সূচিপত্র:
ক) কবি পরিচিতি
খ) বিষয়সংক্ষেপ
গ) হাতেকলমে সমাধান
ঘ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
ঙ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
ক) কবি পরিচিতি:
সমীর সেনগুপ্তের জন্ম ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে বরিশালে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। বুদ্ধদেব বসু এবং শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ও সাহিত্য ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের বিষয়। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল-'রবীন্দ্রনাথের আত্মীয়-স্বজন,সমকাল ও রবীন্দ্রনাথ,বুদ্ধদেব বসুর ইত্যাদি। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রয়াত হন।
আমাদের পাঠ্য ‘দুটি গানের জন্মকথা' রচনায় যে দুটি গানের কথা বলা হয়েছে,সেই গান দুটি-
'জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে এবং আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' যথাক্রমে ভারত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। এই দুটি গানই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।গানের সুরও দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ নিজেই।কিন্তু জাতীয় সংগীত হিসেবে এই গান দুটি রচিত হয়নি। পরে ভারত এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর গান দুটিকে ওই দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়।
গ) বিষয়সংক্ষেপ
'জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে'এবং 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গান দুটি- স্বাধীন রাষ্ট্র ভারত আর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। সমীর সেনগুপ্ত রচিত,রবীন্দ্রনাথ'গ্রন্থের নির্বাচিত দুটি গানের জন্মকথায় এই দুটি গানেরই পটভূমি ও উৎস আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু গানটি যে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ২৬ তম বার্ষিক অধিবেশনে প্রথমবার জনগণের সামনে গাওয়া হয়েছিল,সেই উল্লেখ রচনায় রয়েছে।এ ছাড়াও, এই রচনায় উল্লিখিত হয়েছে যে,১৩১৮ বঙ্গাব্দের 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার মাঘ সংখ্যায় গানটি ব্রত্মসংগীত হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।সেবছরের মাঘোৎসবেও গানটি ব্রত্মসংগীত হিসেবে পাওয়া হয়েছিল।
দ্বিতীয় গানটি, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি'-প্রথম গাওয়া হয় ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ আগস্ট। প্রশান্তকুমার পালের মতে,বঙ্গভঙ্গের নির্দিষ্ট তারিখটি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে কবি আবেগ থেকে গানটি রচনা করেন।১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র স্থাপিত হলে গানটির প্রথম দশ পক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতরূপে গৃহীত হয়।
গ) হাতেকলমে সমাধান
১)সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।
১.১)ভারতবর্ষের জাতীয় সংগীতটি কোন উপলক্ষ্যে প্রথম গাওয়া হয়েছিল?
উত্তর:ভারতবর্ষের জাতীয় সংগীত 'জনগণমন অধিনায়ক জয় হে' ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় অনুষ্ঠিত 'ভারতের জাতীয় কংগ্রেস'-এর ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে প্রথম জনগণের সামনে গাওয়া হয়েছিল।
১.২)' তত্ত্ববোধিনী ' পত্রিকায় ভারতবর্ষের জাতীয় সংগীতটির কোনপরিচয় দেওয়া হয়েছিল ?
উত্তর:'তত্ত্ববোধিনী'পত্রিকায় 'জনগণমন অধিনায়ক জয় হে' গানটিকে 'ব্রত্মসংগীত' বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল।
১.৩)রবীন্দ্রনাথ 'জনগণমন'-র যে ইংরেজি নামকরণ করেন সেটি লেখো।
উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত 'জনগণমন-
অধিনায়ক জয় হে' গানটির ইংরেজি নামকরণ করেন 'The Morning Song of India।
১.৪) ভারতবর্ষের জাতীয় মন্ত্রটি কী?সেটি কার রচনা?
উত্তর:ভারতবর্ষের জাতীয় মন্ত্রটি হল 'বন্দে মাতরম্'।
*এটি সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।
১.৫)জাতীয় মন্ত্রের প্রথম চারটি পঙক্তি শিক্ষকের থেকে জেনে খাতায় লেখো।
উত্তর:
বন্দে মাতরম্।
সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্
শস্যশ্যামলাং মাতরম্। শুভ্র-জ্যোৎস্না-পুলকিত-যামিনিম্ ফুল্লকুসুমিত দ্রুমদলশোভিনীম্, সুহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্
সুখদাং বরদাং মাতরম্।।
২)টীকা লেখো:জাতীয় সংগীত,মাঘোৎসব, বিশ্বভারতী, পুলিনবিহারী সেন, ডা. নীলরতন সরকার।
জাতীয় সংগীত:
যে সংগীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় ভাবধারার সার্থক প্রকাশ ঘটে, তাকেই জাতীয় সংগীত বলা হয়। কোনো রাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় সংগীত নির্ধারণ করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'জনগণমন- অধিনায়ক জয় হে' গানটি ভারতবর্ষের জাতীয় সংগীত।
মাঘোৎসব:
মাঘ মাসে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মদের উৎসব-বিশেষ। শান্তিনিকেতনের শ্রীনিকেতনে মাঘোৎসব অত্যন্ত সমারোহের সাথে পালিত হয়ে থাকে। এই সময় শ্রীনিকেতনের মেলার মাঠে তিন দিন ব্যাপী কৃষি ও গ্রামীণ শিল্পের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি থাকে নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। মাঘোৎসব ছাড়াও শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা, বসন্তোৎসব, বর্ষশেষ, নববর্ষ, খ্রিস্টোৎসব, হলকর্ষণ, বৃক্ষরোপণ উৎসব প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘জীবনস্মৃতি' গ্রন্থের ‘ঘর ও বাহির' অধ্যায়ে মাঘোৎসবের কথা উল্লেখ করেছেন।
বিশ্বভারতী:
১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রনাথের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের জমিদার এস পি সিনহার কাছ থেকে সিকডাঙায় ২০ বিঘা জমি কিনে সেখানে গড়ে তুলেন'শান্তিনিকেতন'। কালক্রমে সমগ্র অঞ্চলটিই শান্তিনিকেতন' নামে পরিচিত হয়। ১৯০১ খ্রিস্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর (৭ পৌষ) রবীন্দ্রনাথ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের গড়ে তোলা এই আশ্রমটিতে মাত্র ৫ জন ছাত্র নিয়ে 'ব্রহ্মচর্যাশ্রম' গড়ে তোলেন। ১৯২২ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মে ‘বিশ্বভারতী’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে ওঠে। দেশ-বিদেশ থেকে পড়ুয়ারা এখানে জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ মে তারিখে বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি অর্জন করে।
পুলিনবিহারী সেন:
১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ১১ আগস্ট পুলিনবিহারী সেন ময়মনসিংহের এক ব্রাহ্মপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পুলিনবিহারী সেনের পিতা ছিলেন দেশকর্মী ও দরিদ্র চিকিৎসক বিপিনবিহারী সেন। পুলিনবিহারী ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে শন্তিনিকেতনে আশ্রম বিদ্যালয়ে ভরতি হন। তিনি শান্তিনিকেতন থেকে আই.এ, স্কটিশচার্চ কলেজ থেকে বি.এ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ পাস করেন। ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে 'প্রবাসী' পত্রিকায় তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
ডা. নীলরতন সরকার:
প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা.নীলরতন সরকার চব্বিশ পরগনার মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম নন্দলাল সরকার। ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে চাতরা নন্দলাল ইন্সটিটিউশন থেকে এন্ট্রান্স এবং ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুল থেকে ডাক্তারি পাস করে তিনি সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জনের চাকরি পান। এরপর মেট্রোপলিটন কলেজ থেকে এফ.এ এবং বিএ পাস করে কিছুদিন চাতরা হাইস্কুলে প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা মেডিকেল কলেজে ভরতি হয়ে ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে এম.বি হন। ক্রমে তিনি এম.এ এবং এম.ডি উপাধিও লাভ করেন। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে ডা. নীলরতন সরকার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর তিনি ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স এবং ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডিন ও স্নাতকোত্তর কলা এবং বিজ্ঞান শিক্ষা বিভাগের সভাপতি পদে নিযুক্ত হন। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বেলগাছিয়া মেডিকেল কলেজ স্থাপনে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯২১খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।যক্ষ্মা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তিনি সক্রিয় সহযোগিতা করেন। এ বৃত্তিগত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন। ক্যাম্বেল মেডিকেল স্কুল পরবর্তীকালে কলেজে রূপান্তরিত হলে তারই নামে এ নামকরণ করা হয়।
৩)নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।
৩.১)'জনগণমন'-কে জাতীয় সংগীতরূপে গ্রহণ করতে বিরোধিতা দেখা দিয়েছিল কেন রবীন্দ্রনাথের ব্যাখ্যায় সেই বিরোধের অবসান কীভাবে ঘটেছিল?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'জনগণমন'গানটিকে ভারতের 'জাতীয় সংগীত' হিসেবে গ্রহণের প্রস্তাব উঠলে রবীন্দ্র-বিরোধীরা প্রচার করেন যে, গানটি সম্রাট পঞ্চম জর্জের ভারত আগমন উপলক্ষ্যে রচিত।
*আলোচ্য অংশে, বিশ্বভারতীর প্রান পুলিনবিহা সেন রবীন্দ্রনাথকে চিঠি লিখে গানটি রচনার আসল উপলক্ষাটি জানতে চান। রবীন্দ্রনাথ ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ নভেম্বর তাকে লেখেন ভারতসম্রাটের আগমনের আয়োজন উপলক্ষ্যে তাঁর কোনো এক ইংরেজ ঘনিষ্ঠ বন্ধু কবিকে এই সম্রাটের জয়গান রচনা করতে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এই অদ্ভুত অনুরোধ শুনে কবি একই সঙ্গে ব্যথিত এবং রুদ্ধ হয়েছিলেন। এরই প্রবল প্রতিক্রিয়া হিসেবে তিনি 'জনগণমন- অধিনায়ক' গানটি রচনা করেছিলেন। ওই গানের মধ্য দিয়ে তিনি ভারত ভাগ্য বিধাতার জয় ঘোষণা করেন।ভারত ভাগ্য বিধাতা যে পঞ্চম বা ষষ্ঠ কোনো জর্জই হতে পারেন না,সে কথা রবীন্দ্রনাথের ব্যাখ্যার ফলে স্পষ্ট হয় এবং বিরোধের অবসান ঘটে।
৩.২) রবীন্দ্রনাথ গানটিকে পরেও নানা উপলক্ষ্যে ব্যবহার করেছেন।'- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ কীভাবে এইগানটি ব্যবহার করেন ।
উত্তর:'জনগণমন' গানটি প্রথম জনগণের সামনে পাওয়া হয় ২৭ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস'-এর ২৬ তম বার্ষিক অধিবেশনে কলকাতায়। গানটিকে নিয়ে সেসময়ে নানারকম ভুল বোঝাবুঝি হলেও রবীন্দ্রনাথ গানটিকে পরবর্তীকালে নানা উপলক্ষ্যে ব্যবহার করেছেন।
* দক্ষিণ ভারতে বেরিয়ে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ মদন পল্লীতে পৌঁছান।সেখানকার কলেজ'এরঅধ্যক্ষ এবং রবীন্দ্রনাথের বন্ধু জেমস এইচ কাজিস তাঁর সম্মানে এক সভার আয়োজন করেন। সেই সভায় রবীন্দ্রনাথ 'জনগণমন' গানটি পরিবেশন করেন। সেখানে তিনি গানটির নামকরণ করেন The Morning Song of India'।
*এরপর ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বরে রবীন্দ্রনাথ জেনিভা থেকে সোভিয়েত রাশিয়ায় পৌঁছান।মস্কোয় অনাথ বালক-বালিকারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানায়। সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বের পর তারা কবিকে গান গাইতে অনুরোধ করলে তিনি তাদের 'জনগণমন' গানটি গেয়ে শোনান।
ঘ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১)ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের যে অধিবেশনে 'জনগণমন' গানটি প্রথম গাওয়া হয়-
ক) সুরাট
খ) বোম্বাই
ঘ) লাহোর
ঘ) কলকাতা
উত্তর:(ঘ) কলকাতা
২)জনগণমন' প্রথম গাওয়া হয়েছিল-
ক) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর
খ) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর
গ) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৮ ডিসেম্বর
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:(ক) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর
৩)জনগণমন'র রিহার্সাল হয়েছিল যাঁর বাড়িতে-
ক) পুলিন-বিহারী সেন
খ) প্রমথনাথ বিশী
গ) নীলরতন সরকার
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর:(গ) নীলরতন সরকার
৪)‘জনগণমন' গানটি প্রথম গাওয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন-
ক) গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) শান্তিদেব ঘোষ
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর:(খ) দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫)রবীন্দ্রনাথ কত খ্রিস্টাব্দে জেনিভা থেকে রাশিয়া গিয়েছিলেন?
ক) ১৯৩০ সালে
খ) ১৯৩১ সালে
গ) ১৯৩৬ সালে
ঘ) ১৯৩৪ সালে
উত্তর:(ক) ১৯৩০ সালে
৬)তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকায় 'জনগণমন'-এর কী পরিচয় দেওয়া হয়?
ক) স্বদেশি গান
খ) ব্রাসংগীত
গ) বৃন্দগান
ঘ) রবীন্দ্রসংগীত
উত্তর;(খ) ব্রাসংগীত
৭)জীবনের ঝরাপাতা' গ্রন্থটির লেখক হলেন-
ক) স্বর্ণকুমারী দেবী
খ) সরলা দেবী
গ) মানকুমারী বসু
ঘ) কামিনী রায়
উত্তর;(খ) সরলা দেবী
৮)আমার সোনার বাংলা' গানের প্রথম দশটি পক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায়-
ক) ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে
খ) ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে
গ) ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে
ঘ) ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর:(ঘ) ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে
৯)বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত যে নামে পরিচিত-
ক) লোকসংগীত
খ) ঋতুসংগীত
গ) শ্যামাসংগীত
ঘ) স্বদেশিসংগীত
উত্তর:(ঘ) স্বদেশিসংগীত ভয় বড়
ঙ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)
১)ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম বার্ষিক অধিবেশন কবে হয়েছিল?
উত্তর:ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ২৬ তম বার্ষিক অধিবেশন হয়েছিল ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ থেকে ২৮ ডিসেম্বর।
২):জনগণমন' গানটির রিহার্সাল হয়েছিল কোথায়?
উত্তর:‘জনগণমন' গানটির রিহার্সাল হয়েছিল ডা. নীলরতন সরকারের হ্যারিসন রোডের বাড়িতে।
৩)কোন্ বছরের মাঘোৎসবে 'জনগণমন' গানটি 'ব্রহ্মসংগীত' হিসেবে গাওয়া হয়েছিল ?
, উত্তর:১৩১৮ বঙ্গাব্দের মাঘোৎসবে 'জনগণমন' গানটি ‘ব্রয়সংগীত’ হিসেবে গাওয়া হয়েছিল।
৪) সেই সভায় রবীন্দ্রনাথ গেয়েছিলেন 'জনগণমন, কোন সভার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর:রবীন্দ্রনাথের সম্মানে দক্ষিণ ভারতে মদনপল্লীতে থিয়সফিক্যাল কলেজ'-এর অধ্যক্ষ জেমস এইচ কাজিনস যে সভার আয়োজন করেছিলেন,এখানে সেই সভার কথা বলা হয়েছে।
৫)থিয়সফিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের নাম কী ছিল?
উত্তর:থিয়সফিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের নাম ছিল জেমস এইচ কাজিনস্।
৬)সরলা দেবীর লেখা বইটির নাম কী?
উত্তর:সরলা দেবীর লেখা বইটির নাম 'জীবনের ঝরাপাতা'।
৭)লেখিকা সরলা দেবী বোটের মাঝির কাছ থেকে কী সংগ্রহ করেছিলেন?
উত্তর:বোটের মাঝির কাছ থেকে লেখিকা সরলা দেবী অনেক বাউল গান সংগ্রহ করেছিলেন।
৮)কত খ্রিস্টাব্দে 'আমার সোনার বাংলা' গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায়?
উত্তর:১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে 'আমার সোনার বাংলা' গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায় ।
আরো পড়ুন:
ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পাগলা গনেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
একুশের কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আত্মকথার প্রশ্ন উত্তর Click Here
খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর Click Here
কুতুব মিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর প্রথম Part Click Here
মেঘ চোর গল্পের প্রশ্ন উত্তর দ্বিতীয় Part Click Here
দুটি গানের জন্মকথা Click Here
স্মৃতিচিহ্ন কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
নোট বই কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
চিরদিনের কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
ভানুসিংহের পত্রাবলী প্রশ্ন উত্তর click Here
রাস্তায় ক্রিকেট খেলা প্রশ্ন উত্তর click Here
গাধার কান গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
ভারত তীর্থ কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here
স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here
Health benefit of butter water click Here
চিন্তাশীল নাটকের প্রশ্ন উত্তর click here
দেবতাত্মা হিমালয় প্রশ্ন উত্তর click here
বাংলা ব্যাকরণ কারক ও অকারক সম্পর্ক Click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
মশা কয় প্রকার ও কী কী Click here
Eye বা চোখের প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান-তাপ Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান-চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click here
সপ্তম শ্রেণী পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ চুম্বকের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ বিজ্ঞান তড়িৎ এর প্রশ্ন উত্তর Click Here
সপ্তম শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান পরিবেশবান্ধব শক্তির প্রশ্ন উত্তর Click Here
0 Comments