে হতে পারে কি তোমার উত্তরের ক্ষেত্রে যুক্তি দাও।


উত্তর:শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের রচিত দাড়াও কবিতায় দুটি বক্তব্য পরপর উঠে আসে। কবি বিংশ শতাব্দী জুড়েই দেখেছেন মানবতার অবক্ষয় এবং মনুষ্যত্বের নির্মম পরাজয়। মানুষের হাতেই মানুষের অপমান, অত্যাচার, মৃত্যু।তিনি মানুষকে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন। অনুরোধ করেছেন মানবতাকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে ঠাই দিয়ে মানুষকে গ্লানিমুক্ত করতে। তাই এই নামকরণটি যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।


*আলোচ্য কবিতায়,কবি এখানে শেষ না করে আশাবাদের কথাও কবিতার মধ্য দিয়ে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তাই ‘মানুষ বড়ো কাঁদছে' নাম নয়, ‘দাঁড়াও' নামটিই এখানে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং উপযুক্ত।


৬)কবি কাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ করছেন বলে তোমার মনে হয় ?


উত্তর:শক্তি চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘দাঁড়াও’কবিতায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু তিনি কাকে এই অনুরোধ করেছেন তা স্পষ্ট নয়। কারণ 'তুমি' শব্দের আড়ালে কী আছে তা কবিতায় বলা নেই। তবে কবিতাটি বারবার পড়লে বোঝা যায় যে, মানুষের শুভবোধ, মানবিকতা, হারিয়ে যাওয়া মনুষ্যত্বকেই যেন 'তুমি' বলে সম্বোধন করেছেন কবি। মানুষ যে ক্রমে হিংস্র, স্বার্থপর এবং পাশবিক হয়ে উঠেছে তার বিপরীতেই এই ‘তুমি’ কে তিনি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।


চ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)


১)শক্তি চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?

ক) নদিয়ার ঘূর্ণি

খ) চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া

গ) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহুডু গ্রাম

 ঘ) পুরুলিয়ার বলরামপুর

উত্তর:(গ) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহুডু গ্রাম


 ২)শক্তি চট্টোপাধ্যায় মূলত-

ক) কবি

খ) নাট্যকার

গ)প্রাবন্ধিক

উত্তর:(ক) কবি


৩)দাঁড়াও' কবিতাটিতে কবি কার পাশে দাঁড়াতে বলেছেন?

ক) মানুষের

খ) বন্যের 

গ) ঈশ্বরের

ঘ) বন্ধুর

উত্তর:(ক) মানুষের


৪)দাঁড়াও' কবিতাটির রচয়িতা হলেন-

ক) শক্তি চট্টোপাধ্যায়

খ)সুভাষ মুখোপাধ্যায় 

গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ঘ) সমর সেন

উত্তর:(ক) শক্তি চট্টোপাধ্যায়


৫)শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হল-

ক) সোনার মাছি খুন করেছি

খ) রূপসী বাংলা

গ) যেতে পারি কিন্তু কেন যাব 

ঘ) হে প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

উত্তর:(ঘ) হে প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য


৬)‘দাঁড়াও' কবিতাটির উৎস কী?

ক) যেতে পারি কিন্তু কেন যাব

খ) হে প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

গ) শ্রেষ্ঠ কবিতা

ঘ) জ্বলন্ত রুমাল

উত্তর:(গ) শ্রেষ্ঠ কবিতা


৭)শক্তি চট্টোপাধ্যায় কোন পত্রিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন?-

ক) কৃত্তিবাস 

খ)নব কল্লোল

গ) উল্টোরথ

ঘ) প্রসাদ

উত্তর:(ক) কৃত্তিবাস 


ছ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) 


১)কবি কাদের ফাঁদ পাতার কথা বলেছেন?

উত্তর:শিকারি যেমন ফাঁদ পেতে পশুপাখি ধরে, স্বার্থপর,লোভী মানুষও তেমনই গোপনে চতুরতার সঙ্গে অন্য মানুষকে বিপদে ফেলতে চাইছে।


২)“মানুষ বড়ো কাঁদছে”–মানুষ কাঁদছে কেন ?

উত্তর:আধুনিক বিশ্বে জাতিগত দ্বন্দ্ব তথা অর্থনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে প্রতিনিয়ত মনুষ্যত্বের অপমান ঘটছে। সেই কারণে মানুষ কাঁদছে।


৩)'মানুষই ফাঁদ পাতছে।'-তাই কবি কীভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে বলেছেন?

উত্তর;পক্ষীমাতা যেমন পক্ষবিস্তার করে নিজের সন্তানকে বাইরের বিপদ থেকে রক্ষা করে, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষেরও উচিত সেভাবে অত্যাচারিত মানুষকে রক্ষা করা।


৪)দাঁড়াও' কবিতায় 'তোমাকে' কবির কখন কখন মনে পড়েছে?

উত্তর:'দাঁড়াও' কবিতায় 'তোমাকে'কবির সকাল-সন্ধে

ও রাতের বেলা মনে পড়ছে।


৪)মানুষ বড়ো একলা'-কবির এমন মনে হয়েছে কেন ?

উত্তর:দাঁড়াও’ কবিতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় মানুষকে একলা মনে করেছেন, কারণ অসহায় মানুষকে বাঁচানোর শক্তি একমাত্র মানুষ ছাড়া আর কারও নেই।


৫)তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও'-কবি কার পাশে এসে দাঁড়াতে বলেছেন?

উত্তর:কবি দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে বলেছেন।


আরো পড়ুন:

 বোঝাপড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন উত্তর Click Here

বনভোজনের ব্যাপার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

সবুজ জামা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

চিঠি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পরবাসী কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পথচলতি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

ছন্নছাড়া গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি Click Here 

দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

গড়াই নদীর তীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

নাটোরের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

জেলখানার চিঠি প্রশ্ন উত্তর Click Here 

স্বাধীনতা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

শিকল-পরার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

হওয়ার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 




the wind cap lesson 1 part 1 Click Here 

the wind cap lesson 1 part 2 Click Here

the wind cap lesson 1 part 3 Click Here


Clouds Lesson 2 part 1 Click Here

Clouds Lesson 2 part 2 click Here 


একটি চড়ুই পাখির কবিতা প্রশ্ন উত্তর Click Here

কার দৌড় কতদূর গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here 

গাছের কথা প্রশ্ন উত্তর click Here 

ঘুরে দাঁড়াও কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

মাসি পিসি কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here 

পরাজয় গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click here


টিকিটের অ্যালবাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর part -1 click here

লোকটা জানলই না কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here 


Midnight Express Lesson-11 part-1 question answer Click Here 

Midnight Express lesson-11 part-2 question answer click Here 

Midnight Express Lesson-11 part-3 question answer click Here 


চা পানের উপকারিতা click Here 

ভেষজ উদ্ভিদ click here 

সুভা গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 

আদাব গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here 


সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here 
ব্যঞ্জনধ্বনি প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর part-1 Click here 
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here 

শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায় উপসর্গ ও অনুসর্গ প্রশ্ন উত্তর Click here 

শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায় ধাতু ও প্রত্যয় প্রশ্ন উত্তর Click here 


মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here 

চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here 
অগ্ন্যাশয় এর প্রশ্ন উত্তর Click here 


মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

পদ কয় প্রকার ও কি কি Click here 
পদের দ্বিতীয় ভাগ- বিশেষণপদ Click here 



পদের পঞ্চম ভাগ ক্রিয়াপদ Click here 









































Post a Comment

0 Comments