সূচিপত্র:
ক) কবি পরিচিতি
খ) বিষয়সংক্ষেপ
গ) নামকরণ
ঘ) হাতেকলমে সমাধান
ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক) কবি পরিচিতি:
বাংলা সাহিত্যে সত্যজিৎ রায় অত্যন্ত জনপ্রিয় এক লেখক। বিখ্যাত সাহিত্যিক সুকুমার রায় হলেন তাঁর পিতা, আর পিতামহ হলেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরি। ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ২ মে সত্যজিৎ রায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার তৎকালীন প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পড়াশোনা শেষ করেন। দীর্ঘকাল তিনি 'সন্দেশ' পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। তিনিই ফেলুদা ও প্রফেসর শঙ্কু বাংলা সাহিত্যের এই দুই অমর চরিত্রের স্রষ্টা। তাঁর লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল-'সোনার কেল্লা,বাদশাহী 'আংটি,এক ডজন গপ্পো,আরো বারো,বিষয় চলচ্চিত্র,একেই বলে শুটিং,Our Films, Their Films'। ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর 'প্রফেসর শঙ্কু' আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে।১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে তিনি 'ভারতরত্ন'পান। এ ছাড়াও, ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে 'পদ্মশ্রী' ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে'পদ্মভূষণ’ ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে 'পদ্মবিভূষণ'১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে 'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কার এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'Academy of Motion Picture Arts and Sciences-এর পক্ষ থেকে 'Academy Award for Lifetime Achievement' পদক লাভ করেন। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ২৩ এপ্রিল এই মহান সাহিত্যিকের মৃত্যু হয়।
খ)উৎস:
'সত্যজিৎ রায়ের রচিত 'পটলবাবু ফিল্মস্টার' গল্পটি ‘এক ডজন গপ্পো’ নামক গল্পসংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে।
গ)বিষয়সংক্ষেপ:
সত্যজিৎ রায় রচিত'পটলবাবু ফিল্মস্টার'গল্পটির প্রধান চরিত্র পটলবাবুর প্রকৃত নাম শীতলাকান্ত রায়। তিনি থাকেন নেপাল ভটচাজ্যি লেনে। তাঁর তিনটি বাড়ি পরেই থাকেন নিশিকান্ত ঘোষ।নিশিকান্ত ঘোষের ছোটো শালা নরেশ দত্ত ফিল্মে কাজ করেন। সেখানে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে চরিত্র অনুযায়ী লোক জোগাড় করে দেওয়া। সেইরকমই এক লোকের সন্ধানে নিশিকান্ত ঘোষের সূত্র ধরে কোনো এক রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তীতে পটলবাবুর বাড়িতে আসেন নরেশ দত্ত। তাঁর অভিনয়ের প্রস্তাব শুনে পটলবাবু এককথায় রাজি হয়ে যান। কারণ এককালে পটলবাবু যাত্রায়,শখের থিয়েটারে, পুজোপার্বণে,পাড়ার ক্লাবের অনুষ্ঠানে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন।অনেকবার হ্যান্ডবিলে তাঁর নামও উঠেছে, তাঁর নামে অনেক টিকিটও বিক্রি হয়েছে। কিন্তু বাহান্ন বছর বয়সে প্রথমবারের জন্য সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে তিনি রীতিমতো আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।গৃহিণীর কাছে মৃদু ভর্ৎসনা পান।কারণ এর আগে নানা জায়গায় তিনি কাজ করলেও অভাব অনটন তাঁর সংসারের নিত্যসঙ্গী। কখনও তিনি কাজ করেছেন রেলের কারখানায,আবার কখনও কোনো এক বাঙালি অফিসে কেরানিগিরি করেছেন। যাই হোক,নরেশ দত্তের দেওয়া সময়মতো পরদিন রবিবার ঠিক সময়ে ফ্যারাডে হাউসের সামনে পটলবাবু পৌঁছে যান। নরেশ দত্ত পটলবাবুকে তাঁর সময় জ্ঞানের জন্য সাধুবাদ জানান।পরে,সিনেমার শুটিংয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেলে পটলবাবু অফিসের পাশে একটি পান দোকানের ছাউনিতে দাঁড়িয়ে সিনেমার দৃশ্য গ্রহণের পদ্ধতি লক্ষ করতে থাকেন। ক্রমে ক্রমে শুনতে পান-সাইলেন্স,টেকিং,স্টার্ট সাউন্ড,রানিং, অ্যাকশন'। পরিচালক 'কাট' বলার সঙ্গেই তিনি শুনতে পান আশেপাশের চুপ করে থাকা জনতার গুঞ্জন। এর মাঝেই তিনি পাশের ভদ্রলোকের কাছ থেকে জানতে পারেন,যে সিনেমায় তিনি অভিনয় করছেন তার নায়ক চঞ্চল কুমার এবং পরিচালক করেন মল্লিক। প্রথমবার দৃশ্য গ্রহণের পর নরেশ দত্ত নিজেই চা নিয়ে এগিয়ে খান পটলবাবুর কাছে। এরপর পটলবাবু সাহস করে তাঁর ডায়লগ জানতে চাইলে তাকে সংলাপটি একটি কাগজে লিখে দেওয়া হয়। পটলবাবু দেখতে পান যে, কাগজটিতে খালি লেখা আছে 'আঃ'। রীতিমতো অপমানিত বোধ করেন তিনি। ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর মনে পড়ে যায় তাঁর নাট্যপুর গগন পাকড়াশির উপদেশ-তিনি হলেন জাত অভিনেতা, যিনি ছোটো পার্ট থেকেও শেষ রসটুকু নিংড়ে বের করে দর্শকদের উপহার দিতে পারেন। নাট্যগুরুর এই উপদেশ মনে করার সঙ্গে সঙ্গে পটলবাবু 'আঃ' শব্দটির কত রকমভাবে উচ্চারণ করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে থাকেন। তিনি ক্রমে উপলব্ধি করেন যে, দীর্ঘ শ্বাসজনিত 'আঃ' হতাশা জনিত 'আঃ' বা অভিমানের 'আঃ' মোটেও একরকম হয় না। এরপর পটলবাবু অনুভব করেন যে, সামান্য এই শব্দটুকুকে অবলম্বন করেই মানুষ তার মনের নানান ভাব প্রকাশ করতে পারে। তখন পটলবাবুর মনে হয়,'তিনি যেন ওই একটি কথা নিয়ে একটা আস্ত অভিধান লিখে ফেলতে পারেন।' আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর পটলবাবুর অভিনয়ের সময় হয়। কোনোরকম রিহার্সাল না নিয়েই তিনি সরাসরি শুটিং-এ উপস্থিত হন। মনের অনুভূতি ঠিকভাবে প্রকাশ করার জন্য এরপর তিনি পরিচালকের কাছ থেকে চেয়ে নেন একটি সংবাদপত্র যাতে তিনি তাঁর অন্যমনস্কতার ভাবটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। সিনটি হচ্ছে এইরকম একজন পথচারী (পটলবাবু) 'যুগান্তর' পত্রিকা পড়তে পড়তে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে ধাক্কা লাগে নায়কের। একটি ক্যাশ ভাঙার খবর পেয়ে নায়ক তখন হস্তদন্ত হয়ে অফিসে যাচ্ছেন। ধাক্কা লাগার পর পটলবাবু অত্যন্ত দক্ষ অভিনেতার মতো দশ আনা বিরক্তির সঙ্গে তিনআনা বিস্ময় ও তিনআনা যন্ত্রণা মিশিয়ে 'আঃ' শব্দটি উচ্চারণ করেন। তাঁর এই অভিনয়ের তারিফ করেন পরিচালক থেকে নায়ক সকলেই। এটিই পটলবাবুর কাছে সবচেয়ে বড়ো পুরস্কার। তাই তিনি তাঁর পারিশ্রমিক না নিয়েই বাড়ি চলে যান। মিনিট দশেক পরে নরেশ দত্ত পানের দোকানের কাছে পটলবাবুর খোঁজ করতে গিয়ে তাকে আর খুঁজে পান না।
ঘ)নামকরণ:
নামকরণের মাধ্যমেই পাঠক সাহিত্য বা রচনার বিষয় সম্পর্কে এক আগাম ধারণা লাভ করে থাকে।পাঠ্য ‘পটলবাবু ফিল্মস্টার’গল্পটির নামকরণ যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী।পাড়ার ক্লাবের অনুষ্ঠানে এককালে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন পটলবাবু। যদিও তাতে তাঁর সংসারের অভাব ঘোচেনি। সেই পটলবাবু বাহান্ন বছর বয়সে এক সিনেমায় পথচারীর ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ পান। চিরকাল তাঁর শখ ছিল অভিনয় করার। কিন্তু সংসার সামলাতে গিয়ে তাঁর সে শখ হারিয়ে গিয়েছিল। বহুদিন পর সুযোগ এলে তাঁর সুপ্ত শিল্পী সত্তা জেগে ওঠে। তিনি মানসিক প্রস্তুতি নেন। কিন্তু এরপর শুটিং স্থলে গিয়ে শোনেন যে তাঁর সংলাপ মাত্র একটি শব্দ 'আঃ'। এতে কিছুক্ষণের জন্য হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। নিরুৎসাহ হন। তখন তাঁর মনে ভেসে ওঠে তাঁর জীবনের নাট্যগুরু গগন পাকড়াশির কথা। গুরুর উপদেশ অনুসারে তিনি তৈরি হন সামান্য পার্ট থেকেও উচ্চমানের রস নিংড়ে বার করার জন্য। তাঁর অভিনয়কে আরও বাস্তব করে তোলবার জন্য সংবাদপত্রের প্রয়োজনীয়তার কথাও পরিচালককে জানান তিনি। পরিচালক তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেন। এরপর ক্যামেরার সামনে ওই সামান্য ভূমিকাটিকেই অসামান্য করে তোলেন তিনি। প্রত্যেকে তাঁর অভিনয়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে। এরপর নিজের প্রাপ্ত পারিশ্রমিক না নিয়েই পটলবাবু উধাও হয়ে যান।প্রকৃত শিল্পীর আত্মমর্যাদাবোধে পটলবাবু যথার্থই একজন 'ফিল্মস্টার' হয়ে ওঠেন। তাই গল্পটির নামকরণ যথার্থ ও সার্থক হয়েছে।
ঘ) হাতেকলমে সমাধান:
১)বন্ধনীতে দেওয়া একাধিক উত্তরের মধ্যে ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে নীচের বাক্যগুলি আবার লেখো।
১.১)পটলবাবু অভিনয়ের সময়ে সংলাপ হিসেবে বলেছিলেন-
ক)ওঃ শব্দটি
খ)উঃ শব্দটি
গ)আঃ শব্দটি
উত্তর:(গ)আঃ শব্দটি
১.২)অভিনয়ের সময় পটলবাবুর হাতে ছিল- ক)আনন্দবাজার পত্রিকা
খ)যুগান্তর
গ)স্টেটসম্যান
উত্তর:(খ)যুগান্তর
১.৩)অভিনয়ের সময় পটলবাবুর নাকের নীচে সেঁটে দেওয়া হয়েছিল-
ক)ঝঁপো গোঁফ।
খ)চাড়া-দেওয়াগোঁফ।
গ)বাটারফ্লাই গোঁফ।
উত্তর:(গ)বাটারফ্লাই গোঁফ।
১.৪)বরেন দত্ত/বরেন মল্লিক/বরেন চৌধুরী)-র পরিচালিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েছিলেন পটলবাবু।
উত্তর:বরেন মল্লিক পরিচালিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েছিলেন পটলবাবু।
১.৫)করালীবাবুর বাড়িতে-কীর্তন,শ্যামাসংগীত
কথকতা হয়-
ক)শনিবার বিকেলে
খ)রবিবার সকালে
গ)রবিবার বিকেলে
উত্তর:(গ)রবিবার বিকেলে
১৩। একটি বাক্যে উত্তর দাও।
১৩.১) পটলবাবুর কাছে যেদিন ফিল্মে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব আসে সে দিন ছুটিরদিন ছিল কেন ?
উত্তর:পটলবাবুর কাছে যেদিন ফিল্মে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে,সেদিন রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ছুটি ছিল।
১৩.২)বাজারে গিয়ে কেন গৃহিণীর ফরমাশ গুলিয়ে গেল পটলবাবুর?
উত্তর:কোনো এক রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর সকালে হঠাৎ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে সে কথাই ভাবছিল পটলবাবু আর সেকারণেই বাজারে গিয়ে গৃহিণীর ফরমাশ গুলিয়ে গেল তার।
১৩.৩)থিয়েটারে পটলবাবুর প্রথম পার্ট কী ছিল?
উত্তর:থিয়েটারের প্রথম পার্টে পটলবাবু মৃত সৈনিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
১৩.৪) উনিশ শো চৌত্রিশ সালে পটলবাবু কলকাতায় বসবাস করতে এলেন কেন?
উত্তর:উনিশশো চৌত্রিশ সালে' কলকাতার ‘হাডসন অ্যান্ড কিম্বার্লি কোম্পানিতে একটু বেশি মাইনের চাকরি আর নেপাল ভট্টচাজ্যি লেনের বাড়িটা পাওয়ায় পটলবাবু সস্ত্রীক কলকাতায় বসবাস করতে আসেন।
১৩.৫)পাড়ায় থিয়েটারের দল গড়া আর হল না কেন পটলবাবুর?
উত্তর: হাডসন অ্যান্ড কিম্বার্লি কোম্পানিতে ন-বছরের চাকরিটা হঠাৎ করে চলে যাওয়ায় পটলবাবুর পাড়ায় থিয়েটারের দল আর গড়া হয়নি।
১৩.৬) পটলবাবু তাঁর সময় নিষ্ঠতার প্রমাণ দেওয়ার জন্য কোন উদাহরণদিতে ভালোবাসতেন ?
উত্তর:পটলবাবু নিজের সময়নিষ্ঠার প্রমাণ দিতে ন-বছরের মধ্যে একটি দিনের জন্যও হাডসন অ্যান্ড কিম্বার্লি কোম্পানির চাকরিতে লেট না হওয়ার উদাহরণ দিতে ভালোবাসতেন।
১৩.৭) “পটলবাবুর লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেল।”-পটলবাবু এমন লজ্জা পেলেন কেন?
উত্তর:পটলবাবুর কাছে যখন নরেশবাবু জানতে চাইলেন যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে তাঁর কোনো আপত্তি আছে কি না তখন পটলবাবুর লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেল।
১৩.৮)'গগন পাকড়াশি আজ তাঁকে দেখলে সত্যিই খুশি হতেন।”-তিনি খুশি হতেন কেন?
উত্তর: পটলবাবু যেভাবে ছোটো একটি চরিত্রকে অভিনয়ের মাধ্যমে সার্থক করে তুলেছেন, তাঁর নাট্যগুরু গগন পাকড়াশি তা চোখের সামনে দেখতে পেলে সত্যিই খুশি হতেন।
১৪)চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও ।
১৪.১)'আমার টক করে তোমার কথা মনে পড়ে গেল। '- কার মনে পড়ে গেল পটলবাবুর কথা? পটলবাবুর কথাই বিশেষ করে তাঁর মনে পড়ল কেন ?
উত্তর:সত্যজিৎ রায়ের ‘পটলবাবু ফিল্মস্টার' শীর্ষক রচনা থেকে প্রশ্নে উদ্ধৃত অংশে পটলবাবুর প্রতিবেশী নিশিকান্ত ঘোষের টক করে পটলবাবুর কথা মনে পড়ে গেল।
* নিশিকান্ত ঘোষ মহাশয়ের কাছে তাঁর ছোটো শালা নরেশ দত্ত সিনেমার একটা দৃশ্যে অভিনয় করার জন্য বিশেষ চেহারার একটি লোকের খোঁজ করতে বলেছিলেন। নরেশ দত্তের বর্ণনা অনুযায়ী সেই লোকটার বয়স হবে,বছর পঞ্চাশ,বেঁটেখাটো এবং মাথায় টাক। ছোটো শালার মুখে এরকম চেহারার বর্ণনা শুনে নিশিকান্তবাবুর সেই মুহূর্তেই পটলবাবুর কথা মনে পড়ে গিয়েছিল। কারণ পটলবাবুর চেহারার সঙ্গে সিনেমার উপযোগী চরিত্রের চেহারার অবিকল মিল খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি।
১৪.২)'গাছে কাঁঠাল,গোঁফে তেল!সাধে কি তোমার কোনোদিন কিচ্ছু হয় না?'-পটলবাবুর গৃহিণীর এই মন্তব্যের কারণ কী?
উত্তর:'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' প্রবচনটির অর্থ হল-জীবনের একসময় শখের থিয়েটারে অভিনয় করা পটলবাবু বিভিন্ন পেশায় ব্যর্থ হয়েছেন। হঠাৎ করে সিনেমার একটি অভিনয় করার ডাক পেয়ে পটলবাবু এতটাই উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়লেন।তিনি মনে করতে সাফল্যের সিঁড়ির এইটাই প্রথম ধাপ। তাঁর মনে হল, এরপর তিনি অভিনেতা হিসেবে যশ,খ্যাতি সবই লাভ করবেন। বাহান্ন বছর বয়সে সিনেমায় অভিনয়ের একটা সামান্য সুযোগ পেয়ে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করায় তাঁর গৃহিণী উদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছিলেন।
১৪.৩)কার উপদেশের স্মৃতি পটলবাবুর অভিনেতা-সত্তাকে জাগিয়ে তুলল? কোন্ ‘অমূল্য’ উপদেশ তিনি দিয়েছিলেন পটলবাবুকে?
উত্তর:পটলবাবুর নাট্যগুরু গগন পাকড়াশিমশাইয়ের উপদেশের স্মৃতি পটলবাবুর অভিনেতা সত্তাকে জাগিয়ে তুলল।
*পাকড়াশি মহাশয় একসময় পটলবাবুকে বলেছিলেন,ছোটো চরিত্রে বা পার্টে অভিনয় করা নিয়ে পটলবাবুর যেন কখনও কোনো আক্ষেপ না থাকে। তিনি বলেছিলেন শিল্পী হিসেবে তাঁর একমাত্র দায়িত্ব হবে-ছোটো পার্টটি থেকেও শেষ রসটুকু নিংড়ে বার করে তাকে সার্থক করে তোলা । প্রত্যেকটি অভিনেতার সাফল্যের যোগফলই হল সম্পূর্ণ থিয়েটারটির সাফল্যের একমাত্র চাবিকাঠি। এ ছাড়াও পাকড়াশি মহাশয় পটলবাবুকে বলেছিলেন, নাটকের এক একটি কথা হল গাছের ফলের মতো আর অভিনেতার একমাত্র কাজ হল, সেই ফল পেড়ে তার খোসা ছাড়িয়ে তার থেকে রস নিংড়ে বার করে সেটা দর্শকদের পরিবেশন করা। তাঁর এই কথাগুলিই পটলবাবু অমূল্য উপদেশ হিসেবে মনে রেখেছিলেন।
১৪.৪)ধন্যি মশাই আপনার টাইমিং!বাপের নাম ভুলিয়ে দিয়েছিলেন প্রায়-ওঃ!”- বক্তা কে? কোন্ ঘটনার ফলে তাঁর এমন মন্তব্য?
উত্তর:সত্যজিৎ রায়ের রচিত ‘পটলবাবু ফিল্মস্টার' গল্পে- বক্তা হলেন সিনেমার নায়ক চঞ্চলকুমার।
* সিনেমার নায়ক চঞলকুমারের সঙ্গে পটলবাবুর কপালের সঙ্গে নায়কের মাথার জোর ঠোকাঠুকি হয়। সেই ঘটনার ফলে নায়ক চঞলকুমার এই মন্তব্যটি করেছেন। ওই দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে পটলবাবুর যখন চঞ্চলকুমারের মাথার সঙ্গে তাঁর কপালের ঠোকা লাগাল তখন একটা তীব্র যন্ত্রণা তাকে একমুহূর্তের জন্য হলেও জ্ঞানশূন্য করে দিয়েছিল। পটলবাবুর মতো একই যন্ত্রণা নায়ক চঞ্চল কুমারও পেয়েছিলেন এবং তা সত্ত্বেও তিনি পটলবাবুর নিঁখুত সময়জ্ঞানের প্রশংসা করে তাঁর উদ্দেশে ওই মন্তব্যটি করেছিলেন।
১৪.৫) 'এতদিন অকেজো থেকেও তাঁর শিল্পীমন ভোঁতা হয়ে যায়নি ।'- এই অনুভব কীভাবেপটলবাবুর মনে জাগল?
উত্তর:পটলবাবু ফিল্মস্টার' গল্পে পটলবাবু নিজের কপালের সঙ্গে নায়ক চঞ্চলকুমারের মাথার ধাক্কা লাগিয়ে 'আঃ' শব্দটি উচ্চারণ করে দশ আনা বিরক্তির সঙ্গে তিনআনা বিস্ময় আর তিনআনা যন্ত্রণা মিশিয়ে। এতদিন পরে এইটুকু ছোট্ট দৃশ্যে অভিনয় করে অভিনয়ের শেষ রসটুকু নিংড়ে দিতে পারার আনন্দে পটলবাবু অনুভব করে যে, তার শিল্পীমন এখনও ভোঁতা হয়ে যায়নি। সেই কারণেই ‘আঃ’শব্দটি উচ্চারণের মাধ্যমে অভিনয়ে মনের তিন রকমের অনুভূতি অর্থাৎ বিরক্তি, বিস্ময় ও যন্ত্রণা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছিল সে। নিজের অসাধারণ অভিনয় ক্ষমতা যেন তার নিজের কাজেই প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল।
১৪.৬)পটলবাবুর ফিল্মে অভিনয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রোডাকশন ম্যানেজার নরেশ দত্ত।তার টুকরো মুহূর্তগুলি জোড়া দিয়ে নরেশদত্ত মানুষটির সম্পূর্ণ ছবি নিজের ভাষায় তৈরি করো।
উত্তর: পটলবাবু তাঁর প্রতিবেশী নিশিকান্ত ঘোষ মহাশয়ের কাছে প্রথম নরেশ দত্ত নামটি শোনেন। তিনি তাকে জানান তাঁর ছোটো শালা বছর ত্রিশের নরেশ দত্ত ফিল্মে কাজ করে-সিনেমার চরিত্র অনুযায়ী বিভিন্ন লোকজন জোগাড় করে দেয়।
ব্যস্ত মানুষ নরেশবাবু পটলবাবুর বাড়িতে বেশিক্ষণ বসেননি-স্বল্প সময়ে পটলবাবুর চেহারাকে চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে নিয়েছেন। তারপর পটলবাবুকে শুটিংয়ের দিন, স্থান, সময় ইত্যাদি বললেও কীসের ভূমিকায় অভিনয় করতে হবে তা বলতে ভুলে গিয়েছেন।শুটিংয়ের নির্দিষ্ট দিনে,নির্দিষ্ট সময়ে পটলবাবুকে দেখে নরেশবাবু ভুলবশত তাঁকে ‘অতুলবাবু' বলে সম্বোধন করলেও পটলবাবুর সময়নিষ্ঠতার বেশ প্রশংসা করেন। একসময় শশাঙ্ককে নির্দেশ দেন পটলবাবুকে ডায়ালগ লিখে দেবার জন্য।শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পর নরেশবাবু পারিশ্রমিক নিয়ে পানের দোকানের কাছে পটলবাবুর খোঁজ করতে গিয়ে দেখেন যে, পটলবাবু পারিশ্রমিক না নিয়েই ফিরে গেছেন।
১৫)নিজের ভাষায় উত্তর লেখো।
১৫.১) “আঃ”-এই একটিমাত্র শব্দের উচ্চারণ কৌশলে আর অভিনয় দক্ষতায় একটা আস্ত অভিধান' লিখে ফেলা যায়, শব্দটি নিয়ে ভাবতে এমনটাই মনে হয়েছিল অভিনেতা পটলবাবুর। পটলবাবুর ভাবনা কি ঠিক বলে মনে হয় তোমার? আঃ' শব্দের উচ্চারণে কত ধরনের ভাব প্রকাশ সম্ভব বলে তোমার মনে হয়?
উত্তর: পটলবাবুর ভাবনাধারাকে আমি সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করি।কোনো শব্দের উচ্চারণ ভঙ্গিমার তারতম্যের জন্য শব্দের অর্থ অনেক ক্ষেত্রে পালটে যায়।
*'আঃ' শব্দটির উচ্চারণেও নানা ধরনের ভাব প্রকাশ করা সম্ভব।যেমন-
ক) চিমটি খেলে মানুষ যেভাবে 'আঃ' বলে, সেই উচ্চারণ যন্ত্রণার অনুভূতি প্রকাশ করে।
খ) গরমকালে শরবত খেয়ে 'আঃ' বললে আরাম বা তৃপ্তির অনুভূতি প্রকাশিত হয়।
গ) প্রবল হতাশায় বলা 'আঃ' শব্দে দীর্ঘশ্বাস প্রকাশ পায়।
ঘ) অভিমানের 'আঃ' অনেকটাই বিরক্তি প্রকাশ করে।
এইভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় 'আঃ' শব্দটি নানাভাবে উচ্চারণ করা যায়। উচ্চারণের ভিন্নতার কারণে শব্দটি এক এক রকমের অনুভূতির প্রকাশরূপে ধরা দেয়।
১৫.২)'সে কী,টাকা না নিয়েই চলে গেল নাকি লোকটা! আচ্ছা ভোলা মন তো।'-তোমার কী মনে হয়,সফলভাবে কাজ করার পরেও কেন টাকা না নিয়েই চলে গিয়েছিলেন পটলবাবু?পটলবাবুর চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি কি যথার্থ বলে মনে হয় তোমার? নিজের যুক্তি দিয়ে লেখো।
উত্তর:পটলবাবু নাট্যপ্রিয় মানুষ একসময় নাটকে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন। উঁচু দরের অভিনেতা না হলেও খুব যে একটা খারাপ অভিনয় করতেন না, তা তাঁর সিনেমায় একটা মাত্র ছোটো দৃশ্যে অভিনয় করা দেখেই বোঝা গেছে। সিনেমার পরিচালক বরেন মল্লিক থেকে নায়ক চলকুমার সকলের প্রশংসাই তিনি আদায় করে নিয়েছেন। গগন পাকড়াশির উপদেশমতো অভিনয়ের সব রসটুকু নিংড়ে বার করে তিনি সেই দৃশ্যটি সার্থক করে তুলেছেন।অসাধারণ অভিনয় করতে পারার আনন্দটাই ছিল পটলবাবুর কাছে ভীষণ দামি। শিল্পী হিসেবে এই আত্মতৃপ্তিই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো পুরস্কার। তাই সফলভাবে কাজ করেও পারিশ্রমিক না নিয়েই পটলবাবু চলে গিয়েছিলেন।
*পেশাদার অভিনেতার কাছে পারিশ্রমিক মূল্যবান। কিন্তু পটলবাবুর কছে অভিনয়টি ছিল তাঁর হৃদয়ের সঙ্গে যুক্ত বিষয়। ফলে অভিনয় করে যে আনন্দ তিনি পেয়েছিলেন সেখানে পারিশ্রমিক অর্থহীন হয়ে গিয়েছিল। এই কারণে তাঁর মনোভাবকে শ্রদ্ধা করতেই হয়।
১৫.৩)কেমন করে শুটিং চলে,তার জীবন্ত কিছু টুকরো টুকরো ছবি উঠে এসেছে এই গল্পের আনাচে কানাচে। সেইসব টুকরো জুড়ে জুড়ে নিজের ভাষায় শুটিংয়ের মুহূর্তগুলির একটি সম্পূর্ণ ছবি তৈরিকরো।
উত্তর:সত্যজিৎ রায় রচিত 'পটলবাবু ফিল্মস্টার' শীর্ষক রচনায় শুটিং বিষয়ক জীবন্ত কিছু টুকরো ছবি উঠে এসেছে। পটলবাবু ফ্যারাডে হাউসে পৌঁছে দেখলেন অফিসের গেটের সামনে তিন-চারখানা গাড়ি, তার মধ্যে বড়ো গাড়িটার মাথায় নানা ধরনের জিনিসপত্তর বোঝাই করা আছে। রাস্তার ঠিক ধারে ফুটপাতের ওপর একটা বিশ-পঁচিশ সের ওজনের তেপায়া কালো যন্ত্রের মতন জিনিস রাখা আছে। গেটের ঠিক মুখটাতে একটা তিন পা-ওয়ালা লোহার ডান্ডার মাথায় আর-একটা লোহার ডান্ডা আড়াআড়িভাবে শোয়ানো, যার ডগা থেকে ঝুলছে একটা মৌমাছির চাকের মতো দেখতে জিনিস। এ সবই ছিল ছবি তোলার সরঞ্জাম।
*এ ছাড়াও পটলবাবু শুটিং চলাকালীন বিশেষ কিছু শব্দ শুনতে পেলেন যেগুলো তাঁর কাছে ছিল বেশ কিছুটা নতুন। যেমন, পরিচালক বরেন মল্লিক নরেনকে বলেছেন,'এখন জায়গাটা ক্লিয়ার করো তো শট নেবো।' শট নেওয়ার অর্থ হল দৃশ্যগ্রহণ। এরপর কিছু বিশেষ শব্দ স্টার্ট,সাউন্ড,রানিং,অ্যাকশন উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুটিং চালু হল। পরিচালক ক্যামেরার সাহায্যে দৃশ্যগুলি ধরে রাখবার পরেই বললেন ‘কাট’, অর্থাৎ দৃশ্যগ্রহণ শেষ।
ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১) নিশিকান্তবাবু যে ধরনের লোক ছিলেন-
ক) গম্ভীর
খ) আমুদে
গ) রগচটা
ঘ) বোকা
উত্তর:(খ) আমুদে
২)নিশিকান্তবাবুর সঙ্গে তার শালার দেখা হয়েছিল-
ক) নেতাজি ফার্মেসিতে
খ) রবীন্দ্র ফার্মেসিতে
গ) চিত্রা সিনেমা হলে
ঘ) কাঁচরাপাড়ায়
উত্তর:(ক) নেতাজি ফার্মেসিতে
৩)নিশিকান্তবাবুর শালার নাম কী ছিল?
ক) নরেশ দত্ত
খ) নরেশ মিত্র
গ) নরেশ সামন্ত
ঘ) নরেশ বসু
উত্তর:(ক) নরেশ দত্ত
৪)পটলবাবু বাজারে গিয়ে কালো জিরের বদলে কিনেছিলেন-
ক) পাঁচফোড়ন
খ) ধানিলংকা
গ) গোলমরিচ
ঘ) হলুদ
উত্তর:(খ) ধানিলংকা
৫)পটলবাবু আগে থাকতেন-
ক) কৃষ্ণনগরে
খ)রানাঘাটে
গ)কাঁচরাপাড়ায়
ঘ) বেলেঘাটায়
উত্তর:(গ)কাঁচরাপাড়ায়
৬)পটলবাবু গোড়ায় একটা দোকান দিয়েছিলেন-
ক) মনিহারির
খ) চায়ের
গ) কাঁচা আনাজের
উত্তর:(ক) মনিহারির
৭)পটলবাবু ফিল্মে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার আগে চাকরি ছেড়েছেন-
ক) একবার
খ) দু-বার
গ) পাঁচবার
ঘ) দশবার
উত্তর:(খ) দু-বার
৮)নিশিকান্ত ঘোষ মশাই পটলবাবুর ক-টি বাড়ি পর থাকতেন?
ক) তিনটি
খ) চারটি
গ) একটি
ঘ) পাশের বাড়ি
উত্তর:(ক) তিনটি
৯)পটলবাবুর বয়স-
ক) ৫৩ বছর
খ)৫০ বছর
খ) ৫২ বছর
গ) ৫১ বছর
উত্তর:(খ) ৫২ বছর
চ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
১)পটলবাবুর বাড়ি কোথায়?
উত্তর:পটলবাবুর বাড়ি নেপাল ভট্চাজ্যি লেনে।
২)সিনেমায় অভিনয় করার জন্য কীরকম লোক দরকার ছিল?
উত্তর:সিনেমায় অভিনয় করার জন্য বছর পঞ্চাশ বয়সের একজন বেঁটেখাটো, মাথায় টাকওয়ালা লোক দরকার ছিল।
৩)পটলবাবু কত বছর বয়সে সিনেমায় অভিনয় করার প্রস্তাব পান?
উত্তর:পটলবাবু বাহান্ন বছর বয়সে সিনেমায় অভিনয় করার প্রস্তাব পান।
৪)পটলবাবুর প্রকৃত নাম কী?
উত্তর:পটলবাবুর প্রকৃত নাম ছিল শীতলাকান্ত রায়।
৫)কাঁচরাপাড়ায় পটলবাবু কীসের চাকরি করতেন?
উত্তর:কাঁচরাপাড়ায় পটলবাবু রেলের কারখানায় চাকরি করতেন।
৬)পটলবাবু কত সালে কলকাতায় বসবাস করতে এসেছিলেন?
উত্তর: উনিশশো চৌত্রিশ সালে পটলবাবু কলকাতায় বসবাস করতে চলে আসেন।
৭)নেপাল ভট্চাজ্যি লেনে পটলবাবুর প্রতিবেশী কে ছিলেন?
উত্তর:নেপাল ভট্চাজ্যি লেনে পটলবাবুর প্রতিবেশী ছিলেন নিশিকান্ত ঘোষ।
৮)পটলবাবুকে অভিনয়ের দৃশ্যটি বুঝিয়ে দিয়েছিল কে?
উত্তর:পটলবাবুকে অভিনয়ের দৃশ্যটি বুঝিয়ে দিয়েছিল জ্যোতি নামের একটি ছেলে।
৯)'পটলবাবু নিয়মিত গিয়ে শোনেন।'-কী শোনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: রবিবার সকালে করালীবাবুর বাড়িতে পটলবাবুর নিয়মিত শ্যামাসংগীত শোনার কথা বলা হয়েছে।
১০)পটলবাবুর নাট্যগুরু কে ছিলেন?
উত্তর:পটলবাবুর নাট্যগুরু ছিলেন গগন পাকড়াশি।
১১)পটলবাবু কোন্ স্টাইলের গোঁফ লাগিয়েছিলেন?
উত্তর:পটলবাবু বাটারফ্লাই স্টাইলের গোঁফ লাগিয়েছিলেন।
১২)আজকের দিনে অভিনয়ের মূল্য পটলবাবুর কাছে কীরকম মনে হয়?
উত্তর:আজকের দিনে অভিনয়ের মূল্য টাকা দিয়েই হয়, অভিনেতার আগ্রহ ও পরিশ্রমের কদর হয় না বলে পটলবাবু মনে করেছেন।
১৩)অভিনয়ের সময়ে পটলবাবুর হাতে কী ছিল?
উত্তর:অভিনয়ের সময়ে পটলবাবুর হাতে ছিল 'যুগান্তর' পত্রিকা।
আরো পড়ুন:
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাগলা গনেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
একুশের কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আত্মকথার প্রশ্ন উত্তর Click Here
খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর Click Here
কুতুব মিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর প্রথম Part Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় Part Click Here
দুটি গানের জন্মকথা Click Here
স্মৃতিচিহ্ন কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
নোট বই কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
চিরদিনের কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
ভানুসিংহের পত্রাবলী প্রশ্ন উত্তর click Here
রাস্তায় ক্রিকেট খেলা প্রশ্ন উত্তর click Here
গাধার কান গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
ভারত তীর্থ কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
Health benefit of butter water click Here
চিন্তাশীল নাটকের প্রশ্ন উত্তর click here
দেবতাত্মা হিমালয় প্রশ্ন উত্তর click here
পটলবাবু ফিল্মস্টার গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বাংলা ব্যাকরণ কারক ও অকারক সম্পর্ক Click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
Eye বা চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান-তাপ Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান-চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ এর প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশবান্ধব শক্তির প্রশ্ন উত্তর Click Here
0 Comments