আকাশে সাতটি তারা কবিতার প্রশ্ন উত্তর।আকাশের সাতটি তারা কবিতার বিষয়বস্তু।


আকাশে সাতটি তারা কবিতার প্রশ্ন উত্তর।আকাশের সাতটি তারা কবিতার বিষয়বস্তু।



সূচিপত্র:

ক) লেখক পরিচিতি 

খ) উৎস

গ)  বিষয়সংক্ষেপ 

ঘ) নামকরন

ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) প্রশ্নের মান-১

চ) কম-বেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও।(SAQ) প্রশ্নের মান-১

ছ) কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও। প্রশ্নের মান-৩

জ) কমবেশি ১৫০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও। প্রশ্নের মান-৫



ক) লেখক পরিচিতি:

জন্ম ও শৈশব:

১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের বরিশালের এক বৈদ্য পরিবারে জীবনানন্দের জন্ম হয়। জীবনানন্দের বাবার নাম সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দেবী। তিন ভাইবোনের মধ্যে জীবনানন্দ ছিলেন সবথেকে বড়ো।  জীবনানন্দের পিতা সত্যানন্দ ছিলেন একজন শিক্ষক, প্রাবন্ধিক এবং ব্রাহ্মবাদী নামে একটি পত্রিকার সম্পাদক। জীবনানন্দের মা ছিলেন সেই যুগের খ্যাতনামা কবি।


ছাত্রজীবন:

 জীবনানন্দের প্রাথমিক শিক্ষা হয় তাঁর মায়ের কাছেই। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে,নয় বছর বয়সে জীবনানন্দকে বরিশালের ব্রজমোহন স্কুলে ফিথ গ্রেডে ভরতি করা হয়। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি এই স্কুল থেকেই প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। বরাবর মেধাবী ছাত্র জীবনানন্দ দাশ ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইনটারমিডিয়েট পাস করার পর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি হন। এই কলেজ থেকেই ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে বিএ পাস করেন। ১৯২১-এ তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে ইংরেজিতে এমএ পাস করেন।


কর্মজীবন:

১৯২২ খ্রিস্টাব্দে জীবনানন্দ কলকাতার সিটি কলেজে শিক্ষকতা করতে শুরু করেন। ১৯২৭-এ তাঁর এই চাকরিটি চলে যায়। এরপর কিছুদিন তিনি বাগের হাট পিসি কলেজে এবং তারপর দিল্লির রামযশ কলেজে পড়ান। আবার তিনি বরিশালে ফিরে যান। ১৯৩০-এ লাবণ্যপ্রভা গুপ্তর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। ১৯৩৫-এ তিনি বরিশালের ব্রজমোহন কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। বছর দশেক পর তিনি আবার কলকাতায় ফিরে আসেন। ১৯৫০-এ খড়গপুর কলেজে পড়াতে শুরু করেন কিন্তু এই চাকরিটিও তাঁকে ছাড়তে হয়। এরপর বেহালার বড়িশা কলেজ এবং সবশেষে হাওড়া গার্লস কলেজে তিনি অধ্যাপনা করেছেন।


সাহিত্যজীবন:

জীবনানন্দ যে বছর বিএ পাস করেন সেই বছর ১৯১৯-এ ব্রাহ্মবাদী পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা 'বর্ষ আবাহন' প্রকাশিত হয়। ১৯২৭-এ প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরাপালক'। এরপর একে-একে প্রকাশিত হয় তাঁর ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)। জীবনানন্দের রূপসী বাংলা এবং বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ দুটি প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পর। তিনি কয়েকটি উপন্যাসও লিখেছিলেন,যেমন-বাসমতীর উপাখ্যান, জীবনপ্রণালী, কারুবাসনা, ইত্যাদি। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটোগল্পগুলি হল-একঘেয়ে জীবন, বৃত্তের মতো,চাকরি নেই,কুয়াশার ভিতর মৃত্যুর সময়' ইত্যাদি। তাঁর কয়েকটি প্রবন্ধের মধ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভবিষ্যৎ, কবিতার আত্মা ও শরীর, ইত্যাদি 


সম্মান ও স্বীকৃতি:

 তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর সাহিত্য আকাডেমি পুরস্কারে ভূষিত করেন। 


জীবনাবসান:

১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ১৪ অক্টোবর কবির মৃত্যু হয়।


খ)উৎস:

‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


গ)সারসংক্ষেপ:

'আকাশে সাতটি তারা' কবিতাটিতে কবি জীবনানন্দ দাস বাংলার এক শান্ত সন্ধ্যার ছবি এঁকেছেন। সূর্য ডোবার পর আকাশে সাতটি তারার কথা বলা হয অর্থাৎ সপ্তর্ষিমণ্ডলের কথা বলেছেন।সূর্যাস্তের আভায় পাকা কামরাঙা ফলের মতো লাল টুকটুকে মেঘ যখন দিগন্তরেখায় সাগরজলে ডুবে গেছে মনে হয় তখন ঢেউয়ের রং-ও হয়ে ওঠে লাল।কবির মনে হয় যেন এক মৃত মনিয়া পাখির রক্তে লাল হয়ে উঠেছে জল। কবির মনে হয় এক এলোকেশী মেয়ে দেখা দিয়েছে আকাশে। কবির কল্পনার সেই মেয়েটি আসলে সন্ধ্যাকালীন বাংলার রূপ। মাটির বুকে ধীরে ধীরে নেমে আসা অন্ধকার যেন তার কালো চুলের রাশি। কবির মুগ্ধ চোখের সামনে আঁধার ঘনিয়ে সে তার চুলের স্পর্শ অনুভব করায় কবিকে। কবি যেমন করে ‘বাংলার মুখ' দেখেছেন তেমন করে আর কেউ দেখেনি।সেই এলোকেশীর চুলের স্পর্শে

হিজল-কাঁঠাল-জামের পাতা ছুঁয়ে নামে রাত্রি। রূপসি বাংলার সন্ধ্যার যে মধুর গন্ধ তা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। ধান গাছ,কলমি শাক,হাঁসের ভেজা পালক,শরের মৃদু গন্ধ,পুকুরের সোঁদা গন্ধ, মাছের আঁশটে গন্ধ, কিশোরী মেয়ের চালধোয়া ভিজে ঠান্ডা হাতের গন্ধ, কিশোরের পায়ে দলা সুগন্ধি মুথাঘাসের গন্ধ আর বট ফলের হালকা গন্ধ মিলেমিশে তৈরি করে বাংলার সন্ধ্যার আমেজ। এই সহজসরল গ্রাম্য প্রকৃতি আর মানুষের মধ্যেই কবি খুঁজে পান তাঁর রূপসি বাংলাকে।


ঘ)নামকরণ:

কবিতার নামকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।কবিতার ক্ষেত্রে সাধারণত বিষয়বস্তু বা ব্যঞ্জনা অনুযায়ী নামকরণ হয়ে থাকে।

কবিতার প্রথম পক্তি অনুসারে ‘আকাশে সাতটি তারা' নামটি সংকলকদের দেওয়া।

‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতাটিতে কবি দিনের একটি বিশেষ সময় সন্ধ্যাকে বেছে নিয়েছেন। কবির চোখে তাঁর অতি প্রিয় রূপসি বাংলা সন্ধ্যার সময় যে রূপে ধরা দিয়েছে তাকেই তিনি বিভিন্ন সব খেয়ে ভঙ্গিতে প্রকাশ করেছেন। সবে যখন সূর্য অস্ত গিয়ে আকাশে দেখা দিয়েছে সপ্তর্ষিমণ্ডল তখন সূর্যের শেষ আভায় কামরাঙার মতো লালমেঘ বিলীন হয় পরে সাগরজলে। কবির উপলব্ধি হয় এক এলোকেশী কন্যা যেন দেখা দিয়েছে বাংলার সন্ধ্যা নীলআকাশে। মাটির বুকে ধীরে ধীরে নেমে আসা অন্ধকার যেন সেই মেয়ের ছড়িয়ে পড়া কালো চুলের রাশি। কবি তাঁর চোখ-মুখ-নাক অর্থাৎ তাঁর প্রতিটি ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করেন সেই ঘনিয়ে আসা অন্ধকারকে। তাঁর মনে হয় পৃথিবীর কোনো পথ বা অঞ্চলে প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য দেখেনি। 


হিজল-কাঁঠাল-জামের পাতা চুঁইয়ে নামা রাত্রি যেন সেই রূপসির চুলের আদরমাখা স্পর্শ। শুধু চোখ বা ত্বক দিয়ে নয় কবি ঘ্রাণেন্দ্রিয় দিয়েও অনুভব করেন সন্ধ্যাকে। পরিবেশের অনেক রকমের গন্ধ মিলেমিশে তৈরি হয় সন্ধ্যার এক বিশেষ গন্ধ। ধান গাছ, কলমি শাক, জলে ভেজা হাঁসের পালক, শর ইত্যাদির মৃদু গন্ধ,পুকুরের সোঁদা গন্ধ, মাছের আঁশটে গন্ধ, কিশোরী মেয়ের চালধোয়া ভিজে ঠান্ডা হাতের গন্ধ, কিশোরের পায়ে দলা মুথাঘাসের গন্ধ আর বট ফলের হালকা গন্ধ মিশে তৈরি হয় বাংলার একান্ত নিজস্ব সন্ধ্যার মধুর শীতল গন্ধ।এইভাবে কবি বর্ণ-গন্ধ-স্পর্শ দিয়ে অনুভব করেন বাংলাকে।তাই কবিতাটির নামকরণ সার্থক ও যথার্থ হয়েছে।


ঙ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) প্রশ্নের মান-১


১)'আকাশে সাতটি তারা' কবিতাটির রচিয়তা- ক)দিনেশ দাস

খ)জীবনানন্দ দাশ 

গ)গোবিন্দ দাস

ঘ) শঙ্খ ঘোষ 

উত্তর:(খ)জীবনানন্দ দাশ 


২) 'আকাশের সাতটি তারা'-যে কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত সেটি হল-

ক)সাতটি তারার তিমির

খ) বনলতা সেন

গ) রূপসী বাংলা

ঘ) ঝরা পালক

উত্তর:(গ) রূপসী বাংলা


৩) আকাশের তারা উঠেছে-

ক)দশটি

খ)সাতটি

গ)পাঁচটি

ঘ)অসংখ্য

উত্তর:(খ)সাতটি


৪) কামরাঙা হলো-

ক)এক ধরনের মাছ 

খ)এক ধরনের ফল 

গ)এক ধরনের নৌকা 

ঘ) কোনটিই নয়

উত্তর:(খ)এক ধরনের ফল 


৫) 'কামরাঙা- লাল মেঘ।' কিসের মতো?

ক) মৃত মনিয়ার মতো

খ)শান্ত ও অনুগত

গ)চাঁদের জ্যোৎস্নার মত 

ঘ)মৃত ঢেউয়ের মতো

উত্তর:(ক) মৃত মনিয়ার মতো


৬) কবির মতে নীল সন্ধ্যা হল-

ক)অনুগত 

খ)শান্ত অনুগত 

গ)চঞ্চল

ঘ) শান্ত 

উত্তর:(খ)শান্ত অনুগত 


৭) সন্ধ্যাকে তুলনা করা হয়েছে-

ক)মনিয়ার সঙ্গে 

খ) কামরাঙ্গা মেঘের সঙ্গে

গ) কেশবতী কন্যার সঙ্গে

ঘ) রূপসীর চুলের সঙ্গে

উত্তর:(গ) কেশবতী কন্যার সঙ্গে


৮) কবির কল্পনায় কেশবতী কন্যা হচ্ছে-

ক) আকাশের সাতটি তারা

খ) বাংলার নীল সন্ধ্যা

গ) গঙ্গাসাগরের ঢেউ

ঘ) মৃত মনিয়া

উত্তর:(খ) বাংলার নীল সন্ধ্যা


৯) 'চুল তার ভাসে'-কোথায় তার চুল ভাসে? ক)গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে

খ)কবির চোখে মুখের উপর

গ) পৃথিবীর উপরে

ঘ) ঘাসের উপর

উত্তর:(খ)কবির চোখে মুখের উপর


১০) কবিতায় কবি কিসের মৃদু ঘ্রাণের কথা বলেছেন? 

ক)হাঁসের পালক

খ)পুকুরের জল 

গ) চাঁদা- সরপুঁটিদের

ঘ) মুথা ঘাস

উত্তর:(গ) চাঁদা- সরপুঁটিদের


১১) 'কিশোরীর চালধোয়া ভিজে হাত' এর অনুভূতি কোভিদ কাছে তুলনীয়-

ক) বর্ষার সঙ্গে

খ) গ্রীষ্মের সঙ্গে

গ) শরতের সঙ্গে

ঘ) শীতের সঙ্গে

উত্তর:(ঘ) শীতের সঙ্গে


১২)'হিজলে কাঁঠালে জামে ঝড়ে অবিরত'- এখানে কবি ঝরে অবিরত বলতে বুঝিয়েছেন-

ক) রাতের শিশির

খ) লাল বটের ফল

গ) অজস্র চুলের চুমা

ঘ) কলমির ঘ্রাণ

উত্তর:(গ) অজস্র চুলের চুমা


চ) কম-বেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও।(SAQ) প্রশ্নের মান-১


১)আকাশে সাতটি তারা ওঠার সময় কবি কোথায় বসে থাকেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,আকাশে সাতটি তারা ফুটে ওঠার সময় কবি ঘাসের ওপর বসেছিলেন।


২)কাকে মৃত মনিয়ার মতো মনে হয়েছে?

উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে,কামরাঙা-লাল মেঘকে মৃত মনিয়ার মতো মনে হয়েছে।


৩)গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে কে ডুবে গেছে?

উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে,গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে কামরাঙা-লাল মেঘ ডুবে গেছে। 


৪)কবি কাকে শান্ত অনুগত বলেছেন?

উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

* আলোচ্য অংশে কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার নীল সন্ধ্যাকে শান্ত অনুগত বলেছেন।


৫) কবি বাংলার সন্ধ্যাকে 'নীল' বলে মনে করেছেন কেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে কবি সান্ধ্য আঁধারের আবছায়া অস্পষ্টতাকে মায়াবী সৌন্দর্যের রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে সচেতনভাবে ‘নীল' শব্দটি প্রয়োগ করেছেন।


৬)বাংলার সন্ধ্যাকে কবি ‘শান্ত অনুগত' বলেছেন

কেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,কবি বঙ্গপ্রকৃতির বুকে সন্ধ্যাকে নিঃশব্দে নেমে আসতে দেখে তাকে ‘শান্ত অনুগত' বলেছেন।


৭)"কেশবতী কন্যা' বলতে কবি কাকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে কবি কেশবতী কন্যা' বলতে বাংলার নীল সন্ধ্যাকে বুঝিয়েছেন।


৮)বাংলার নিসর্গ প্রকৃতির বুকে নেমে আসা সন্ধ্যাকে কবি কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,বাংলার নিসর্গ প্রকৃতির বুকে নেমে আসা সন্ধ্যাকে কবি ‘কেশবতী কন্যা'-র সঙ্গে তুলনা করেছেন।


৯)কবির চোখ-মুখের ওপরে কার চুল ভাসে?

উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,কবির চোখ-মুখের ওপরে কেশবতী কন্যার চুলের মতো নীল সন্ধ্যার লাবণ্যময় আঁধার ভেসে বেড়ায়।


১০)'পৃথিবীর কোনো পথ এ কন্যারে দেখে নিকো”-এমন বলার কারণ কী?

উত্তর:বাংলার প্রকৃতির অতুলনীয় সান্ধ্যকালীন সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলতেই কবি তাকে কেশবতী কন্যার রূপ হিসেবে তুলে ধরেছেন।


১১) 'এ কন্যাকে দেখে নি কো–কবি এখানে কার কথা বলেছেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,কবি জীবনানন্দ দাশ সান্ধ্য নীলিমায় আচ্ছন্ন বঙ্গপ্রকৃতির কথা বলেছেন।


১২)সন্ধ্যা নামক কেশবতী কন্যার অজস্র চুল কাকে চুম্বন করে?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে,সন্ধ্যা নামক কেশবতী কন্যার অজস্র চুল হিজল,কাঁঠাল,জামকে অবিরত চুম্বন করে।


১৩) কিশোরীর চালধোয়া হাত কেমন ছিল?

উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা' কবিতায় কিশোরীর চালধোয়া হাত ভিজে ও শীতার্ত ছিল।


১৪)'এরই মাঝে বাংলার প্রাণ-বাংলার প্রাণ কীসের মধ্যে আছে?


উত্তর:আকাশে সাতটি তারা' কবিতা অনুসারে লাল লাল বটফলের ব্যথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতায় যেন বাংলার প্রাণ লুকিয়ে আছে।


১৫)'আকাশে সাতটি তারা' কবিতায় কোন্ কোন গাছের কথা উল্লেখ আছে?


উত্তর: আকাশে সাতটি তারা' কবিতায় হিজল, কাঁঠাল,জাম,ধান,কলমি ও বট গাছের কথা বিভিন্ন প্রসঙ্গে উল্লিখিত হয়েছে।


ছ) কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও। প্রশ্নের মান-৩


১)'কামরাঙা লাল মেঘ যেন মৃত মনিয়ার মতো- গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে ডুবে গেছে ' -পক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

 আলোচ্য অংশে কবি বাংলার বুকে দিন শেষ হয়ে ধীরে ধীরে সন্ধ্যার নেমে আসার এক অপূর্ব বর্ণনা দিয়েছেন। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর তার শেষ আভাটুকু রাঙিয়ে দেয় আকাশের মেঘকে। লাল টুকটুকে মেঘকে দেখে কবির পাকা কামরাঙা ফলের কথা মনে হয়। সেই মেঘ যখন গঙ্গাসাগরে ডুবে যায় তা এতটাই নিঃশব্দে ঠিক যেমন মৃত মনিয়া ডুবে যায় তরঙ্গহীনভাবে।


২)'কেশবতী কন্যা যেন এসেছে আকাশে"-পক্তিটি ব্যাখ্যা করো।


 উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশের কবি তাঁর একান্ত নিজস্ব ভঙ্গিতে পল্লিবাংলার সন্ধ্যাকে বর্ণনা করেছেন।সূর্য ডুবে গেলে যখন দিনের আলো ফিকে হয়ে আসে,কবির মনে হয় যেন এক কেশবতী কন্যা এসেছে সন্ধ্যার আকাশে। তার ছড়িয়ে পড়া কালো চুলে ঘনিয়ে আসে রাতের অন্ধকার। কবির চোখে এভাবেই কাব্যিকরূপে ধরা দেয় পল্লিবাংলার সন্ধ্যা।


৩)আমার চোখের  পরে আমার মুখের পরে চুল তার ভাসে'- পঙ্ক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে, সবে যখন সূর্য অস্ত গেছে,আকাশে তারার বিন্দু ফুটে উঠছে সেইসময় কবি ঘাসের উপর বসে গন্ধ-বর্ণ-স্পর্শ দিয়ে পল্লিবাংলার সন্ধ্যাকে অনুভব করেন। তাঁর মনে হয় যেন এক এলোকেশী মেয়ে দেখা দিয়েছে সন্ধ্যার আকাশে। তার ছড়িয়ে পড়া কালো চুলের মতো ধীরে ধীরে অন্ধকার নামে। কবি তাঁর চোখে-মুখে সেই চুল অর্থাৎ অন্ধকারের স্পর্শ অনুভব করেন।


৪)"আকাশে সাতটি তারা যখন উঠেছে ফুটে আমি পাই টের’ ‘আমি’ কে? তিনি কী টের পান?


উত্তর: ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতা থেকে গৃহীত আলোচ্য পঙ্ক্তিটিতে ‘আমি’ হলেন কবি জীবনানন্দ দাশ নিজে।

** যখন আকাশে সাতটি তারা ফুটে ওঠে তখন কবি টের পান যে বাংলার প্রকৃতি এবং সেই প্রকৃতি-লালিত জীবনের মধ্যেই রয়েছে বাংলার প্রাণ। নরম ধানের গন্ধ, কলমির গন্ধ, হাঁসের পালক, শর,পুকুরের জল, চাঁদা-সরপুঁটিদের মৃদু গন্ধ-এসবে কবি বাংলার প্রাণ খুঁজে পান। আবার কিশোরীর চালধোয়া ভিজে হাত, কিংবা কিশোরের পায়ে দলা মুথাঘাসে এই প্রাণময়তাকে কবি দেখেন। খসে পড়া লাল বট ফলের ক্লান্ত নীরবতাতেও তিনি বাংলার প্রাণকে উপলব্ধি করেন। এইসবই তিনি টের পান আকাশের সাতটি তারা উঠলে।


৫) 'পৃথিবীর কোনো পথ এ কন্যারে দেখে নি কো' -কবির বক্তব্য বিশ্লেষণ করো।


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।


আলোচ্য অংশে, কবি ঘাসের উপর বসে পল্লিবাংলার দিন ও রাত্রির সন্ধিক্ষণে সন্ধ্যাকে নিবিড়ভাবে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর মনে হয় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে যেন এক এলোকেশী কন্যার আবির্ভাব হয় বাংলার আকাশে। তার ছড়িয়ে পড়া চুল ছুঁয়েই নেমে আসে অন্ধকার। কবির কল্পনার এই কন্যা আসলে বাংলার সান্ধ্য প্রকৃতি। রূপসি বাংলার মতো সৌন্দর্য পৃথিবীর আর কোথাও নেই, তাই আর কেউ এই কন্যাকে দেখেনি।


৬) “অজস্র চুলের চুমা হিজলে কাঁঠালে জামে ঝরে অবিরত,"পঙ্ক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

 আলোচ্য অংশে,কল্পনাপ্রবণ চোখে ধরা পড়েছে পল্লিবাংলার সন্ধ্যার অপরূপ সৌন্দর্য। তাঁর মনে হয় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে যেন এক রূপসি এলোকেশী মেয়ে দেখা দেয় বাংলার আকাশে। আকাশ থেকে তার ছড়িয়ে পড়া কালো চুল ধীরে ধীরে অন্ধকারের স্পর্শ নিয়ে আসে প্রকৃতির বুকে হিজল-কাঁঠাল-জামের পাতায় সেই সোহাগভরা অন্ধকারের স্পর্শ যেন আসলে সেই রূপসির চুলের চুম্বন।


জ) কমবেশি ১৫০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও। প্রশ্নের মান-৫


১)"পৃথিবীর কোনো পথ এ কন্যারে দেখে নি কো”- এখানে কোন্ কন্যার কথা বলা হয়েছে? পৃথিবীর কোনো পথ তাকে দেখেনি কেন?


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে কবির কল্পনায় বাংলার সান্ধ্য প্রকৃতি যে এলোকেশী মেয়ে দেখা দেয় তার কথা বলা হয়েছে।


* জীবনানন্দ বাংলার সৌন্দর্যকে শুধু চোখ দিয়ে দেখেননি,সমস্ত ইন্দ্রিয় দিয়েও তাকে অনুভব করেছেন। সূর্যাস্তের ঠিক পরে ঘাসের উপর বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে সদ্য-ফোটা সপ্তর্ষিমণ্ডলের পাশে কবি কল্পনায় এক এলোকেশী কন্যাকে দেখতে পান। কবি তাঁর চোখে-মুখে সেই রূপসির চুলের অর্থাৎ অন্ধকারের স্পর্শ অনুভব করেন। হিজল কাঁঠাল-জাম গাছের পাতা ছুঁয়ে নেমে আসা অন্ধকার যেন সেই সুন্দরীর চুলের আদরের চুম্বন। 


*সেই এলোকেশীর চুলের মধুর গন্ধ কবিকে মুগ্ধ করে। এই গন্ধ আসলে পল্লিবাংলার প্রকৃতির সন্ধ্যাকালীন গন্ধ। ধান গাছ, কলমি শাক,শর,ঘাস, বট ফল, হাঁসের পালক,পুকুর,মাছ,মানুষ-সকলের গন্ধ মিশে তৈরি হয় এই বিশেষ গন্ধ। কবির কল্পনার এই এলোকেশী কন্যা আসলে পল্লিবাংলার সান্ধ্য-প্রকৃতি। গাছপালা,মানুষ, মনুষ্যেতর জীব-সবাইকে নিয়েই এই প্রকৃতির পরিপূর্ণতা। জীবনানন্দের চোখে রূপসি বাংলার এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পৃথিবীর আর কোথাও দেখতে পাওয়া যায় না।


২)আকাশে সাতটি তারা' কবিতায় কবির দেখা বাংলার রূপ নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।


উত্তর:জীবনানন্দ দাশের রচিত 'আকাশের সাতটি তারা' কবিতাটি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশে কবি জীবনানন্দ সান্ধ্যকালীন রূপসি বাংলার যে সৌন্দর্য দেখেছেন তাই ব্যক্ত করেছেন 'আকাশে সাতটি তারা' কবিতায়।


* সূর্য যখন অস্ত যায় তখন তার লাল আভায় আকাশের মেঘ পাকা কামরাঙা ফলের মতো লাল হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণ পর সেই মেঘও দিগন্তরেখায় মিশে যায়। আকাশে তারা ফুটে ওঠে। বাংলার সন্ধ্যা  পৃথিবীর সব জায়গার থেকে আলাদা। 


* সূর্য অস্ত গেলে যেন এক এলোকেশী মেয়ে দেখা দেয় বাংলার আকাশে। তার ছড়িয়ে পড়া কালো চুল ধীরে ধীরে অন্ধকার নিয়ে আসে বাংলার প্রকৃতির বুকে। হিজল-কাঁঠাল-জাম ইত্যাদি গাছের পাতা ছুঁয়ে নেমে আসা অন্ধকার যেন সেই রূপসিরই চুলের সোহাগভরা চুম্বন।


* কবি বাংলার সন্ধ্যার রূপ শুধু চোখেই দেখেননি, গন্ধেও তাকে অনুভব করেছেন। গাছপালা, লতা-গুল্ম, ঘাস, ফল,পুকুর,মাছ,হাঁস,মানুষ-সব কিছুর গন্ধ মিলে তৈরি হয় বাংলার সন্ধ্যার গন্ধ। কবির মনে হয় এ যেন সেই এলোকেশী কন্যার চুলের স্নিগ্ধ সুবাস ।

এইভাবে গাছপালা,মানুষ, অন্যান্য জীবকে নিয়ে বাংলার যে পরিপূর্ণ প্রকৃতি, তার মধ্যেই জীবনানন্দ খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর রূপসি বাংলাকে।


আরো পড়ুন:

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

ধীবর-বৃত্তান্ত নাট্যাংশের প্রশ্নউত্তর Click Here 

ইলিয়াস গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

 দাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here

 নব নব সৃষ্টি প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর Click Here

 হিমালয় দর্শন গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 

ভাঙার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here

  আবহমান কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here

 আমরা কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here 

খেয়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here

আকাশের সাতটি তারা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here 

নিরুদ্দেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর click here

রাধারানী গল্পে প্রশ্ন উত্তর Click Here 

চন্দ্রনাথ গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click Here  

চন্দ্রনাথ গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-2 click Here 


ব্যোমযাত্রীর ডায়েরির প্রশ্ন উত্তর Click Here 

কর্ভাস গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here 


Teles of Bhola grandpa Lesson1 Unit 1 Click Here

Teles of Bhola grandpa Unit 2 Click Here


All about a Dog Lesson 2-Unit -1 -Click Here

All about a Dog Lesson 2 Unit 2 Click Here


Autumn poem Lesson 3 Part 1 Click Here


A Day in the zoo Lesson 4 Part 1 Click Here

A Day in the zoo Lesson 4 part 2 Click Here


All Summer in a Day Lesson 5 part 1 Click Here

The price of bananas part 1 click Here 

The price of bananas part 2 click Here 

Hunting snake poem question answer click Here 

Cucumber is beneficial for the body click Here



ডাবের জলে উপকারিতা click Here 

দুধের উপকারিতা click here

ওজোন গ্যাস click here 

রক্ত সম্পর্কে আলোচনা click here 


অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here 

থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here 



প্রবন্ধ রচনা দৈনন্দিন জীবনের বিজ্ঞান Click here 

একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা click here 

বাংলার উৎসব প্রবন্ধ রচনা Click here 

বিজ্ঞান ও কুসংস্কার প্রবন্ধ রচনা Click here 

গাছ আমাদের বন্ধু প্রবন্ধ রচনা Click here 

মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

মোবাইল ফোনের ভালো মন্দ প্রবন্ধ রচনা Click here 

বইমেলা প্রবন্ধ রচনা Click here 

বিজ্ঞান ও কুসংস্কার প্রবন্ধ রচনা Click here 

বিজ্ঞান আশীর্বাদ না অভিশাপ প্রবন্ধ রচনা Click here 

তোমার প্রিয় কবি- কাজী নজরুল ইসলাম প্রবন্ধ রচনা 

মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা প্রবন্ধ রচনা Click here 
ডেঙ্গু- একটি ভয়াবহ রোগ প্রবন্ধ রচনা Click here 


ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here 

ব্যঞ্জনধ্বনি প্রশ্ন উত্তর Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর part-1 Click here 

ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন উত্তর Part-2 Click here 

সন্ধির প্রশ্ন উত্তর Click here 

শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায় উপসর্গ ও অনুসর্গ প্রশ্ন উত্তর

শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায় ধাতু ও প্রত্যয় প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাংলা শব্দভাণ্ডারের প্রশ্ন উত্তর Click here 

বাংলা শব্দ কয় প্রকার ও কি কি Click here 

পদ কয় প্রকার ও কি কি Click here 
পদের দ্বিতীয় ভাগ- বিশেষণপদ Click here 


পদের চতুর্থ ভাগ অব্যয় পদ Click here 
পদের পঞ্চম ভাগ ক্রিয়াপদ Click here 




















Post a Comment

0 Comments