শব্দগঠন:
সূচিপত্র:
ক) শব্দ গঠনের প্রথম পর্যায়ে- উপসর্গ এবং অনুসর্গ নিয়ে আলোচনা।
খ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।(MCQ)
গ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
শব্দগঠন:
বাংলা ভাষায় শব্দ গঠনের দুটি বিশেষ কৌশল হল উপসর্গ যোগ এবং প্রত্যয় যোগ।শব্দমূলের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে নতুন নতুন শব্দ গঠন করা যায়। আবার শব্দের পূর্বে উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ গঠন করা হয়। উপসর্গ এবং প্রত্যয় শব্দ তৈরির দুটি ভাষাগত কৌশল। উপসর্গ যোগ কিংবা প্রত্যয় যোগ ছাড়াও সন্ধি, সমাস, এককথায় প্রকাশ ইত্যাদির সাহায্যে নতুন শব্দগঠন করা যায়।
এই অধ্যায়ে আমরা উপসর্গ ও অনুসর্গের সাহায্যে কীভাবে নতুন শব্দগঠন করা হয় সে সম্পর্কে আলোচনা করব।
উপসর্গ:
উপসর্গ হল অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দমূলের পূর্বে বসে ধাতুর অর্থের পরিবর্তন ঘটায় এবং নতুন নতুন অর্থযুক্ত শব্দের সৃষ্টি করে। যেমন—সত্বয় লোকটি আকণ্ঠ জল পান করে উপকৃত হলেন। এই বাক্যে সত্বয়, আকণ্ঠ, উপকৃত-এই শব্দ তিনটির পূর্বে স, আ, উপ ইত্যাদি শব্দাংশ বসেছে। এগুলি এক একটি উপসর্গ। উপসর্গ নতুন নতুন শব্দগঠন করে। তবে ধাতু বা শব্দমূলের আগে যুক্ত হয়ে এরা নতুন অর্থযুক্ত শব্দ তৈরি করে।
* উৎসের বিচারে উপসর্গ তিনপ্রকার–
ক)সংস্কৃত উপসর্গ
খ)বাংলা উপসর্গ
গ)বিদেশি উপসর্গ।
ক) সংস্কৃত উপসর্গ:
সংস্কৃতে মোট ২০টি উপসর্গ আছে। এগুলি বাংলায় ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত উপসর্গগুলি হল—প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ। এই উপসর্গগুলি দিয়ে কীভাবে নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয় তা দেখানো হল-
১) প্র-প্রগত, প্রলয়, প্রকার, প্রতারণা,প্রয়াণ, প্রমুখ, প্রপিতামহ, প্রশংসা, প্রণতি, প্রস্তাব,প্রসার ইত্যাদি।
২)পরা-পরাজয়,পরামর্শ,পরাকাষ্ঠা,পরাক্রান্ত, পরাভব,পরাবিদ্যা ইত্যাদি।
৩) অপ্-অপকার,অপচয়, অপসারণ,অপবাদ, অপকর্ম, অপহরণ, অপশব্দ,অপসংস্কৃতি ইত্যাদি।
৪) সম্: সমাবর্তন,সন্ধান,সংবিধান,সংযোগ,সম্মুখ, সংকীর্তন, সন্নিবেশ, সম্পূর্ণ ইত্যাদি।
৫) নি-নিগূঢ়, নিয়োগ, নিগ্রহ, নিদারুণ, নিকৃষ্ট, নিবেশ, নিক্ষেপ ইত্যাদি।
৬) অব-অবগাহন, অবদমন, অবমাননা, অবকাশ, অবজ্ঞা, অবতরণ ইত্যাদি।
৭) অনু- অনুচর, অনুমান, অনুকরণ,অনুভব, অনুকম্পা, অনুশোচনা, অনুজ্ঞা ইত্যাদি।
৮) নির্-নির্লোভ,নিরাকার,নিরাশ্রয়, নিরালা, নির্বোধ, নির্ণয়,নির্গম,নির্ধারণ ইত্যাদি।
৯) দুর-দুর্বল, দুরাচার, দুশ্চিন্তা, দুর্মূল্য,দুরাশয়, দুর্ভিক্ষ, দুর্ভাগা ইত্যাদি।
১০)বি-বিকৃতি, বিকার, বিপদ,বিধাতা,বিস্তার, বিবর্ণ, বিতৃয়া, বিখ্যাত ইত্যাদি।
১১)অধি-অধিকার, অধিনায়ক,অধীশ্বর,অধিপতি, অধিনায়ক, অধিবাসী ইত্যাদি।
১২) সু- সুজন,সুপ্রিয়, সুলভ,সুচতুর,সুতীব্র,সুদূর ইত্যাদি।
১৩)উৎ-উৎকর্ষ, উচ্ছেদ,উদ্গম,উন্নতি,উৎপাদন, উৎকোচ ইত্যাদি।
১৪) পরি-পরিচয়,পরিহার,পরিণয়,পরিজন, পরিবার,পরিপূর্ণ,পরিতাপ,পরিষ্কার ইত্যাদি।
১৫) প্রতি-প্রতিবাদ,প্রতিকার,প্রতিশোধ,প্রতিরোধ, প্রতিষ্ঠান, প্রতিদান ইত্যাদি।
১৬) অভি-অভিনয়, অভিমান,অভিনন্দন,অভিশাপ, অভিসার, অভিমুখ ইত্যাদি।
১৭) অতি- অতিকায়, অতিমানব, অতিপ্রাকৃত, অত্যাচার, অতিরঞ্জন, অত্যুক্তি ইত্যাদি।
১৮) অপি-অপিনিহিতি
১৯)উপ-উপকার,উপকথা,উপনদী,উপভোগ,উপবন ইত্যাদি।
২০)আ-আকণ্ঠ,আভাস,আসমুদ্র,ঙ্ক্ষা,আগমন,আবাস ইত্যাদি।
খ) বাংলা উপসর্গ
বাংলা ভাষায় নিজস্ব কিছু উপসর্গ আছে। এগুলি বাংলা উপসর্গ।
* নীচে বাংলা উপসর্গগুলির উল্লেখ করে সেই উপসর্গ দিয়ে কীভাবে শব্দ তৈরি হয় তা উদাহরণ দিয়ে দেখানো হল-
১)অ-অনড়, অফুরন্ত, অকেজো, অধর্ম, অনিয়ম, অকর্মা, অলস, অসম, অবেলা ইত্যাদি।
২) অনা-অনাবৃষ্টি, অনাচার,অনাসৃষ্টি, অনামুখো ইত্যাদি। আ : আচমকা, আকাল,আলুনি, আঘাটা, আকাশ, আকাড়া ইত্যাদি।
৩) কু-কুকথা,কুপুত্র, কুকাজ, কুনজর, কুসঙ্গ ইত্যাদি। নি/নির : নিখুঁত, নিপাট, নিখরচা, নির্ভেজাল, নির্ভুল ইত্যাদি।
৪) না-নাবালক, নামঞ্জুর,নাবালিকা, নারাজ ইত্যাদি।
৫) বি-বিভুঁই, বিদেশ,বিমুখ,বিশুদ্ধ,বিরোধ ইত্যাদি।
৬) স-সটান, সজোর,সপাট ইত্যাদি।
৭)সু-সুকাজ, সুনাম, সুনজর ইত্যাদি।
৮) হা- হাঘর, হাভাত,হাপিত্যেশ ইত্যাদি।
৯) রাম- রামছাগল, রামদা, রামধোলাই, রামবোকা ইত্যাদি।
১০) পাতি-পাতিলেবু, পাতিহাস, পাতিপুকুর ইত্যাদি।
১১) গণ্ড-গণ্ডমূর্খ, গণ্ডগ্রাম ইত্যাদি।
গ) বিদেশি উপসর্গ:
বেশ কিছু বিদেশি উপসর্গ বাংলা ভাষায় এসেছে এই বিদেশি উপসর্গগুলির প্রয়োগ বাংলা ভাষায় কীভাবে হয় তা দেখানো হল-
ইংরেজি উপসর্গ:
*ফুল (Full)- ফুলবাবু, ফুলহাতা, ফুলমোজা ইত্যাদি। *হাফ (Half)-হাফহাতা, হাফনেতা,হাফছাড় ইত্যাদি। *হেড (Head)-হেডপণ্ডিত, হেডবাবু, হেডমিস্ত্রি *ইত্যাদি মিনি (Mini)- মিনিবাস, মিনি-পত্রিকা।
ফরাসি উপসর্গ:
*আম-আমজনতা,আমদরবার,আমআদমি, আমলোক ইত্যাদি
*খাস-খাসকামরা,খাসদরবার, খাসমহল,খাসচাকর ইত্যাদি
*কার-কারচুপি, কারবার, কারখানা ইত্যাদি।
*খোশ-খোশমেজাজ, খোশগল্প ইত্যাদি।
*গর-গরহাজির,গরমিল,গররাজি ইত্যাদি।
*ফি : ফিবছর, ফিসন, ফিহপ্তা ইত্যাদি।
*নিম-নিমরাজি।
*ব-বকলম।
*বদ-বদলোক,বদমেজাজ,বদস্বভাব,বদগন্ধ ইত্যাদি।
*বে-বেচাল, বেসামাল, বেঘোর, বেবন্দোবস্ত ইত্যাদি।
*হর-হরবোলা,হররোজ ইত্যাদি।
** অনুসর্গ:
যে-সমস্ত অব্যয়পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে শব্দবিভক্তির মতো কাজ করে,তাদের অনুসর্গ বলে।
যেমন-ছেলেটি গাছ থেকে ফল পাড়ে। এই বাক্যে ‘থেকে’ হল অনুসর্গ।অনুসর্গের নিজস্ব একটি অর্থ থাকে।সাধারণত এরা নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনামের) পরে বসে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে নামপদের আগেও বসে।যেমন-বিনা স্বদেশি ভাষা মিটে কি আশা।
* বাংলা ভাষায় কারক নির্দেশ করতে অনুসর্গ সাহায্য করে। যেমন-
ক) কর্মকারক:পানে,ছাড়া,বিনা-তারাটির পানে চাহিয়া আছে। তোমা ছাড়া এ কাজ হবে না। দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় না।
খ) নিমিত্ত কারক: জন্য,নিমিত্ত,তরে-মেয়ের জন্য এ গহনা গড়িয়াছি।রান্নার জন্য ঘর দরকার।তোমার তরে আসা। বিদ্যালাভের নিমিত্ত তিনি পড়াশুনা করেন।
গ) করণ কারক:দ্বারা,দিয়া-দা দিয়ে কেটে ফেলবো। তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না।ছাগল দিয়ে কি চাষ হয়?
ঘ) অপাদান কারক:থেকে,হইতে,হতে-শূন্য থেকে শুরু করেছি।আকাশ হইতে তারা খসিয়া পড়িল। ঘর হতে বাহির হও।
ঙ) অধিকরণ কারণ: মধ্যে,মাঝে,কাছে-ছেলেটি জলের মধ্যে নামল।জগৎ মাঝে সব আছে। বাড়ির কাছে অরশিনগর।
* এ ছাড়া অকারকের ক্ষেত্রেও অনুসর্গের ব্যবহার আছে। যেমন-
ক) সম্বন্ধপদে-চেয়ে,তরে,থেকে ধনের চেয়ে মান বড়ো। সকলের তরে সকলে আমরা ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় যে-সমস্ত শব্দগুলি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেগুলি হল—প্রতি, অপেক্ষা, উপরে, নীচে, কাছে, পিছে, মাঝে, মধ্যে, ভিতর, বাহির, ঠাই, ধেয়ে, সঙ্গে, সাথে, সনে, সহিত, সহকারে, মতো, ছাড়া, ব্যতীত, বিনা, বিহনে, হতে, জন্য, তরে, নিমিত্ত, পানে, সহ, নিকটে, দ্বারা, দিয়া ইত্যাদি।
এই অনুসর্গগুলির বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। যেমন—কয়েকটি অনুসর্গ ক্রিয়াপদের রূপ।যেমন-করিয়া > করে,লাগিয়া > লেগে, চাহিয়া > চেয়ে, থাকিয়া > থেকে, হইতে > হতে ইত্যাদি।
বেশিরভাগ অনুসর্গের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয় অর্থাৎ বাক্যে ব্যবহারের সময় পূর্ববর্তী পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত থাকে। পরে ওই বিভক্তির পর অনুসর্গ বসে।
যেমন-কতকগুলি অনুসর্গ আছে যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয় না অর্থাৎ ওই অনুসর্গগুলি ব্যবহার করলে পূর্ববর্তী পদে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না। যেমন—ছাড়া, ব্যতীত, বিনা, থেকে ইত্যাদি। গাড়ি ছাড়া যাওয়া যাবে না। পরিশ্রম ব্যতীত সাফল্য আসবে না। গাছ থেকে ফল পাড়ো।
খ) সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।(MCQ)
১) উপসর্গ ধাতু বা শব্দমূলের-
ক)পূর্বে বসে
খ)পরে বসে
গ) পাশে বসে
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:(ক) পূর্বে বসে
২)উপসর্গ কত প্রকার-
ক) দু-প্রকার
খ) তিনপ্রকার
গ) চারপ্রকার
ঘ) পাঁচপ্রকার
উত্তর:(খ) তিন প্রকার
৩)'গরমিল' শব্দের 'গর' একটি-
ক) সংস্কৃত উপসর্গ
খ)বিদেশি উপসর্গ
গ বাংলা উপসর্গ
ঘ) পালি উপসর্গ
উত্তর:(খ) বিদেশি উপসর্গ
৪)ধাতুর সঙ্গে মিশে যায়-
ক) উপসর্গ
খ) অনুসর্গ
গ) অব্যয়
ঘ)সন্ধি
উত্তর:(ক) উপসর্গ
৫)উপসর্গ হল ইংরেজিতে-
ক)Prefix
খ) Suffix
গ) Conjunction
ঘ) Preposition
উত্তর:(ক) prefix
৬) সংস্কৃত ভাষায় উপসর্গের সংখ্যা—
ক) উনিশ
খ)পনেরো
গ )কুড়ি
ঘ) বাইশ
উত্তর:(গ) কুড়ি
৭) অনুসর্গ নামপদের পরে বসে-
ক) বিশেষ্যের মতো কাজ করে
খ) সর্বনামের মতো কাজ করে
গ) শব্দবিভক্তির মতো কাজ করে
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:(গ) শব্দ বিভক্তির মত কাজ করে
৮)অনুসর্গগুলির নিজস্ব অর্থ-
ক) আছে
খ)নেই
গ)সর্বদা বদলায়
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর:(ক) আছে
৯) অনুসর্গ হল এক প্রকারের-
ক)অব্যয়
খ) সর্বনাম
গ) বিশেষ্য
ঘ)ক্রিয়া
উত্তর:(ক) অব্যয়
১০)অনুসর্গের আর-এক নাম-
ক) কর্মপ্রবচনীয়
খ)উপসর্গ
গ) নির্দেশক
ঘ) বিভক্তি
উত্তর:(ক) কর্মপ্রবচনীয়
১১)অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়কে বলা হয়-
ক) উপসর্গ
খ) বিশেষণ
গ) ক্রিয়াবিশেষণ
ঘ)পরসর্গ
উত্তর:(ঘ)পরসর্গ
গ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
১)উপসর্গ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর উপসর্গ শব্দের অর্থ পূর্বে বসে নতুন শব্দ সৃষ্টি করা।
২)উপসর্গের প্রাথমিক কাজ কী?
উত্তর: উপসর্গের প্রাথমিক কাজ হল ধাতু বা শব্দমূলের অর্থের পরিবর্তন, সংকোচন বা প্রসারণ এবং শব্দার্থের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ ঘটিয়ে নতুন অর্থযুক্ত শব্দ সৃষ্টি করা।
৩) উপসর্গ ব্যাকরণের কোন্ অংশের মধ্যে পড়ে?
উত্তর: উপসর্গ ব্যাকরণের রূপতত্ত্ব অংশের মধ্যে
পড়ে।
৪)চারটি বাংলা উপসর্গের উদাহরণ দাও।
অ–অনড়, অনা—অনাবৃষ্টি, আ–আচমকা, কু–কুকথা।
৫)চারটি বিদেশি উপসর্গের উদাহরণ দাও।
উত্তর আম-আমজনতা, কার-কারচুপি, গর-গরহাজির,ব-বকলম।
৫)অনুসর্গ কাকে বলে?
উত্তর: যে-সমস্ত অব্যয় পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে শব্দবিভক্তির মতো কাজ করে,তাদের অনুসর্গ বলে।যেমন-রান্নার জন্য ঘর দরকার।
৬)অনুসর্গ সাধারণত কোথায় বসে?
উত্তর: অনুসর্গ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে পৃথকভাবে বসে।
৭) অনুসর্গ ও বিভক্তির দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর: অনুসর্গের নিজস্ব অর্থ আছে।বিভক্তির কোনো অর্থ নেই। অনুসর্গ পৃথকভাবে অবস্থান করে। বিভক্তি নামপদের সঙ্গে মিশে যায়।
৮)অনুসর্গ বিভক্তিরূপে কাজ করলেও বিভক্তি নয় কেন?
উত্তর: বিভক্তি হল বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি,এর স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু অনুসর্গ অর্থযুক্ত অব্যয়।
৯)অনুসর্গের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
প্রশ্ন উত্তর: অনুসর্গের দুটি বৈশিষ্ট্য হল-অনুসর্গের নিজস্ব অর্থ আছে এবং এরা নামপদের সঙ্গে মিশে যায় না, পৃথকভাবে অবস্থান করে।
১০) উপসর্গ ও অনুসর্গের দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর: ধাতু বা শব্দমূলের আগে বসে উপসর্গ অর্থে পরিবর্তন ঘটিয়ে, নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। যথা—প্র-হার > প্রহার।
*অন্যদিকে অনুসর্গ নামপদের পরে বসে শব্দবিভক্তির কাজ করে। যথা-এই দিকে তাকাও।
*উপসর্গ ধাতু বা শব্দমূলের আগে বসে।যেমন—আ-হার > আহার।
*অনুসর্গ পদের পরে বসে। যেমন-আকাশ থেকে বৃষ্টি
পড়ে।
আরো পড়ুন:
ডাবের জলে উপকারিতা click Here
দুধের উপকারিতা click here
ওজোন গ্যাস click here
রক্ত সম্পর্কে আলোচনা click here
অস্থি বা হাড়ের কার্যাবলী Click here
থাইরয়েড গ্রন্থির প্রশ্ন উত্তর Click here
প্রবন্ধ রচনা দৈনন্দিন জীবনের বিজ্ঞান Click here
একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রবন্ধ রচনা click here
বাংলার উৎসব প্রবন্ধ রচনা Click here
বিজ্ঞান ও কুসংস্কার প্রবন্ধ রচনা Click here
গাছ আমাদের বন্ধু প্রবন্ধ রচনা Click here
মেলা প্রবন্ধ রচনা Click here
মোবাইল ফোনের ভালো মন্দ প্রবন্ধ রচনা Click here
ধ্বনি ও স্বরধ্বনির প্রশ্ন উত্তর Click here
0 Comments