ক) কবি পরিচিতি
খ) কোনি উপন্যাসের নামকরণ
গ)কোনি উপন্যাসের সারসংক্ষেপ
ঘ) রচনাধর্মী বা বড় প্রশ্নোত্তর। প্রশ্নের মান-৫
ক)কবি পরিচিতি:
জন্ম ও বংশপরিচয়:
১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের উত্তর কলকাতার মতি নন্দীর জন্ম। তাঁর বাবার নাম- চুনীলাল নন্দী এবং মায়ের নাম- মলিনাবালা নন্দী।
কর্মজীবন:
ক্যানিংয়ের কাছে ছোটো একটি গ্রামের স্কুলের শিক্ষকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের সূচনা। সন্তোষকুমার ঘোষের তত্ত্বাবধানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকায় তাঁর নতুন কর্মজীবন নতুনভাবে শুরু করেন। বাংলা ক্রীড়া সাংবাদিকতার ধারা সম্পূর্ণ বদলে আধুনিক করে তুলেছেন মতি নন্দী। তাঁরই হাতে সাহিত্য ও সাংবাদিকতার মেলবন্ধন ঘটেছে।
সাহিত্যজীবন:
১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প 'ছাদ' প্রকাশিত হয়। তারপর 'পরিচয়' পত্রিকায় তাঁর দ্বিতীয় গল্প 'চোরা ঢেউ' প্রকাশ পায়। ১৯৫৮-তে পরিচয় পত্রিকায় তাঁর 'বেহুলার ভেলা' গল্পটি বাংলা সাহিত্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে।তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ গুলি হল-উপন্যাস: সাদা খাম,গোলাপ বাগান, ছায়া, জীবন্ত, ছায়া সরণীতে রোহিণী,দূরদৃষ্টি,
বিজলী বালার মুক্তি প্রভৃতি।
শিশু-কিশোর কাহিনি:
কোনি,স্টপার,স্ট্রাইকার,জীবন অনন্ত,তুলসী, মিনু-চিনুর ট্রফি,ধানকুড়ির কিংকং,কলাবতী প্রভৃতি।
চলচ্চিত্রে মতি নন্দীর সাহিত্য:
মতি নন্দীর কোনি ও স্ট্রাইকার উপন্যাস দুটি চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে সরোজ দে-র পরিচালনায় কোনি উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়। এই চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত ‘ফাইট, কোনি ফাইট' এক বিখ্যাত স্লোগানে পরিণত হয়, যা পরবর্তী সময়ে অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগায়।
পুরস্কার ও সম্মান:
মতি নন্দী ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে আনন্দ পুরস্কার পান, ১৯৯১-এ 'সাদা খাম' উপন্যাসের জন্য পান সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। মতি নন্দী পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির শিশু ও কিশোর সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০০০ খ্রিস্টাব্দে পুরস্কার পান।২০০৮ খ্রিস্টাব্দে অসাধারণ সাংবাদিকতার জন্য তাঁকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার দেওয়া হয়।
প্রয়াণ:
২০১০ খ্রিস্টাব্দের ৩ জানুয়ারি এই বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক ও সাহিত্যিকের জীবনাবসান হয়।
খ) কোনি উপন্যাসের নামকরণ:
সাহিত্যের যে-কোনো শাখার ক্ষেত্রেই নামকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।বিভিন্ন দিক থেকে একটি রচনার নামকরণ করা যেতে পারে। তা চরিত্রভিত্তিক অথবা ব্যঞ্জনাধর্মী কিংবা ঘটনাকেন্দ্রিক যে-কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই হতে পারে। আমাদের পাঠ্য উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নামই কোনি। সেদিক থেকে বিচার করে দেখলে উপন্যাসটির নাম চরিত্রভিত্তিক।
উপন্যাসের মূল চরিত্র কোনি হল প্রায় অশিক্ষিত, বস্তিবাসী একটি মেয়ে। সেখান থেকে শত অপমান, লাঞ্ছনা অতিক্রম করে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই তার সাঁতারু সফল হওয়ার যাত্রা। তার এই যাত্রার পথপ্রদর্শক তার গুরু, সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ। কোনিকে ক্ষিতীশ প্রথম দেখেন গঙ্গার ঘাটে। আম কুড়োনোর জন্য কোনির মধ্যে যে লড়াকু ভঙ্গি আমরা দেখি সেখানেই 'ফাইট, কোনি ফাইট' স্লোগানটি সার্থক হয়ে ওঠে। কোনি নামক মেয়েটির দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের সঙ্গী হয়ে উঠি। কীভাবে বস্তির হতদরিদ্র মেয়েটি ক্ষিতীশ সিংহের পর্যবেক্ষণে আসে, তাঁরই ছত্রছায়ায় পরিশ্রমে এক দক্ষ সাঁতারু হয়ে ওঠে তার এক আশ্চর্য এবং বিস্ময়কর এই উপন্যাস।অনেক বাধা অতিক্রম করে সে বেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন অমিয়াকে হারিয়ে অপমানের জবাব দেয়। তখনই কোনি আমাদের চোখে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে। কিন্তু তার লড়াই শেষ এখানেই নয়, বাংলা দলে স্থান পেয়ে মাদ্রাজ যাওয়ার পরও সংকীর্ণ দলাদলি এবং তার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহের প্রতি অন্যায় ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় কোনিকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করার দায়িত্ব আসে কোনির উপরেই। বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করে তোলার মধ্য দিয়েই কোনি সমস্ত অন্যায়, অপমান ও অবহেলার জবাব দেয়। ক্ষিতীশ সিংহের স্বপ্ন সে পূরণ করে। মূল চরিত্র কোনির এই লড়াইয়ের কাহিনিই উপন্যাসটির প্রাণ।তাই উপন্যাসটির নামকরণ স্বার্থ ও যথার্থ হয়েছে।
গ)কোনি উপন্যাসের সারসংক্ষেপ:
‘কোনি’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য হল, দুই মুখ্য চরিত্র ক্ষিতীশ ও তাঁর শিষ্যা কোনির দারিদ্র জীবনের কাহিনি।দরিদ্র পরিবারের সন্তান কোনি দক্ষ সাঁতারু, কিন্তু তার সেই কলাকুশলতা প্রশিক্ষিত ক্ষিতীশের হাত ধরে। ক্ষিতীশ নিজেও এক প্রশিক্ষক। তাঁর শাসন,তাঁর শিক্ষাগ্রহণ করার মতো শিষ্য তিনি আজও পাননি। তাই সুযোগ্য শিষ্যের সন্ধানে তিনি ঘুরে বেড়ান।
অন্যদিকে,জুপিটার সুইমিং ক্লাবের পরিচালন সমিতির সদস্যরা ক্ষিতীশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে। তাঁকে ক্লাবের চিফ ট্রেনারের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।এমন এক পরিস্থিতিতে ক্ষিতীশ সন্ধান পান কোনির। তাঁর জহুরির চোখ মুহূর্তের মধ্যে হীরেকে চিনে ফেলে।এরপর বাকিটা ইতিহাস। প্রচণ্ড পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ কোনিকে এনে দেয় সাফল্য। অমিয়া, বেলা, হিয়া মিত্র, রমা যোশি প্রমুখ বাংলা তথা বাংলার বাইরের সমস্ত দক্ষ সাঁতারু একে একে পরাস্ত হয় কোনির কাছে। নানারকম চক্রান্তের জাল বুনেও প্রকৃত প্রতিভাকে যে দমিয়ে রাখা যায় না,তাই আরও একবার প্রমাণিত হয়।
যন্ত্রণায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া শরীরটাকে টেনে তুলে আবার নিজেকে গুছিয়ে নিতে হয়েছে কোনিকেই। সমগ্র উপন্যাসের দেহ জুড়ে কোনির তিল তিল করে এগিয়ে যাওয়ার স্বাক্ষর।
কোনির জাতীয় চ্যাম্পিয়ন শিপের সাফল্য প্রমাণ করে দেয় প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সাঁতার প্রশিক্ষকদের সমতুল্য। কিন্তু সাঁতারু কোনির প্রথম সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গেই উপন্যাসের ইতি ঘটে, অর্থাৎ তার জলে ও জীবনের লড়াই শুরু করে সে এক শিখর স্পর্শ করে এ কথা সত্য; তবে তা কখনোই শেষ হয় না। তাই এই উপন্যাসের নাম ‘কোনি’।
ঘ) রচনাধর্মী বা বড় প্রশ্নোত্তর। প্রশ্নের মান-৫
১)“আজ বারুণী। গঙ্গায় আজ কাঁচা আমের ছড়াছড়ি।”- বারুণী কী? গঙ্গাতীরের বর্ণনা পাঠ্যাংশে অনুযায়ী নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর:মতি নন্দীর রচিত 'কোনি'গল্পে কৃষ্ণাচতুর্দশী তিথিতে পুণ্যস্নান দ্বারা পালনীয় বিশেষ প্রথা হল-বারুণী। এই দিন মনস্কামনা পূরণের ইচ্ছায় গঙ্গাদেবীর উদ্দেশে কাঁচা ফল দান করা হয়।
* গঙ্গাতীরের বর্ণনা:বারুণী প্রথায় সকলেই গঙ্গাকে কাঁচা আম নিবেদন করেছিলেন। ফলে,গঙ্গার ঘাটে প্রচুর কাঁচা আম ভেসে যাচ্ছিল। মহা উৎসাহের সঙ্গে একদল ছেলেমেয়ের সেই আম কুড়োচ্ছিল।এমন সময়, ভাটার ফলে জল কিছুটা দূরে সরে যাওয়ায় কাদা মাখা পায়ে স্নান সেরে ফেরা লোকেদের মুখে ছিল বিরক্তির ছাপ। স্নান সেরে ফেরার পথে অনেকে যাচ্ছিল ঘাটের মাথায় বসে থাকা বামুনদের কাছে। এই বামুনরা সকলের জামাকাপড় জমা রাখে, সরষের তেল বা নারকেল তেল দেয়, আর স্নান সেরে লোকেরা এলে দক্ষিণা নিয়ে কপালে চন্দনের ছাপ এঁকে দেয়। এ ছাড়া গঙ্গার ধারে ছিল নানারকম জিনিসের দোকান, ছোটো ছোটো একাধিক মন্দির। বারুণীর দিন বলেই হয়তো গঙ্গার পাড়ে ভিখিরিদের আনাগোনা ছিল বেশি।
*বিষ্টুচরণের আদবকায়দা:এই গঙ্গারই ধারে সাড়ে তিন মন ওজন বিষ্টুচরণ ধর একটা ছেঁড়া মাদুরের উপর শুয়ে তেল মালিশ করাচ্ছিলেন এবং বিরক্তি নিয়ে গঙ্গার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সাদা লুঙ্গি, গেরুয়া পাঞ্জাবি এবং চোখে মোটা লেন্সের চশমা পরা ৫০-৫৫ বছরের ক্ষিতীশ সিংহ বিষ্টুচরণকে দেখে হাসছিলেন। মালিশ ওয়ালাকে তানপুরা,তবলা, সারেগামা, ইত্যাদি বিচিত্র ভঙ্গিতে মালিশ করার নির্দেশ দিচ্ছিলেন বিষ্টচরণ ধর।এই দৃশ্যে মজা পেয়ে ক্ষিতীশ সিংহ বিষ্টুচরণ ধরের শরীর নিয়ে ব্যঙ্গ করে বলেন যে, তিনি নিজে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। নানান অঙ্গভঙ্গি করে যখন ক্ষিতীশ সিংহ মজা করতে শুরু করেন তখন বিষ্টুচরণ ধরের রাগের বদলে কৌতূহল হয়। ক্রমশ তাঁদের দুজনের মধ্যে আলাপ জমে ওঠে।
২) বিষ্টুচরণ ধরের পরিচয় দাও। তাঁর খাদ্যাভ্যাসের
উত্তর: মতি নন্দীর রচিত কোনি গল্পে গঙ্গার ঘাটে ক্ষিতীশের চোখে পড়ে বিরাট চেহারার এই বিষ্টুচরণকে। সে অত্যন্ত বনেদি বংশের আই.এ.পাস করা ছেলে বিষ্টুচরণ ওরফে পাড়ার সকলের বেষ্টাদা। তিনি বনেদিয়ানা ও অর্থের জন্য পাড়ায় বেশ মান্যগণ্য। তাঁর সাতটা বাড়ি, বড়োবাজারে ঝাড়াই মশলার বিশাল ব্যাবসা। ইদানীং তিনি ভোটে দাঁড়াবার একটা গোপন সদিচ্ছা মনে মনে পোষণ করে পাড়ার যে কোনো খেলাধুলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির পদ অলংকৃত করে থাকেন এবং নানানভাবে আর্থিক সাহায্যও করেন।তাঁর আড়াই মন দেহটাকে বয়ে নিয়ে এদিক ওদিক করে তাঁর পুরোনো একটা অস্টিন। তাঁর একটি বিশেষ শখ হল গঙ্গার ঘাটের মালিশ ওয়ালাদের দিয়ে মালিশ করানো বিষ্টুচরণের ওজন তিন মন হওয়াতে তিনি খুবই চিন্তিত হয়ে ডায়েটিং শুরু করেছেন। অদ্ভুত তাঁর এই ডায়েটিং।আগে যেখানে তিনি জলখাবারে প্রতিদিন কুড়িটা লুচি ও আধকিলো ক্ষীর খেতেন এখন তা নেমে এসেছে পনেরোটা ও তিনশো গ্রামে।দুপুরে আড়াইশো গ্রাম চালের ভাতের সাথে চার চামচ ঘি।বিকেলে দু-গ্লাস মিছরির শরবতের সাথে কড়াপাকের সন্দেশ চারটে। রাতের খাবার বলতে মাত্র বারোটা রুটি। তিনি অবশ্য মাছ মাংস খান না।
৩)'ফাইট কোনি ফাইট-সাধারণ মেয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠতে গিয়ে কোনিকে কী ধরনের ফাইট করতে হয়েছিল,তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: মতি নন্দীর রচিত কোনি গল্পে কোনি জন্মসূত্রেই ছিল এক জাত ফাইটার। শ্যামপুকুর বস্তির এই মেয়েটি জীবনের শুরু থেকেই টিকে থাকার লড়াই করতে অভ্যস্ত। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই তার লড়াই শুরু হয়েছিল দারিদ্র্য আর দুর্ভাগ্যের সঙ্গে। বাবার মৃত্যুর পর দাদা হাল ধরলেও সংসারের নৌকায় গতি আসেনি। তাই অবিরাম হাঁটা প্রতিযোগিতায় শেষপর্যন্ত টিকে থাকার জন্য দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে যায় কোনি। রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠিত সাঁতার প্রতিযোগিতায় সে হিয়া মিত্রের কাছে হেরে যায় শুধুই টেকনিক না জানার কারণে। কিন্তু যথার্থ ফাইটারের মতোই সে এই পরাজয় মেনে নিতে পারেনি।
ক্ষিতীশ তাকে সাঁতার শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়ার পর শুরু হয় কোনির জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের লড়াই। প্রথমে জুপিটার ক্লাবে ভরতির পরীক্ষা দিয়ে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েও, তাকে ভরতি নেওয়া হয় না। ক্ষিতীশের সঙ্গে কোনির ভাগ্য জড়িয়ে পড়ায় একের পর এক প্রতিবন্ধকতা তাদের পথ রোধ করে দাঁড়ায়। জুপিটার সুইমিং ক্লাবের প্রতিযোগিতায় কোনির এনটি গৃহীত না হলেও ক্ষিতীশের চেষ্টায় সে সকলকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় তার প্রতিভা ও অবস্থান। স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপে সে চক্রান্তের শিকার হয়ে দুবার ডিসকোয়ালিফাই ও একবার প্রথম হয়েও দ্বিতীয় বলে ঘোষিত হয়। ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে মাদ্রাজে গিয়েও তাকে অকারণে বসিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি, অন্য সাঁতারুদের কাছ থেকে চোর অপবাদও জোটে তার। কিন্তু অমিয়ার পরিবর্ত হিসেবে জলে নামার সুযোগ পেয়ে সে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছিল। এভাবেই গঙ্গার এক সাধারণ সাঁতারু থেকে জাতীয় স্তরে সাফল্যের জীবনযোদ্ধার নাম হয়ে ওঠে কোনি।
৪)‘কোনি'-র চরিত্রটি আলোচনা করো।
উত্তর:শ্যামপুকুর বস্তির এই ডানপিটে স্বভাবের মেয়েটির সাফল্যের শিখর ছোঁয়ার কাহিনির মধ্যে দিয়ে তার চরিত্রের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পাঠকের সামনে স্পষ্ট হয়ে যায়।
*গল্পের শুরুতে গঙ্গায় আম কুড়োনো থেকে শুরু করে, ক্লাইম্যাক্সে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপের সুইমিং পুলে সর্বত্রই কোনির লড়াকু মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়। শুধু সাঁতারের ক্ষেত্রে নয়, জীবনযুদ্ধের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সে নির্ভীক ভাবে লড়াই চালায় প্রতিপক্ষ আর প্রতিকূলতার সঙ্গে।
দৃঢ়চেতা: জীবনে বার বার প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও কখনই ভেঙে পড়ে না কোনি। সমস্ত দুর্ভাগ্য প্রতিবন্ধকতা অপমান আর চক্রান্তের দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করে সে।
খেলোয়াড়সুলভ: হিয়া কোনিকে আনস্পোটিং বললেও সমগ্র উপন্যাসে জুড়ে আমরা তার খেলোয়াড়সুলভ মনোভাবেরই পরিচয় পায়। শেষ পর্যন্ত হিয়ার আনস্পোর্টিং অপবাদের জবাবও সে খেলোয়াড়সুলভ ভাবেই দেয়।
তাই সব মিলিয়ে কুনী হয়ে ওঠে জীবন যুদ্ধের এক নির্ভীক সৌনিক।
আরো পড়ুন:
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
আফ্রিকা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর Click Here
অভিষেক কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
প্রলয়োল্লাস কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
সিন্ধুতীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
নদীর বিদ্রোহ গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
সিরাজদ্দৌলা নাটকের প্রশ্ন উত্তর Click here
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর Click here
বহুরূপী গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click here
কোনি গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
the passing away of bapu question answerUnit 1 Click Here
The passing away of bapu question answer unit 2 Click Here
The passing away of bapu question answer unit 3 Click Here
My Own True family poem Lesson 4 Click Here
শসার স্বাস্থ্য উপকারিতা click Here
efits for health click hair
চোখ click here
মধুর উপকারিতা click here
শব্দ দূষণ click here
স্নায়ুর প্রশ্ন উত্তর Click here
একাদশ শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় সেমিস্টার
নুন কবিতা প্রশ্ন উত্তর click here
প্রবন্ধ রচনা দৈনন্দিন জীবনের বিজ্ঞান Click here
একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা click here
বাংলার উৎসব প্রবন্ধ রচনা Click here
বিজ্ঞান ও কুসংস্কার প্রবন্ধ রচনা Click here
গাছ আমাদের বন্ধু প্রবন্ধ রচনা Click here
মোবাইল ফোনের ভালো মন্দ প্রবন্ধ রচনা Click here
বইমেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
একটি গাছ একটি প্রাণ প্রবন্ধ রচনা Click here
মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা প্রবন্ধ রচনা Click here
বাংলা ব্যাকরণ কারক ও অকারক সম্পর্ক Click here
সমাসের প্রশ্ন উত্তর Click here
বাক্যের প্রশ্ন উত্তর Click here
উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়া প্রদান Click here
ন্যাস্টিক চলনের প্রশ্ন উত্তর Click here
উদ্ভিদ হরমোনের প্রশ্ন উত্তর Click Here
0 Comments