ধাতু ও প্রত্যয়:
সূচিপত্র:
ক)শব্দ গঠনের দ্বিতীয় পর্যায়ে-ধাতু ও প্রত্যয় নিয়ে আলোচনা।
খ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।(MCQ)
গ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
১)ধাতু কাকে বলে?
ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল অংশটিকেই বলে ধাতু বা ধাতুপ্রকৃতি বা ক্রিয়াপ্রকৃতি। সাধারণত (√) চিহ্ন দিয়ে ধাতুকে নির্দেশ করা হয়।
যেমন:কর, খা, বল খুঁজ প্রভৃতি।
* ধাতুর প্রকারভেদ:
উৎপত্তি ও প্রকৃতির বিচারে ধাতুকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়-
ক)মৌলিক বা সিদ্ধ বা একদল ধাতু
খ)সাধিত বা বহুদল ধাতু
গ)সংযোগমূলক ধাতু
ঘ)যৌগিক ধাতু
ক) মৌলিক ধাতু:যে-সমস্ত ধাতুকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না তাদেরকেই মৌলিক বা সিদ্ধ বা একদল ধাতু বলে।
যেমন:চল, লিখ্,বাধ,ধর, কর, বল, ফেল্ প্রভৃতি। মৌলিক ধাতুর পরে ধাতু বিভক্তি যোগ করলেই মৌলিক ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন : কর্ + ইল-করিল।
খ) সাধিত ধাতু: যে-সমস্ত ধাতুকে বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায়,তাদের সাধিত ধাতু বলে। যেমন-কর + আ = করা।
২) গঠনগতভাবে সাধিত ধাতু তিনপ্রকার-
ক) প্রযোজক ধাতু
খ)নামধাতু
গ)ধ্বন্যাত্মক ধাতু
ক)প্রযোজক ধাতু:
অন্যকে দিয়ে কিছু করানো বোঝাতে মৌলিক ধাতুর পরে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে সাধিত ধাতু গঠিত হয়, তাকে বলে প্রযোজক ধাতু।
যেমন:বস + আ = বসা,পড় + আ = পড়া, কম্ + আ = কমা, হাস্ + আ = হাসা।(দেখ (ধাতু) + আ (প্রত্যয়) + ইব (ধাতু বিভক্তি) দেখাইব > দেখাব)
(প্রযোজক ধাতু) =(প্রযোজক ক্রিয়া)
খ) নামধাতু:
বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ অর্থাৎ নামপদের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে সাধিত ধাতু গঠিত হয়,তাকে নামধাতু বলে।
যেমন:বিষ (বিশেষ্য) + আ = বিষা,ডর (বিশেষ্য) + আ = ডরা, রাঙা (বিশেষণ) + আ = রাঙা, বাঁকা (বিশেষণ) + আ বাঁকা,(বিষা (নামধাতু) + ইল (ধাতুবিভক্তি)= বিষাইল > বিষাল- নামধাতুজ ক্রিয়া)
গ) ধ্বন্যাত্মক ধাতু:
যে-সমস্ত অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় ধাতু হিসেবে ব্যবহৃত হয়,সেইসব সাধিত ধাতুকে বলে ধ্বন্যাত্মক ধাতু।
যেমন-কনকন + আ= কনকনা,বকবক + আ =
বকবকা।
৩) সংযোগমূলক ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ এবং ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর,দি,খা, পা,হ, কাট্ প্রভৃতি কয়েকটি মৌলিক ধাতুর সংযোগে যে ধাতু তৈরি হয়,তাকে
সংযোগমূলক ধাতু বলে।
যেমন:কর ধাতু যোগে-মানা কর্, টোটো কর, ঝটপট কর।
* 'দি' ধাতু যোগে- ডুব দি, লাফ দি, ছুট দি।
* ‘খা’ ধাতু যোগে-মাথা খা, খাবি খা, নুন খা।
*‘হ’ ধাতু যোগে-মানুষ হ, শামিল হ, রাজি হ।
* ‘কাট্' ধাতু যোগে-সাঁতার কাট্, সুতো কাট্, জিভ কাট্ ইত্যাদি।
* ঝটপট কর (সংযোগমূলক ধাতু) + ইতে (ধাতুবিভক্তি) + লাগল = ঝটপট করতে লাগল সংযোগমূলক ক্রিয়া)
৪) যৌগিক ধাতু:
ইয়া’ এবং ‘ইতে’ বিভক্তিযুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া যখন সমাপিকা ক্রিয়ার ঠিক আগে বসে উভয়ে মিলে একটি ধাতুগঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ধাতু বলে।
(এক্ষেত্রে সাধারণত সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে রাখ্, পা, উঠ, ফেল, দি, নে, থাক্, পড় প্রভৃতি ধাতুর ব্যবহার হয়)।
যেমন:ধরে রাখ্, বসে থাক্, বলে ফেল্, শুনিয়ে দি প্রভৃতি। (কেটে (অসমাপিকা ক্রিয়া) + ফেল্ (সমাপিকা) + ইল (ল) = কেটে ফেলল-যৌগিক ক্রিয়া)
২)প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর:শব্দ বা ধাতুর পরে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
যেমন; √কৃ (ধাতু) + তব্য (প্রত্যয়) = কর্তব্য।
* প্রত্যয়ের প্রকারভেদ:
প্রত্যয় প্রধানত দু-প্রকার-
ক)কৃৎ প্রত্যয় (ধাতু প্রত্যয়) খ) তদ্ধিত প্রত্যয় (শব্দ প্রত্যয়)।
ক)কৃৎ প্রত্যয় বা ধাতু প্রত্যয়:
যে প্রত্যয় ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দগঠন করে, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বা ধাতু প্রত্যয় বলে।
যেমন:তব্য, নীয়, ন্যৎ,যৎ, শতৃ,শানচ্,অন্ত প্রভৃতি। কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। যেমন:চল্ + অন্ত চলন্ত (কৃদন্ত শব্দ) এবং কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত বিশেষণ পদকে কৃদন্ত বিশেষণ বলে।
* কৃৎ প্রত্যয়কে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—
ক) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।
খ) তদ্ধিত প্রত্যয়:
যে প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দগঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন- ম্ল, স্নি, ম্লেয়, স্নিক, মতুপ্, বতুপ্, ইমন প্রভৃতি। তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন-শিশু + ম্ল = শৈশব।
তদ্ধিত প্রত্যয়কে তিনভাগে ভাগ করা যায়-
i) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। যেমন-রাবণ+স্নি=রাবনি।
ii) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।যেমন-বুদ্ধি+মান=বুদ্ধিমান
iii)বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
যেমন-মামলা+বাজ=মামলাবাজ
এ ছাড়া আর একধরনের অপ্রধান প্রত্যয় আছে। যার নাম ধাত্ববয়ব প্রত্যয়, শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন নতুন ধাতু সৃষ্টি করে, তাকে ধাত্ববয়ব প্রত্যয় বলে। যেমন— দেখ্ + আ = দেখা। √বেত্ + আ = বেতা।
* শব্দ থেকে প্রত্যয় ও বিভক্তি জেনে সরিয়ে নিলে যা থাকে,তাই হল প্রকৃতি। এটি দু-ধরনের-নামপ্রকৃতি ও ধাতুপ্রকৃতি।
প্রকৃতি:শব্দের যে মূল অংশকে আর বিভাজন করা যায় না সেই অংশকে প্রকৃতি বলে।
প্রকৃতি দু-প্রকার-
১) শব্দ প্রকৃতি, ও ধাতু প্রকৃতি নামপদের মূল হল শব্দ প্রকৃতি (হাত) এবং ক্রিয়াপদের মূল হল ধাতু প্রকৃতি (√ধর্)।যেমন-হাত + আ = হাতা, √ধর্ + আ = ধরা।
২) তদ্ধিতান্ত শব্দ:শব্দ প্রকৃতির সঙ্গে শব্দ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে-নতুন শব্দগঠন করে তাকে তদ্ধিতান্ত শব্দ বলে।
যেমন-হাত + আ = হাতা, ইতিহাস+ইক=ঐতিহাসিক।
* কৃদন্ত শব্দ:ধাতু প্রকৃতির সঙ্গে ধাতু প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে-শব্দগঠন করে তাকে কৃদন্ত শব্দ বলে।যেমন- √দৃশ্ + অনীয় = দর্শনীয়,√লিখ্ + অক = লেখক। বেনারস (শব্দ প্রকৃতি) + ‘ঈ' (শব্দ প্রত্যয়)(তদ্ধিতান্ত শব্দ) বেনারসী
√দৃশ্ (ধাতু প্রকৃতি) + ‘অক’ (কৃৎ প্রত্যয়) = দৰ্শক (কৃদন্ত শব্দ)
খ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।(MCQ)
১) ধাতু হল-
ক) প্রাতিপদিক
খ) প্রকৃতি
গ) ক্রিয়ার মূল অবিভাজ্য অংশ
ঘ) শব্দের মূল
উত্তর:(গ)ক্রিয়ার মূল অবিভাজ্য অংশ
২) মৌলিক ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে যে-ধাতু গঠিত হয় সেটি--
ক) ধাতু
খ) ধাতুমূল
গ) সাধিত ধাতু
ঘ) ধাতুর ক্রিয়া
উত্তর:(গ) সাধিত ধাতু
৩)প্রযোজক ধাতুর কর্তা-
ক) উভয়ে কাজ করে
খ)অন্যকে দিয়ে কাজ করায়
গ) নিজে কাজ করে
ঘ) কাজ করে না
উত্তর:(খ) অন্যকে দিয়ে কাজ করায়
৪) ধ্বন্যাত্মক ধাতু হল-
ক) মৌলিক ধাতু
খ) সাধিত ধাতু
গ) নামধাত
ঘ) যৌগিক ক্রিয়া
উত্তর:(খ) সাধিত ধাতু
৫)যৌগিক ক্রিয়ায়-
ক) একটি অসমাপিকা ক্রিয়া থাকে
খ) একটি মৌলিক ধাতু থাকে
গ একটি ধ্বন্যাত্মক ধাতু থাকে
ঘ) একটি প্রযোজক ধাতু থাকে
উত্তর:(ক) একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে
৬)মৌলিক ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যোগ করলে পাওয়া যায়-
ক) বিশেষ্য পদ
খ) অব্যয় পদ
গ) প্রত্যয়
ঘ) ক্রিয়াপদ
উত্তর:(ঘ) ক্রিয়াপদ
৭) যুক্ত ক্রিয়ার একটি উদাহরণ হল-
ক) ঘুমা
খ)বল খেল্
গ) গে
ঘ) গুনগুনিয়ে
উত্তর:(খ) বল খেল
৮)যে-বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দগঠন করে তাকে বলে-
ক)সমাস
খ) দল
গ) সন্ধি
ঘ)প্রত্যয়
উত্তর:(ঘ) প্রত্যয়
৯) প্রত্যয়-
ক) দু-প্রকার
খ) তিনপ্রকার
গ) চারপ্রকার
ঘ) পাঁচ প্রকার
উত্তর:(ক)দু-প্রকার
১০)প্রত্যয়ের কাজ হল-
ক) নতুন ধাতু তৈরি করা
খ) নতুন পদ তৈরি করা
গ) নতুন শব্দ তৈরি করা
ঘ) নতুন ক্রিয়া তৈরি করা
উত্তর:(গ) নতুন শব্দ তৈরি করা
১১)কৃৎ প্রত্যয় নিষ্পন্ন শব্দকে বলে-
ক) মৌলিক শব্দ
খ) সাধিত শব্দ
গ) কৃদন্ত শব্দ
ঘ) জটিল শব্দ
উত্তর:(গ) কৃদন্ত শব্দ
১২) কৃৎ প্রত্যয়ের অপর নাম-
ক)শব্দ প্রত্যয়
খ) ধাতু প্রত্যয়
গ) তদ্ধিত প্রত্যয়
ঘ)কোনোটিই নয়
উত্তর:(খ) ধাতু প্রত্যয়
১৩) প্রকৃতি বলতে আমরা বুঝি-
ক) শব্দের মূল অভিভাজ্য অংশ
খ) কৃদন্ত শব্দ
গ) তদ্ধিতান্তশব্দ
ঘ) ধাতু
উত্তর:(ক) শব্দের মূল অভিভাজ্য অংশ
গ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
১)ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর: ক্রিয়াপদের মূল অবিভাজ্য অংশ হল ধাতু। ধাতুর মধ্যে ক্রিয়ার মূল অর্থটি থেকে যায়।
যেমন-চলা, চলছে এই ক্রিয়াপদ গুলির মূল অংশ ‘চল্’৷ ‘চল্’ হল ধাতু।
২)মৌলিক ধাতু কী?
উত্তর:যে ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না সেটি মৌলিক ধাতু।
যেমন-দেখ্, বল্, খা ইত্যাদি। (এই ধাতুগুলি স্বয়ংসিদ্ধ বা একটিমাত্র দল নিয়ে গঠিত বলে এদের সিদ্ধ বা একদল ধাতুও বলে।)
৩) একদল ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর:অবিভাজ্য মৌলিক ধাতু একটিই দল নিয়ে গঠিত বলে সেটি একদল ধাতু।
যেমন-দেখ, ব্ল, খা ইত্যাদি।
৪)মৌলিক ধাতুর অপর নাম কী?
উত্তর:মৌলিক ধাতুর অপর নাম একদল ধাতু বা সিদ্ধ ধাতু।
৫) বহুদল বা সাধিত ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর: যে-ধাতু একাধিক দল নিয়ে গঠিত বা যাকে বিশ্লেষণ করলে একটি ধাতু এবং এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায়, তাদের বহুদল বা সাধিত ধাতু বলে।
যেমন-কর + আ = করা, বল +আ= বলা প্রভৃতি।
৬) নামধাতু কাকে বলে?
উত্তর:বিশেষ্য বা বিশেষণ অর্থাৎ নামপদের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নামধাতু বলে।
যেমন-ঘুস্ + আ= ঘুসা, হাত্ + আ = হাতা।
৭)মৌলিক ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর:মৌলিক ধাতুর সঙ্গে যখন ধাতুবিভক্তি যোগ করা হয়, তখন তাকে মৌলিক ক্রিয়া বলে।
যেমন-কর, দেখ, চল্, খা, যা প্রভৃতি মৌলিক ধাতু।
৮) নামধাতুজ ক্রিয়া বলতে কী বোঝ?
উত্তর: নামধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হলে,তাকে নামধাতুজ ক্রিয়া বলে। আঁচড়া +ল=আঁচড়াল,চমকা + য় = চমকায়।
৯) প্রযোজক ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর: কর্তা যে-ধাতুর দ্বারা অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার ক্রিয়াপদ গঠন করতে পারে সেটি প্রযোজক ধাতু।
যেমন-দেখা (দেখানো), শোনা (শোনানো) ইত্যাদি।
১০) ধ্বন্যাত্মক ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর:ধ্বন্যাত্মক শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে ধ্বন্যাত্মক ধাতু বলে।
যেমন-ভনভনা, শনশন ইত্যাদি।
১১) যৌগিক ক্রিয়া বলতে কী বোঝ?
উত্তর:অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে যা, আস্, ওঠ ইত্যাদি ধাতু যোগ করে যে-ক্রিয়াপদ গঠন করা হয় তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন—উঠে পড়, দেখতে চল্ ইত্যাদি।
১২) পঙ্গু ধাতু বলতে কী বোঝ?
উত্তর: কতকগুলি মৌলিক ধাতু আছে, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত করে ক্রিয়াপথ গঠন করলে, সেই ক্রিয়া পদের সর্বকালের রূপ পাওয়া যায় না সেই ধাতু গুলিকে পঙ্গু ধাতু বা অসম্পূর্ণ ধাতু বলে। যেমন- আছ, নহ, থাক, যা, বট প্রকৃতি।
১৩)প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর; যে-বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দগঠন করে তাকে প্রত্যয় বলা হয়।
১৪) প্রত্যয় কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: প্রত্যয় দু-প্রকার-
ক) ধাতু প্রত্যয় বা কৃৎ প্রত্যয়
খ)শব্দ প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয়।
১৫)কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর:যে-প্রত্যয় মূল ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দগঠন করে তাকে ধাতু প্রত্যয় বা কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন: √রাঁধ + উনি = রাঁধুনি।
১৬) তদ্ধিত প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর:মূল শব্দের সঙ্গে যে-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দগঠন করে তাকে শব্দ প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন : হাত + আ = হাতা।
১৭) কৃদন্ত শব্দ কাকে বলে?
উত্তর: কৃৎ প্রত্যয় নিষ্পন্ন শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে। যেমন : √দৃশ্ + অক = দর্শক।
১৮)স্বার্থিক প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর:মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করলে যখন প্রত্যয়নিষ্পন্ন শব্দের কোনো পরিবর্তন হয় না তখন সেই প্রত্যয়কে স্বার্থিক প্রত্যয় বলে।
১৯)নির্দেশক প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দিষ্টভাবে বোঝানোর জন্য যে বর্ণসমষ্টি প্রত্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয় তাকে নির্দেশক প্রত্যয় বলে।
২০) একটি নির্দেশক প্রত্যয়ের উদাহরণ দাও।
উত্তর:একটি নির্দেশক প্রত্যয়ের উদাহরণ হল- টুকু-দুধটুক খেয়ে ফেল।
২১)একটি স্বার্থিক প্রত্যয়ের উদাহরণ দাও।
উত্তর:একটি স্বার্থিক প্রত্যয়ের উদাহরণ হল-জমাট + ই = জমাটি। প্রয়োগ—অমন জমাটি আড্ডাটা মাঠে মারা গেল।
CONTENTS:
আরো পড়ুন:
কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here ধীবর-বৃত্তান্ত নাট্যাংশের প্রশ্ন
উত্তর Click Here ইলিয়াস গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here দাম গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click
Here নব নব সৃষ্টি প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর Click Here হিমালয় দর্শন গল্পের প্রশ্ন
উত্তর Click Here ভাঙার গান কবিতার প্রশ্ন উত্তর click Here আবহমান কবিতার প্রশ্ন
উত্তর Click Here আমরা কবিতা প্রশ্ন উত্তর click Here খেয়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর clickHere
আকাশের সাতটি তারা কবিতার প্রশ্ন উত্তর Click Here
নিরুদ্দেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর click Here চন্দ্রনাথ গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-1 click
Here চন্দ্রনাথ গল্পের প্রশ্ন উত্তর part-2 click Here
ব্যোমযাত্রীর ডায়েরির প্রশ্ন উত্তর Click Here
কর্ভাস গল্পের প্রশ্ন উত্তর Click Here
Teles of Bhola grandpa Lesson1 Unit 1 Click Here
Teles of Bhola grandpa Unit 2 Click Here
All about a Dog Lesson 2-Unit -1 -Click Here
All about a Dog Lesson 2 Unit 2 Click Here
Autumn poem Lesson 3 Part 1 Click Here
A Day in the zoo Lesson 4 Part 1 Click Here
A Day in the zoo Lesson 4 part 2 Click Here
All Summer in a Day Lesson 5 part 1 Click Here
The price of bananas part 1 click Here
The price of bananas part 2 click Here
Hunting snake poem question answer click Here
Cucumber is beneficial for the body click Here
ডাবের জলে উপকারিতা click Here
দুধের উপকারিতা click here
ওজোন গ্যাস click here
রক্ত সম্পর্কে আলোচনা click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
প্রবন্ধ রচনা দৈনন্দিন জীবনের বিজ্ঞান Click here
একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা click here
বাংলার উৎসব প্রবন্ধ রচনা Click here
বিজ্ঞান ও কুসংস্কার প্রবন্ধ রচনা Click here
গাছ আমাদের বন্ধু প্রবন্ধ রচনা Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
মোবাইল ফোনের ভালো মন্দ প্রবন্ধ রচনা Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
0 Comments